ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২৯ জুলাই, ২০২১ | ১৪ শ্রাবণ, ১৪২৮ | ১৮ জিলহজ, ১৪৪২ | English Version | Our App BN | বাংলা কনভার্টার
  • Main Page প্রচ্ছদ
  • করোনাভাইরাস
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • স্বদেশ
  • ভারত
  • অর্থনীতি
  • বিজ্ঞান
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ভিডিও ♦
  • ♦ আরও ♦
  • ♦ গুরুত্বপূর্ণ লিংক ♦
    • NBS » ৩ শিরোনাম » আফগানিস্তান পরিস্থিতির ব্যাপারে ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের অভিযোগ


    ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

    কোটিপতি হতে চাইলে,১৫ হাজার টাকা কেজির শ্বেত চন্দন চাষ করুন খুব সহজে
    এনবিএস | Tuesday, July 20th, 2021 | প্রকাশের সময়: 6:12 am

    কোটিপতি হতে চাইলে,১৫ হাজার টাকা কেজির শ্বেত চন্দন চাষ করুন খুব সহজে

    এনবিএস ওয়েবডেস্ক – দেশের কৃষকদের আর্থিক উন্নতির একটাই উপায় আর তা হল স্বল্প ব্যয়ে আরও বেশি মুনাফা অর্জন। ক্ষুদ্র থেকে বড় প্রতিটি কৃষকের লক্ষ্য কৃষি কাজ করে উপার্জনের সাথে সাথে নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা বৃ’দ্ধি। দেশের বেশিরভাগ কৃষক এখনও ঐতিহ্যবাহী কৃষিকাজের সাথে যুক্ত।

    আবার এমন কিছু কৃষক আছেন যারা ঐতিহ্যবাহী চাষ থেকে দূরে সরে যেতে চান এমন কিছু জিনিস চাষ করার জন্য যা তাদের ভাল লাভ দিতে পারে। এ জন্য দেশের কৃষকরা প্রতিদিন কৃষিতে নতুন নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চলেছেন। মূল ফসলের সাথে তারা সাথী ফসল চাষ করেন অতিরিক্ত উপার্জনের জন্য।

    তেমনই এক গাছের নাম শ্বেত চন্দন (White sandalwood) । কম পানি সেচ, কম পরিচর্যা ছাড়াও বাঁচতে পারে এই গাছ। তাই খরা প্রবণ এলাকাতেও শ্বেত চন্দনের চাষ ‘হতে পারে। যেহেতু শ্বেত চন্দনের ঔষধি গু’ণ অসাধারণ তাই এই কাঠের দামও বেশি। বর্তমানে এই কাঠ প্রায় ১৫ হাজার টাকা কেজি।

    চন্দন গাছের প্রকারভেদ সাধারণত তিন প্রকারের চন্দনের কথা শোনা গেলেও বাস্তবে দুই প্রকারের চন্দনের অস্তিত্ব¡ পাওয়া যায়। তিন প্রকার চন্দন হল সাদা চন্দন বা শ্বেতচন্দন, র’ক্ত চন্দন বা লাল চন্দন, পিত চন্দন। তবে পিত চন্দনের কথা শোনা গেলেও এর কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায় না।

    শ্বেত এবং র’ক্ত চন্দন দুটিই ঔষধ ও প্রসাধনী শিল্পে ব্যবহার হয়। এর মধ্যে শ্বেত চন্দন এর মূল্য বেশী। শ্বেত চন্দন এর বোটানিকাল নাম সান্টালুম এ্যালবাম (Santalum album)। জানুয়ারী থেকে মা’র্চ মাস পর্যন্ত কাটিং প’দ্ধতিতে চারা করার উপযুক্ত সময়।

    তবে পরিপক্ক চারা বছরের যে কোন সময় রোপন করা যায়। চারা রোপনের ক্ষেত্রে একটু উচু জায়গা নির্ধারন করতে হবে। চন্দন সাধারনত একটু সৌখিন ও ক্ষ’ড়াসহিষ্ণু গাছ। আমা’দের দেশের সব এলাকাতে এর চাষ করা সম্ভব। শ্বেতচন্দন গাছের তেমন কোন রোগবালাই নেই। চন্দন কাঠের সুগন্ধ মানুষের কাছে আকর্ষনীয় হলেও পোকামাকড়ের কাছে আকর্ষনীয় নয়। শীতের শুরুতে শ্বেতচন্দন গাছের পাতা ঝড়ে যায়।

    চন্দন কাঠের চাষ সম্ভাবনা – চন্দন কাঠের চাষ বেশ লাভজনক, উল্লেখযোগ্য বি’ষয়টি হ’ল আমা’দের দেশের পাশাপাশি বিদেশেও এর চাহিদা ভালোই রয়েছে। সেই প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে আজও এর চাহিদা উত্তরোত্তর বৃ’দ্ধি পেয়েছে। চন্দন কাঠের চাষে আপনাকে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হবে, তার বহুগু’ণ বেশি অর্থ আপনি উপার্জন করতে পারবেন। অর্থাৎ এটি বেশ লাভজনক। তবে এর জন্য আপনাকে কমপক্ষে ১৫-২০ বছর দীর্ঘ অ’পেক্ষা করতে হবে। এতে ব্যয় হয় প্রায় এক লাখ টাকা এবং এতে মুনাফা হয় ৬০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত। শ্বেত চন্দন গাছগু’লিকে চিরসবুজ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এর থেকে উত্পাদিত তেল এবং কাঠ ঔষধ তৈরি করতেও ব্যবহৃত হয়। শ্বেত চন্দন কাঠের তেল সাবান, প্রসাধনী এবং আতর সুগন্ধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

    কত দিনের মধ্যে চন্দন গাছ প্রস্তুত হয় – চন্দন গাছ দুটি উপায়ে প্রস্তুত করা যায়- প্রথমটি জৈব চাষ এবং দ্বিতীয়টি ঐতিহ্যবাহী উপায়ে চাষ। জৈব প’দ্ধতিতে এবং প্রচলিত উপায়ে চন্দন গাছ প্রস্তুত ‘হতে ১০ থেকে ১৫ বছর সময় লাগে। অন্যান্য গাছের তুলনায় চন্দন গাছ বেশ ব্যয়বহুল। তবে আপনি যদি একবারে অনেকগু’লি গাছ কিনে থাকেন তবে এটি গড়ে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায় পাবেন। শ্বেতচন্দন গাছ চাষ করা যেমন সহজসাধ্য, তেমনি অত্যন্ত লাভজনকও। এই গাছ চাষে তেমনভাবে কোনও খরচও নেই। সেচও লাগে কম। প্রথম দুই বছর গাছের সামান্য যত্ন নিতে পারলেই আর কোনও অসুবিধা নেই।

    শ্বেত চন্দন চাষে কত লাভ ‘হতে পারে – গাছের বয়স ২০ হলেই প্রায় পরিণত এই গাছ ৩০০ থেকে ৩৫০ কেজি কাঠ দেবে। মাটির উপরের ভাগের কাঠের দাম বর্তমান বাজারে যা ১৫ হাজার টাকা প্রতি কেজি৷ তবে ২০ বছর পর আরও দাম বাড়ার সম্ভাবনা। এমনকি মাটির ভিতর শিকড় ইত্যাদি কাঠও পাওয়া যেতে পারে নয় নয় করেও প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার। অর্থাৎ বর্তমানে কোনও গাছ রোপণ করলে ২০ বছর পর অনায়াসেই আপনি গাছের সংখ্যা অনুযায়ী ৬০ লক্ষ থেকে কোটি টাকার মালিক হয়ে যেতে পারেন।

    শ্বেত চন্দনের ঔষধি গু’নাগু’ন – সব চন্দন কাঠই উপকারী তবে শ্বেত চন্দন যেমন দামী তেমনী মানব স্বাস্থের জন্যও উপকারি অসাধারন একটি দুর্লভ ভেষজ। সাদা চন্দনের গাছ থেকে পাতন ব্যবস্থায় তেল নিস্কাশন করে প্রসাধনী, ঔষধ ও দামী আতর শিল্পে ব্যবহার করা হয়। শ্বেতচন্দন আমা’দের কাছে সুগন্ধি কাঠ হিসেবে পরিচিত হলেও চন্দন কাঠের নি’র্যাস সাবান, পাউডার, আতর, ক্রিম, দাত মাজার পেষ্ট তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। আধুনিক ভেষজ শাস্ত্রে শ্বেতচন্দন বহু রোগের জন্য ব্যবহার করা হয়। যেমন অতিরিক্ত র’ক্তচাঁপ, ব্রঙ্কাইটিস এছাড়া পেনিসিলিন আবিস্কারের বহু আগেই ভেষজ চিকিৎসকরা গনোরিয়া রোগের জন্য শ্বেতচন্দন ব্যবহার করেছেন।

    তখন চন্দনের তেলের সংগে অন্য দু’একটি ভেষজ মিশিয়ে ঔষধ বানানো ‘হত। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সর্বত্রই এটি গনোরিয়ার ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত ‘হত। এছাড়া খাদ্য হজম, ডায়রীয়া, আমাশয়, ঘামাচি, বসন্ত, হিক্কা সহ বিভিন্ন রোগের ঔষধ হিসেবে চন্দনের বিভিন্ন ব্যবহার হয়েছে বর্তমানেও হইতেছে। রুপচর্চায় শ্বেত চন্দন ব্যবহারে যাদুকরি উপকার পাওয়া যায়। তাই একজন মানুষ এক একটি চন্দন গাছ রোপন করলে ১০-১৫ বছর পরে তিনি পেনশনের মত করে এই গাছ থেকে আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন। তথ্যসূত্রঃ এগ্রোবাংলা ডটকম


    আপনার মন্তব্য লিখুন...

    nbs24new3 © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
    নিউজ ব্রডকাস্টিং সার্ভিস - এনবিএস
    ২০১৫ - ২০২০

    সিইও : আব্দুল্লাহ আল মাসুম
    সম্পাদক ও প্রকাশক : সুলতানা রাবিয়া
    চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান : মোঃ রাকিবুর রহমান
    -------------------------------------------
    বংশাল, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
    ফোন : +৮৮ ০১৭১৮ ৫৮০ ৬৮৯
    Email : [email protected], [email protected]

    ইউএসএ অফিস: ৪১-১১, ২৮তম এভিনিউ, স্যুট # ১৫ (৪র্থ তলা), এস্টোরিয়া, নিউইর্য়ক-১১১০৩, 
    ইউনাইটেড স্টেইটস অব আমেরিকা। ফোন : ৯১৭-৩৯৬-৫৭০৫।

    প্রসেনজিৎ দাস, প্রধান সম্পাদক, ভারত।
    যোগাযোগ: সেন্ট্রাল রোড, টাউন প্রতাপগড়, আগরতলা, ত্রিপুরা, ভারত। ফোন +৯১৯৪০২১০৯১৪০।

    Home l About NBS l Contact the NBS l DMCA l Terms of use l Advertising Rate l Sitemap l Live TV l All Radio

    দেশি-বিদেশি দৈনিক পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে সংগৃহিত এবং অনুবাদকৃত সংবাদসমূহ পাঠকদের জন্য সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে
    সূত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের নাম দিয়ে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদগুলোর জন্য এনবিএস কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবেন না।
    আমাদের নিজস্ব লেখা বা ছবি 'সূত্র এনবিএস' উল্লেখ করে প্রকাশ করতে পারবেন। - Privacy Policy l Terms of Use