ঢাকা, সোমবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
আমেরিকায় দৈনিক আক্রান্ত ছাড়াল ১ লক্ষ, বুস্টার ডোজ চান ফৌজি
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

আমেরিকায় দৈনিক আক্রান্ত ছাড়াল ১ লক্ষ, বুস্টার ডোজ চান ফৌজি

করোনা ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজের পর ফের একটি বুস্টার ডোজ। এর ফলে বাড়বে কোভিডের ডেল্টা ভ্যারিয়ান্টকে ঠেকানোর ক্ষমতা। রবিবার ষাটোর্ধ্বদের জন্য এই বুস্টার ডোজ চালু করেছে ইজরায়েল। আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় ছোঁয়াচে রোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্টনি ফৌজি চান, আমেরিকাতেও অবিলম্বে বুস্টার ডোজ দেওয়া চালু হোক। যাঁদের শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাঁদেরই আগে ওই ডোজ দেওয়া উচিত।


ডেল্টা ভ্যারিয়ান্টের জন্য আমেরিকায় এখন দৈনিক এক লক্ষের বেশি মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছেন। অর্থাৎ সংক্রমণের সংখ্যা ছ’মাস আগের স্তরে ফিরে গিয়েছে। গত শীতে প্রতিদিন যত মানুষ মারা যাচ্ছিলেন, এখন অবশ্য মৃত্যুর সংখ্যা তার চেয়ে অনেক কম। কিন্তু হাসপাতালগুলিতে চাপ বাড়ছে।


সান ফ্রানসিস্কোতে যাঁরা জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁরা ফাইজার বা মোডার্নার ভ্যাকসিন ফের নিতে পারবেন। ফৌজি চান, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হোক।

ইতিমধ্যে চিনা নেটিজেনরা সন্দেহ করছেন, আমেরিকার ফোর্ট ডেরেকের বায়োল্যাব থেকে করোনাভাইরাস লিক হয়ে থাকতে পারে। হু যাতে ওই বায়োল্যাবে তদন্ত করে, সেজন্য ১৭ জুলাই থেকে তাঁরা সই সংগ্রহ শুরু করেছেন। এখনও পর্যন্ত আড়াই কোটি মানুষ সেই পিটিশনে সই করেছেন।

চিনের শিনহুয়া সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ফোর্ট ডেরেক বায়োল্যাবে নানা রকমের বিপজ্জনক জীবাণু নিয়ে গবেষণা করা হয়। ২০১৯ সালে অতিমহামারী শুরু হওয়ার ঠিক আগে সেখানে থেকে ভাইরাস লিক হয়েছিল। ‘গ্লোবাল টাইমস’ সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় ১০ লক্ষ নেটিজেন ওই পিটিশনে সই করেন। সইয়ের সংখ্যা ১ কোটির কাছাকাছি পৌঁছনোর পরে বহুবার ওই ওয়েবসাইটে সাইবার অ্যাটাক হয়। প্রতিবারই আমেরিকার আইপি অ্যাড্রেস থেকে অ্যাটাক করা হয়েছিল।

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আমেরিকায় অফিস খোলা নিয়ে শুরু হয়েছে বিভ্রান্তি। গত সপ্তাহের সোমবার গভীর রাতে ওয়াল স্ট্রিটে মরগ্যান স্ট্যানলের হিউম্যান রিসোর্স অফিস থেকে কর্মীদের একটি জরুরি বার্তা দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়, সংস্থার দুই ভ্যাকসিনেটেড কর্মী কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। পুরো এলাকা স্যানিটাইজ করতে হবে। তার আগে টাইমস স্কোয়ারে কোম্পানির হেডকোয়ার্টাসের ১৪ তলার অফিসের কোনও কর্মী যেন কাজে না আসেন। কিন্তু অনেক কর্মী ওই বার্তা লক্ষ করেননি। তাঁরা মঙ্গলবার সকালে যথাসময়ে অফিসে আসেন। অফিস বন্ধ দেখে তাঁদের অনেকে প্রশ্ন করেন, আবার কি মাস্ক পরে অফিস করতে হবে? কোম্পানি অবশ্য জানায়, এখনই মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই।

ভ্যাকসিন না নিয়ে কেউ মরগ্যান স্ট্যানলির অফিসে ঢুকতেই পারেন না। কিন্তু করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়ান্ট যেভাবে ভ্যাকসিনেটেড মানুষের শরীরেও সংক্রমিত হচ্ছে, তাতেই সৃষ্টি হয়েছে বিভ্রান্তি। কর্মীদের অফিসে আসতে বলা উচিত হবে কিনা, তাই বুঝতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। কোনও কোনও কোম্পানি অফিস চালু করেছে। কয়েকটি কোম্পানি এখনও ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালিয়ে যাচ্ছে।

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি: