ঢাকা, শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
জেফ বেজোসকে সরিয়ে বিশ্বের ধনীতম এখন বার্নার্ড আর্নল্ট, সম্পত্তির পরিমাণ ১৫ লক্ষ কোটি টাকা
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

জেফ বেজোসকে সরিয়ে বিশ্বের ধনীতম এখন বার্নার্ড আর্নল্ট, সম্পত্তির পরিমাণ ১৫ লক্ষ কোটি টাকা
পিছিয়ে পড়লেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। তাঁর জায়গায় বিশ্বের ধনীতম মানুষ হলেন এলভিএমএইচ সংস্থার চেয়ারম্যান তথা চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার বার্নার্ড আর্নল্ট। তাঁর সংস্থা মূলত বিলাসদ্রব্য তৈরি করে। সংস্থার সদর দফতর প্যারিসে। ফোর্বস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ১৯৮২০ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় তার পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষ কোটি টাকা। বার্নার্ডের চার সন্তান ফ্রেডরিক, ডেলফাইন, অ্যান্টনি এবং আলেকসান্দ্রিও এলভিএমএইচ সংস্থায় কাজ করেন।

বিশ্বের দ্বিতীয় ধনীতম ব্যক্তি জেফ বেজোসের সম্পত্তির পরিমাণ ১৯৪৯ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় তার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৪ লক্ষ কোটি টাকা। ফোর্বসের বক্তব্য, করোনা অতিমহামারীর সময় অ্যামাজনের ব্যবসা যথেষ্ট ভাল চলেছে। তার লাভের পরিমাণ বেড়েছে ৩৮ শতাংশ।


টেসলার ইলোন মাস্কও একসময় বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১৪ লক্ষ কোটি টাকা। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এলভিএমএইচ আমেরিকার গয়না বিক্রেতা সংস্থা টিফানি অ্যান্ড কোং-এর একাংশ বিপুল অর্থ দিয়ে কিনে নেয়। লাক্সারি ব্র্যান্ডের জগতে এর চেয়ে বড় ডিল আগে হয়নি।

গত ৩০ জুলাই অ্যামাজন জানায়, তাদের বিক্রি কমে গিয়েছে। কারণ করোনার প্রকোপ কমায় অনেকে বাইরে বেরিয়ে কেনাকাটা করছেন। আগে বেশিরভাগ ক্রেতা অনলাইনে জিনিসপত্র কিনছিলেন। তখন অ্যামাজনের ব্যবসা বেড়েছিল ব্যাপক হারে।

চলতি বছরের প্রথমদিকে কে বিশ্বে ধনীতম ব্যক্তি হবেন, তা নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছিল ইলোন মাস্ক আর জেফ বেজোসের মধ্যে। তখন ধনীতমদের মধ্যে তৃতীয় স্থানে ছিলেন বার্নার্ড আর্নল্ট। মার্চের মাঝামাঝি থেকে এক নম্বর জায়গাটা বেজোসের দখলে চলে আসে। ওই সময় অ্যামাজনের শেয়ারের দাম বাড়ে ২০ শতাংশ। অগাস্টের শুরুতে বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তির তকমা হাতছাড়া হল বেজোসের।

গত কয়েক মাসে কয়েকটি বৃহৎ প্রযুক্তি নির্ভর সংস্থার শেয়ারের দাম ব্যাপক বেড়েছে। তার ফলে বিপুল পরিমাণে সম্পত্তি বেড়েছে ইলোন মাস্কের। এখন তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ১৮০৮০ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় তার পরিমাণ ১৩ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি। তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৬৮৫০ কোটি ডলার। অর্থাৎ ১২ হাজার ৫৮ লক্ষ কোটি টাকার বেশি।

২০২০ সালে অ্যামাজনের শেয়ারের দাম ব্যাপক বেড়েছিল। করোনা অতিমহামারীর প্রথম ওয়েভের সময় বেজোসের সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়ায় ২০৬৯০ কোটি ডলার। কয়েক মাস আগে অ্যামাজনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসারের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বেজোস। ওই ধনকুবের ২৭ বছর ধরে অ্যামাজনের সিইও-র পদে ছিলেন। এখনও অ্যামাজনের ১১ শতাংশ শেয়ার আছে বেজোসের হাতে। কোম্পানির এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যানের পদে আছেন তিনি। খবর দ্য ওয়ালের  / এনবিএস/ ২০২১ / একে 

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *