ঢাকা, সোমবার ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
অমিত শাহের পুলিশই জানাল, যন্তরমন্তরে মুসলিম বিরোধী স্লোগান দিতে ডাকেন বিজেপির অশ্বিনী
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

অমিত শাহের পুলিশই জানাল, যন্তরমন্তরে মুসলিম বিরোধী স্লোগান দিতে ডাকেন বিজেপির অশ্বিনী

 দিল্লির যন্তরমন্তরে মুসলিম বিরোধী স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় বিজেপি নেতা অশ্বিনীকুমার উপাধ্যায়সহ আরও পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু বুধবারই জামিন পেয়ে যান অশ্বিনী। তবে অভিযুক্ত তিন জনের এখনও জামিন হয়নি।

যন্তরমন্তরের ঘটনায় মূল অভিযুক্তদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে অশ্বিনী উপাধ্যায়ের, এদিন এমনটাই দাবি করেছে দিল্লি পুলিশ।


দিল্লি পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, দিল্লির ঘটনায় অভিযুক্ত দীপক সিংকে ঘটনাস্থলে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন আর এক অভিযুক্ত প্রীত সিং। এই প্রীত সিং অশ্বিনী উপাধ্যায়ের বিশেষ পরিচিত। গোটা বিষয়ে যে দিল্লি বিজেপির প্রাক্তন মুখপাত্রের হাত রয়েছে সে ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত পুলিশ। তারা জানিয়েছে এই অভিযোগের সপক্ষে তথ্যপ্রমাণও রয়েছে তাদের হাতে।


আশ্বিনী উপাধ্যায়কে জামিন দেওয়ার সময় আদালত জানিয়েছিল বাকি তিন অভিযুক্তের কার্যকলাপ অশ্বিনীর চেয়ে আলাদা। তাঁরা যে ‘আক্রমণাত্মক মন্তব্য’ করেছেন, তা ‘অগণতান্ত্রিক, এ দেশের নাগরিকের কাছে প্রত্যাশিত নয়’ বলে অভিমত বিচারপতির।

বিচারপতি উল্লেখ করেছেন, অভিযুক্ত দীপক সিংকে  উসকানিমূলক মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে, যা কাঙ্ক্ষিত নয়। ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিসমূহ সংবিধানের মৌলিক বৈশিষ্ট্য। আর এক অভিযুক্ত প্রীত সিংকেও মিছিলে তাঁর সঙ্গে দেখা গিয়েছে। অপর অভিযুক্ত বিনোদ শর্মাও বিদ্বেষমূলক স্লোগানের সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন।

বাকি আরও দুজন অভিযুক্তের জামিনও মঞ্জুর করেছিল আদালত।

একাধিক অভিযুক্তই দাবি করেছেন সেদিন যন্তরমন্তরে অশ্বিনী উপাধ্যায় তাঁদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তাঁর কথাতেই সেখানে গিয়েছেন তাঁরা।

সেদিন যন্তরমন্তরে স্লোগান উঠেছিল, ‘হিন্দুস্তান মে রহনা হোগা জয় শ্রীরাম কহনা হোগা…’। এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপর থেকেই ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। বিজেপির অশ্বিনী উপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের চেষ্টায় তদন্ত চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ । খবর দ্য ওয়ালের /এনবিএস/২০২১/একে

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *