ঢাকা, মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
৯০-এর ফাইনালের আগেই লাল কার্ড পেতে পারতেন ম্যারাডোনা
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

৯০-এর ফাইনালের আগেই লাল কার্ড পেতে পারতেন ম্যারাডোনা

১৯৯০ বিশ্বকাপ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির কারছে ১-০ ব্যবধানে হেরে যাওয়ার পর আর্জেন্টিনার অধিনায়ক দিয়েগো ম্যারাডোনা অভিযোগ করেছিলেন, রেফারির ‘কালো হাত’ তার দলের হারের জন্য দায়ী।চার বছর আগের বিশ্বকাপে বহুল আলোচিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের জন্ম দেওয়া ম্যারাডোনা অভিযোগটি তুলেছিলেন রেফারির এডগার্দো কোডসালের বিরুদ্ধে। ম্যাচের ৮৫তম মিনিটের সময় আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জার্মানিকে পেনাল্টি দেওয়া এবং দুই আর্জেন্টাইন ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানোয় ম্যারাডোনার ওই তোপ। 

তবে যার বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগ, সেই রেফারি এতদিন কিছুই বলেননি।ঘটনার ত্রিশ বছর পর উরুগুইয়ান এ রেফারি মুখ খুললেন এবং পাল্টা তোপ লাগালেন ম্যারাডোনার দিকে। বললেন, তার গোটা জীবনে দেখা বাজে মানুষদের একজন ম্যারাডোনা এবং সেদিন ফাইনাল শুরুর আগেই লাল কার্ড দেখানোর মতো কাজ করে ফেলেছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

উরুগুয়ের তিরারদো প্যারিদিস নেটওয়ার্কের সঙ্গে আলাপে কোডসাল জানান, সেদিন অনুষ্ঠিত ফাইনালে আর্জেন্টিনার পেদ্রো মনজোন ও গুস্তাবো দেজত্তির আগেই লাল কার্ড পাওয়ার কথা ছিল ম্যারাডোনার, ‘তাকে আমি খেলা শুরুর আগেই লাল কার্ড দেখাতে পারতাম। জাতীয় সংগীত বাজার সময় সে খুব জোরেশোরে আজেবাজে কথা বলছিল। এরপর খেলার মধ্যে যখন মনজোনকে লাল কার্ড দেখালাম, তখনও খুব খারাপ আচরণ করল। আমাকে বলল চোর। আরও বেশকিছু কিছু ব্যাপার আমার নজরে পড়েছিল তখন। খুব আক্রমণাত্মক ট্যাকল করতে করতে ওর হাঁটু ফুলে গিয়েছিল।’

এডগার্দোর মতে ব্যক্তি হিসেবে ম্যারাডোনা খুবই খারাপ, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে সেই ছিল সেরা। কিন্তু খুবই অস্বস্তিকর এবং আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে বাজে মানুষগুলোর একজন।’ তিন দশক আগের বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি যা বলেছেন, তাতে ম্যারাডোনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ওই সময় খুব ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবল কিংবদন্তি, ‘আমাদের খেলোয়াড়রা প্রচুর কষ্ট করেছে। কিন্তু এই একটা মানুষ সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। সে ভয় পেয়ে গিয়েছিল আমরা পেনাল্টি পেয়ে যেতে পারি। এই মানুষটার কালো হাত মনজোনকে সাধারণ একটা কারণে মাঠ থেকে বের করে দিয়েছে।’

১৯৯০ বিশ্বকাপ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির কারছে ১-০ ব্যবধানে হেরে যাওয়ার পর আর্জেন্টিনার অধিনায়ক দিয়েগো ম্যারাডোনা অভিযোগ করেছিলেন, রেফারির ‘কালো হাত’ তার দলের হারের জন্য দায়ী।চার বছর আগের বিশ্বকাপে বহুল আলোচিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের জন্ম দেওয়া ম্যারাডোনা অভিযোগটি তুলেছিলেন রেফারির এডগার্দো কোডসালের বিরুদ্ধে। 

ম্যাচের ৮৫তম মিনিটের সময় আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জার্মানিকে পেনাল্টি দেওয়া এবং দুই আর্জেন্টাইন ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানোয় ম্যারাডোনার ওই তোপ। তবে যার বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগ, সেই রেফারি এতদিন কিছুই বলেননি।ঘটনার ত্রিশ বছর পর উরুগুইয়ান এ রেফারি মুখ খুললেন এবং পাল্টা তোপ লাগালেন ম্যারাডোনার দিকে। বললেন, তার গোটা জীবনে দেখা বাজে মানুষদের একজন ম্যারাডোনা এবং সেদিন ফাইনাল শুরুর আগেই লাল কার্ড দেখানোর মতো কাজ করে ফেলেছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

উরুগুয়ের তিরারদো প্যারিদিস নেটওয়ার্কের সঙ্গে আলাপে কোডসাল জানান, সেদিন অনুষ্ঠিত ফাইনালে আর্জেন্টিনার পেদ্রো মনজোন ও গুস্তাবো দেজত্তির আগেই লাল কার্ড পাওয়ার কথা ছিল ম্যারাডোনার, ‘তাকে আমি খেলা শুরুর আগেই লাল কার্ড দেখাতে পারতাম। জাতীয় সংগীত বাজার সময় সে খুব জোরেশোরে আজেবাজে কথা বলছিল। এরপর খেলার মধ্যে যখন মনজোনকে লাল কার্ড দেখালাম, তখনও খুব খারাপ আচরণ করল। আমাকে বলল চোর। 

আরও বেশকিছু কিছু ব্যাপার আমার নজরে পড়েছিল তখন। খুব আক্রমণাত্মক ট্যাকল করতে করতে ওর হাঁটু ফুলে গিয়েছিল।’এডগার্দোর মতে ব্যক্তি হিসেবে ম্যারাডোনা খুবই খারাপ, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে সেই ছিল সেরা। কিন্তু খুবই অস্বস্তিকর এবং আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে বাজে মানুষগুলোর একজন।’ তিন দশক আগের বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি যা বলেছেন, তাতে ম্যারাডোনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

তবে ওই সময় খুব ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবল কিংবদন্তি, ‘আমাদের খেলোয়াড়রা প্রচুর কষ্ট করেছে। কিন্তু এই একটা মানুষ সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। সে ভয় পেয়ে গিয়েছিল আমরা পেনাল্টি পেয়ে যেতে পারি। এই মানুষটার কালো হাত মনজোনকে সাধারণ একটা কারণে মাঠ থেকে বের করে দিয়েছে।’

১৯৯০ বিশ্বকাপ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির কারছে ১-০ ব্যবধানে হেরে যাওয়ার পর আর্জেন্টিনার অধিনায়ক দিয়েগো ম্যারাডোনা অভিযোগ করেছিলেন, রেফারির ‘কালো হাত’ তার দলের হারের জন্য দায়ী।চার বছর আগের বিশ্বকাপে বহুল আলোচিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের জন্ম দেওয়া ম্যারাডোনা অভিযোগটি তুলেছিলেন রেফারির এডগার্দো কোডসালের বিরুদ্ধে। ম্যাচের ৮৫তম মিনিটের সময় আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জার্মানিকে পেনাল্টি দেওয়া এবং দুই আর্জেন্টাইন ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানোয় ম্যারাডোনার ওই তোপ। 

তবে যার বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগ, সেই রেফারি এতদিন কিছুই বলেননি।ঘটনার ত্রিশ বছর পর উরুগুইয়ান এ রেফারি মুখ খুললেন এবং পাল্টা তোপ লাগালেন ম্যারাডোনার দিকে। বললেন, তার গোটা জীবনে দেখা বাজে মানুষদের একজন ম্যারাডোনা এবং সেদিন ফাইনাল শুরুর আগেই লাল কার্ড দেখানোর মতো কাজ করে ফেলেছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

উরুগুয়ের তিরারদো প্যারিদিস নেটওয়ার্কের সঙ্গে আলাপে কোডসাল জানান, সেদিন অনুষ্ঠিত ফাইনালে আর্জেন্টিনার পেদ্রো মনজোন ও গুস্তাবো দেজত্তির আগেই লাল কার্ড পাওয়ার কথা ছিল ম্যারাডোনার, ‘তাকে আমি খেলা শুরুর আগেই লাল কার্ড দেখাতে পারতাম। জাতীয় সংগীত বাজার সময় সে খুব জোরেশোরে আজেবাজে কথা বলছিল। এরপর খেলার মধ্যে যখন মনজোনকে লাল কার্ড দেখালাম, তখনও খুব খারাপ আচরণ করল। আমাকে বলল চোর। আরও বেশকিছু কিছু ব্যাপার আমার নজরে পড়েছিল তখন। খুব আক্রমণাত্মক ট্যাকল করতে করতে ওর হাঁটু ফুলে গিয়েছিল।’

এডগার্দোর মতে ব্যক্তি হিসেবে ম্যারাডোনা খুবই খারাপ, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে সেই ছিল সেরা। কিন্তু খুবই অস্বস্তিকর এবং আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে বাজে মানুষগুলোর একজন।’ তিন দশক আগের বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারি যা বলেছেন, তাতে ম্যারাডোনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ওই সময় খুব ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবল কিংবদন্তি, ‘আমাদের খেলোয়াড়রা প্রচুর কষ্ট করেছে। কিন্তু এই একটা মানুষ সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। সে ভয় পেয়ে গিয়েছিল আমরা পেনাল্টি পেয়ে যেতে পারি। এই মানুষটার কালো হাত মনজোনকে সাধারণ একটা কারণে মাঠ থেকে বের করে দিয়েছে।’

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *