ঢাকা, সোমবার ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
মাতঙ্গিনীকে নিয়ে মোদী ভুল বললেন, শুভেন্দু নিন্দা করবেন কি, প্রশ্ন তৃণমূলের
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

মাতঙ্গিনীকে নিয়ে মোদী ভুল বললেন, শুভেন্দু নিন্দা করবেন কি, প্রশ্ন তৃণমূলের

লালকেল্লার বক্তৃতায় বিভ্রাট ঘটিয়ে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানাল তৃণমূল।

এদিন স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে নারীদের অবদানের কথা বলছিলেন মোদী। সেই সময় ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাই থেকে শুরু করে মাতঙ্গিনীর নাম উল্লেখ করেন তিনি। কিন্তু বাংলার মাতঙ্গিনীর নাম উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন মাতঙ্গিনী অসমের। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।


তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ টুইট করে বলেছেন, “মাতঙ্গিনী হাজরা অসমের? আপনি কি পাগল? আপনি ইতিহাস জানেন না। আপনার কোনও অনুভূতি নেই। আপনি শুধু লিখে দেওয়া বক্তৃতা পাঠ করেন নাটকীয় ভঙ্গিতে।” এখানেই থামেননি কুণাল। তিনি আরও লিখেছেন, “এটা বাংলার প্রতি অবজ্ঞা। আপনাকে ক্ষমা চাইতে হবে। আশা করি আপনার বিরোধী দলনেতা, যিনি পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা তিনিও এই ভুলের নিন্দা করবেন।”


যদিও রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ এটাকে ‘ছোট ভুল’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনিও মেদিনীপুরের সাংসদ। দিলীপ বলেন, “এটা একটা ছোট ভুল। এটা নিয়ে অযথা বড় করে দেখানো হচ্ছে।”

মাতঙ্গিনী হাজরা অধুনা পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের ভূমিকন্যা। শুভেন্দু বরাবরই মাতঙ্গিনী, দেশপ্রাণ বীরেন্দ্রনাথ শাসমলদের প্রতি আবেগপ্রবণ। বক্তৃতায় বারবার করে মেদিনীপুরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। হতে পারে মোদীর বক্তৃতার সঙ্গে সে কারণেই শুভেন্দুকে জুড়ে দিতে চেয়েছেন কুণাল।

বিজেপি মুখপাত্র সায়ন্তন বসু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, রামমোহন রায় বিধানসভায় সতীদাহপ্রথা বন্ধ করেছিলেন। রাকেশ রোশনকে চাঁদে পাঠিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। ১৯৪১ সালে জীবনাবসান হওয়া রবীন্দ্রনাথকে দিয়ে ১৯৪৭ সালে গান্ধীজির মুখে ফলের রস তুলে দিয়ে অনশন ভাঙানোর ইতিহাস বলেছিলেন টেলিভিশন চ্যানেলের মুখে। ত্রুটি হলে তা স্বীকার করতে অসুবিধা নেই। কিন্তু তৃণমূলের মুখে এসব মানায় না।”  ​খবর দ্য ওয়ালের /এনবিএস/২০২১্এক

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *