ঢাকা, শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০৩ অপরাহ্ন
শিক্ষামন্ত্রীর দুয়ারে শিক্ষকদের বিক্ষোভ, শোভনদেবের পর ব্রাত্যর বাড়ি
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

শিক্ষামন্ত্রীর দুয়ারে শিক্ষকদের বিক্ষোভ, শোভনদেবের পর ব্রাত্যর বাড়ি

পঞ্চায়েত স্তরে এসএসকে, এমএসকে শিক্ষকদের বার্ষিক ৩ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি, অবসরের পর এককালীন ৩ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা গত বাজেটে ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু পুরসভা স্তরে পার্শ্বশিক্ষকদের জন্য তা নেই বলে এদিন পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের সদস্যরা সটান পৌঁছে গেলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর দুয়ারে।

শিক্ষামন্ত্রীর কালিন্দির বাড়ির সামনে শুক্রবার সকালে পৌঁছে যান বেশ কিছু পার্শ্ব শিক্ষিকা। তাঁদের বক্তব্য, নরেন্দ্র মোদী সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতির কারণে তাঁরা বিপাকে পড়েছেন। তা ছাড়া পঞ্চায়েত স্তরের জন্য যে ঘোষণা রাজ্য সরকার করেছে তা পুর স্তরেও বাস্তবায়িত হোক। এ ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তাঁরা।

ব্রাত্যর বাড়ির সামনে যাওয়া শিক্ষিকারা জানিয়েছেন, “শিক্ষামন্ত্রী আমাদের অভিভাবক। তিনি নিজেও একজন শিক্ষাবিদ। আমরা চাই তিনি আমাদের সমস্যা সমাধানে হস্তক্ষেপ করুন। নইলে আমাদের আরও সঙ্কটের মধ্যে পড়তে হবে।” মন্ত্রীর বাড়ির সামনে তাঁরা হট্টগোল পাকাতে আসেননি বলেও স্পষ্ট করেছেন তাঁরা।

কয়েকদিন আগেই কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছিল। চাকরির নিশ্চয়তা, যোগ্য মর্যাদার দাবি নিয়ে কৃষি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান কৃষক বন্ধু সহায়ক কর্মীরা। গত মঙ্গলবার সকালে বিক্ষোভে সামিল হন তাঁরা।

কৃষক বন্ধু সহায়ক প্রকল্পের কাজে মোট ৭৮০ জন কর্মী রয়েছেন। তাঁদের দাবি সরকারি কর্মচারীদের মতো যোগ্য মর্যাদা দিকে হবে তাঁদেরকেও। তা ছাড়া ৬০ বছরের চাকরির নিশ্চয়তা দাবি করেছেন তাঁরা। এসব দাবিদাওয়া নিয়ে কৃষি মন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান বহু কর্মী।

সরকারি স্তরে অস্থায়ী কর্মীদের দাবিদাওয়া নিয়ে ক্ষোভ নতুন নয়। কিন্তু পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন ট্রেন্ড হচ্ছে মন্ত্রীদের দুয়ারে পৌঁছে যাওয়া। মঙ্গলবার শোভনদেবের বাড়ির পর দেখা গেল শুক্রবার ব্রাত্যর বাড়ির সামনে একই ঘটনা ঘটল। খবর দ্য ওয়ালের

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *