ঢাকা, মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১০ অপরাহ্ন
কোটি কোটি টাকা নয়ছয় হয়েছে ১০০ দিনের কাজে, চার বছরের রিপোর্ট দিল কেন্দ্র
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

কোটি কোটি টাকা নয়ছয় হয়েছে ১০০ দিনের কাজে, চার বছরের রিপোর্ট দিল কেন্দ্র

১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে জন্য কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের বরাদ্দ করা কোটি কোটি টাকার নয়ছয় হয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। গত চার বছর ধরে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকা ও গ্রামাঞ্চলগুলির ১০০ দিনের কাজের হিসেব খতিয়ে দেখে এই রিপোর্ট পেশ করেছে সোশ্যাল অডিট ইউনিট।

সরকারি রিপোর্ট বলছে, ২০১৭-১৮ ও ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ১০০ দিনের কাজে মোট বরাদ্দ টাকা, খরচের পরিমাণ ইত্যাদির হিসেব খতিয়ে দেখতে অডিট করা হয়। সেখানেই ধরা পড়ে কারচুপি। দেখা যায়, মনরেগা প্রকল্পের (মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট) বিভিন্ন স্কিমে প্রায় ৯৩৫ কোটি টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। কোন স্কিমে কী কী খাতে এই বিপুল পরিমাণ টাকা বরাদ্দ হয়েছে, কী লাভ হয়েছে তার কোনও হিসেবই মিলছে না। কেন্দ্রের বরাদ্দ করা মোট টাকার মাত্র সাড়ে ১২ কোটি বেঁচে আছে এখনও। বাকিটা কার্যত উধাও গিয়েছে।


সোশ্যাল অডিড ইউনিট জানাচ্ছে, ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের তরফে মনরেগা প্রকল্পে মোট ৫৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে সেই টাকার অঙ্ক আরও বাড়িয়ে ১ লক্ষ ১০ হাজার কোটি করা হয়। খচের পরিমাণও বাড়ে। কিন্তু ৯৩৫ কোটি টাকার হিসেব এখনও পাওয়া যায়নি। সিনিয়র অডিট অফিসাররা জানাচ্ছেন, তোলাবাজি, গরিব মানুষের টাকা হাতিয়ে নেওয়া, অন্য নামে ভাঁওতা দিয়ে টাকা তুলে নেওয়া ইত্যাদি অভিযোগও জমা পড়েছে।

একশো দিনের কাজের প্রকল্পে নানা বেনিয়মের অভিযোগ আকছার ওঠে প্রান্তিক এলাকাগুলিতে। গ্রামাঞ্চলের মানুষদের কাজ দেওয়ার লক্ষ্যেই চালু হয়েছিল বছরে একশো দিনের কাজের প্রকল্প। কিন্তু আদতে দেখা যায় অনেক মানুষ কাজ চেয়েও পান না। তাঁদের রোজগারের টাকাও নয়ছয় করা হয়। এমনও দেখা গেছে, উপভোক্তাদের একটি করে ব‍্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা সত্ত্বেও তাঁদের নথিপত্র ব‍্যবহার করে আরও একটি করে ব‍্যাঙ্ক একাউন্ট খোলা হয়। সেই সব অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অভিযুক্তেরা উপভোক্তাদের মজুরির টাকা তুলে নেয়। এইভাবে লক্ষ লক্ষ টাকার নয়ছয় হয়। খবর দ্য ওয়ালের /এনবিএস/২০২১/একে 

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *