ঢাকা, মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
মহারাষ্ট্রের এই জেলায় একজনও কোভিড রোগী নেই এখন
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

মহারাষ্ট্রের এই জেলায় একজনও কোভিড রোগী নেই এখন
কোভিডমুক্ত ঘোষিত মহারাষ্ট্রের ভান্ডারা। উদ্ধব ঠাকরে শাসিত রাজ্যের এই জেলায় একজনও করোনাভাইরাস রোগী নেই এখন।  ভান্ডারাই প্রথম কোভিডমুক্ত হওয়ার কৃতিত্ব পেল গোটা রাজ্যে। শেষ করোনা আক্রান্ত রোগীকেও সুস্থ করিয়ে শুক্রবার বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার যে ৫৭৮ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে, তাতে একজনেরও রিপোর্ট পজিটিভ আসেনি।

জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য দপ্তরের সব কর্মীর যৌথ প্রয়াসের পাশাপাশি এই সাফল্যের জন্য ট্রেসিং, টেস্টিং, ট্রিটমেন্ট অর্থাত্ সম্ভাব্য সংক্রমিতদের খুঁজে বের করে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে চিকিত্সা-এই ত্রিফলা কৌশলের সফল রূপায়ণকেও কারণ হিসাবে দেখছেন জেলা কালেক্টর সন্দীপ কদম।


ভান্ডারায় প্রথম করোনা রোগীর হদিশ পাওয়া গিয়েছিল গারাদা বাদরুক গ্রামে, গত বছরের  ২৭ এপ্রিল। চলতি বছরের ১২ এপ্রিল সেখানে দৈনিক সংক্রমণ সর্বোচ্চ হয়। ১৫৯৬ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ১৮ এপ্রিল ছিল সবচেয়ে বেশি অ্যাক্টিভ কেস ১২৮৪৭টি। কোভিড ১৯ এ জেলায় প্রথম মৃত্যুর খবর মেলে গত বছরের ১২ জুলাই। একদিনে সর্বোচ্চ ৩৫ জনের মৃত্যু হয় চলতি বছরের ১ মে। জেলায় সব মিলিয়ে মারা গিয়েছেন ১১৩৩ জন।

১৮ এপ্রিল সবচেয়ে বেশি অ্যাক্টিভ রোগী ছিলেন। তবে তারপর থেকে ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা ক্রমশঃ বাড়তে থাকে। একদিনে সবচেয়ে বেশি রোগী সুস্থ হয়ে ছাড়া পান ২২ এপ্রিল। ১৫৬৮ জন। তারপর থেকে ভর্তি হওয়া রোগীর চেয়ে সেরে ওঠা রোগীর সংখ্যা বরাবরই বেশি ছিল।


কদমের বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ, সুস্থ হওয়ার হার গত ১৯ এপ্রিল নেমে আসে ৬২.৫৮ শতাংশে। কিন্তু এখন  তা বেড়ে হয়েছে ৯৮.১১ শতাংশ।  ১২ এপ্রিল পজিটিভিটি রেট ছিল সর্বোচ্চ-৫৫.৭৩ শতাংশ। এখন তা কমে হয়েছে শূন্য। জেলায় মৃত্যুর হার ১.৮৯ শতাংশ।

এপর্যন্ত জেলায় মোট ৪ লাখ ৪৯,৮৩২টি কোভিড ১৯ টেস্ট হয়েছে, যার মধ্যে পজিটিভ হয়েছেন ৫৯হাজার ৮০৯ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৫৮,৭৭৬ জন।  জেলায় প্রায় সাড়ে ৯ লাখ টার্গেট করা জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বেশিকে কোভিড ১৯ এর একটি ডোজ দেওয়া হয়েছে। ১৫ শতাংশ দুটি ডোজই পেয়েছেন বলে জানান কদম।  খবর দ্য ওয়ালের  / এনবিএস /২০২১/ একে

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *