ঢাকা, সোমবার ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
মন্দিরের ৫ কিমির মধ্যে গোমাংস বিক্রি নিষিদ্ধ, অসম বিধানসভায় পাশ গোরক্ষা বিল
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

মন্দিরের ৫ কিমির মধ্যে গোমাংস বিক্রি নিষিদ্ধ, অসম বিধানসভায় পাশ গোরক্ষা বিল

অসম বিধানসভায় গো সংরক্ষণ বিল পাশ হয়ে গেল শুক্রবার। হিন্দু ধর্মস্থান অর্থাত্ মন্দিরের ৫ কিমির  মধ্যে গোমাংস বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে গোরক্ষা বিলে। বিধানসভায় বিলটি পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।  বলেন, কয়েকটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি আমরা। যেমন সীমান্ত বরাবর এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে গোমাংস সরবরাহের পাশাপাশি মন্দির বা হিন্দু ধর্মস্থানের ৫ কিমি এলাকার মধ্যে গোমাংসে নিষেধাজ্ঞা জারি করা। গোরক্ষা একটি বৈজ্ঞানিক বিষয়, তার সঙ্গে ধর্মের সম্পর্ক  নেই বলে সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ১৯৫০ সালের গো সংরক্ষণ আইনে গোমাংস খাওয়া ও পরিবহণ নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত আইনি বিধিব্যবস্থা ছিল না।

হিমন্ত বিলটি পেশ করে বিধানসভায় আরও বলেন, রাজ্যে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার এলাকায় কোনও মন্দির নেই। ৭০ থেকে ৮০ হাজার বসতি এলাকায় একজনও হিন্দু নেই! সুতরাং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি  রক্ষার দায় শুধু হিন্দুদের, এটা বললে হবে না, মুসলিমদেরও সমান উদ্যোগ নিয়ে সাড়া দিতে হবে।


নয়া বিল অনুসারে কাউকে গবাদি পশু হত্যার অধিকার দেওয়া হয়নি যদি তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার সরকারি নথিভুক্ত ভেটেরিনারি অফিসারের দেওয়া প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জোগাড় করতে না পারেন। তাছাড়া ওই অফিসার যদি নিশ্চিত হন যে, পশুটি গরু নয়, তার বয়স ১৪ বছরের বেশি, একমাত্র তবেই তিনি ছাড়পত্র দেবেন।


প্রসঙ্গত, হিমন্ত সম্প্রতি সরাসরি রাজ্যে বসবাসকারী মুসলিমদের জন্মনিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী হওয়ার আবেদন করে জানিয়েছেন, ধীরে ধীরে রাজ্যে সরকারি পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে দুই সন্তান নীতি শর্ত হিসাবে চালু হবে। আগেই তিনি বলেছেন, রাজ্যে সম্পূর্ণ শান্তি, স্থিতাবস্থা কায়েম করতে চাই আমরা। গোমাংস ভক্ষণ আপত্তিকর হলে কেন তার রাশ টানা হবে না?  দেশে ১৯৫০এর সময় থেকে গোরক্ষা বিল চালু আছে, কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। আমি আরও এগিয়ে যেতে চাই। অসমে কোনও গণপিটুনি হবে না, আমি ১০০ শতাংশ আশ্বাস দিতে পারি। রাজ্যে মুসলিমরা সুখেই আছেন।  ​ ​খবর দ্য ওয়ালের /এনবিএস/২০২১/একে

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *