ঢাকা, শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
মহারাষ্ট্রে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়ান্টে মৃত ৫, মোট আক্রান্ত ৬৬ জন
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

মহারাষ্ট্রে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়ান্টে মৃত ৫, মোট আক্রান্ত ৬৬ জন

মহারাষ্ট্রে ক্রমশ থাবা বসাচ্ছে করোনার নতুন ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়ান্ট। রাজ্যে মোট পাঁচজন ওই ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন মুম্বইয়ের বাসিন্দা। মহারাষ্ট্রে মোট ৬৬ জনের শরীরে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়ান্টের সংক্রমণ হয়েছে। তাদের সাতজনের বয়স ১৮-র নীচে। আক্রান্তদের অনেকে কোভিড ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজই নিয়েছিলেন। মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রক থেকে শুক্রবার এই খবর জানানো হয়েছে।

জুলাইয়ে শেষে মুম্বইতে ৬৩ বছরের এক মহিলা প্রথম ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরে তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন এমন দু’জনের শরীরেও ওই ভ্যারিয়ান্টের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের তরফে জানানো হয়েছে, মুম্বইয়ের উপকণ্ঠে ঘাটকোপার অঞ্চলে গত ২৭ জুলাই এক মহিলা মারা যান। জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর সাহায্যে জানা যায়, তিনি করোনার ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ওই মহিলা কোভিশিল্ডের দু’টি ডোজ নিয়েছিলেন। কিন্তু ২১ জুলাই তিনি করোনা পজিটিভ হন।


স্বাস্থ্য দফতরের খবর অনুযায়ী, ২২ জুলাই থানের বাসিন্দা এক মহিলা ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত হন। তাঁর বয়স ৫০। তাঁর কোনও গুরুতর উপসর্গ দেখা যায়নি। তিনি সেরে উঠেছেন।


মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্য দফতর এখন খোঁজ করছে, কারা ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্তদের সংস্পর্শে এসেছিলেন। বুধবার কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, সারা দেশে ৮৬ জন ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত ওই ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্তদের সংখ্যা গুণোত্তর প্রগতিতে বাড়েনি। মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি মানুষ ওই নতুন ভ্যারিয়ান্টে আক্রান্ত হয়েছেন। এর পরেই আছে মধ্যপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ু।

আমাদের দেশে এখন কোভিশিল্ড ও কোভ্যাকসিন, দু’রকমের ভ্যাকসিন মিশিয়ে প্রয়োগ করার চেষ্টা হচ্ছে। একসময় উত্তরপ্রদেশে ১৮ জনের ওপরে দু’টি আলাদা ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। তাঁদের প্রথমে কোভিশিল্ড দেওয়া হয়েছিল। তার ছ’সপ্তাহ পরে দেওয়া হয় কোভ্যাকসিন। আইসিএমআরের এপিডেমোলজি এবং কমিউনিকেবল ডিজিজ দফতরের প্রধান সমীরণ পাণ্ডা বলেন, কাউকে প্রথমে কোভিশিল্ড ও পরে কোভ্যাকসিন দিলে শরীরে আরও বেশি প্রতিরোধ ক্ষমতা জন্মায়।

ইতিমধ্যে ভ্যাকসিন নিয়ে একটি জনস্বার্থের মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেখানে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কোভিড ভ্যাকসিন নিয়ে ক্লিনিকাল ট্রায়ালের সময় কী তথ্য পাওয়া গিয়েছিল? শীর্ষ আদালত ওই মামলার ভিত্তিতে নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারকে। ভ্যাকসিন নিয়ে ক্লিনিকাল ট্রায়ালের ভিত্তিতে তা জরুরি পরিস্থিতিতে ভারতে ব্যবহার করার ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ছাড়পত্র দেওয়ার আগে ক্লিনিকাল ট্রায়ালে ঠিক কী জানা গিয়েছিল, তা জানার জন্য মামলা করেছিলেন ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসারি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন এর প্রাক্তন সদস্য জ্যাকব পুলিয়েল। খবর দ্য ওয়ালের/এনবিএস/২০২১/একে

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *