ঢাকা, মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
গেমস জেনারের আল্টিমেট লিস্ট, জানার আছে অনেক কিছু | Techtunes
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :


হ্যালো টেকটিউনস জনগণ, কেমন আছেন আপনারা সবাই? আশাকরি সবাই ভাল আছেন। এখন থেকে নিয়মিত আবার নতুন টিউন নিয়ে আমরা হাজির হলাম আপনাদের কাছে। আর টেকটিউনসের নিত্যনতুন টপিক আর সার্ভিস নিয়ে ভালো না থেকে আর উপায় আছে? আর এই নিত্যনতুন টপিক আর সার্ভিসের ধারা বজায় রাখার নিমিত্তে, আজকে আমি আপনাদের সাথে একদম নতুন একটি টপিক নিয়ে হাজির হলাম। আর আপনারা এই টিউনের মাধ্যমে জানতে পারবেন অনেক নতুন নতুন সব তথ্য।

ভিডিও গেমস এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের প্রকারভেদ রয়েছে এবং সাধারণত তাদের বৈশিষ্ট্য বা অন্তর্নিহিত অবজেক্টিভস এর উপর ভিত্তি করে ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয় – একটি গেমসের গেমপ্লে এর উপর ভিত্তি করে ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয় না।

একটি গেমস এর ক্যাটাগরি অথবা জেনার থাকে তারপরে সাবজেনার ও থাকতে পারে এবং একটি গেমস একাধিক জেনারে ফিট করতে পারে।

অবশ্যই কাছে একটু খটকা লাগতে পারে তবে গেম মেকানিক্সকে ব্রেকিং ডাউন করে আমরা জানব কিভাবে ডেভলপারস এবং পাবলিশার্সরা গেমসের ক্যাটাগরি নির্ধারণ করেন৷

উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি তাৎক্ষণিক সন্তুষ্টি পেতে চান তাহলে আপনার জন্য অ্যাকশন গেম গুলো সেরা হবে। আবার আপনি যদি ধাঁধার সমাধান করতে পছন্দ করেন বা মাইক্রো ম্যানেজ রিসোর্স জাতীয় গেম খেলতে পছন্দ করে তাহলে রিয়েল টাইম স্ট্রাটেজি গেমস অথবা রোল প্লেয়িং গেমস আপনার জন্য উপযুক্ত হতে পারে।

কিন্তু আপনি কোন জাতীয় গেমস খেলতে পছন্দ করে তা বিবেচনা না করে যেকোনো একটি জেনারের গেম খেললে আপনার ভালো নাও লাগতে পারে তাই আপনাকে অবশ্যই আপনার পছন্দসই জেনারের গেমস বাছাই করে খেলতে হবে।

গেমস এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস জেনে নেই।

প্রথম ভিডিও গেমস

পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম হিগিনবোথাম ১৯৫৮ সালের অক্টোবরে প্রথম ভিডিও গেমটি তৈরি করেছিলেন। সে বছর এটি ব্রুকহাভেন জাতীয় পরীক্ষাগারে ভিজিটরদের জন্য ওপেন হাউজের আকর্ষণীয় ইভেন্টস ছিল।

গবেষণাগারে কাজ করা হিগিনবোথাম দর্শকদের জন্য একটি ইন্টারেক্টিভ অভিজ্ঞতা তৈরি করতে চেয়েছিলেন; বছরখানেক পর একটি সাক্ষাৎকারে হিগিনবোথাম চেয়েছিলে গবেষণাগারের স্থানটি দীর্ঘকাল স্থায়ী থাকুক। এমন একটি গেম যা লোকেরা খেলতে পারে এবং আমাদের বৈজ্ঞানিক প্রয়াস সমাজের সাথে সরাসরি শেয়ার করা জায়গা রাখে।

টেনিস ফোর টু গেমটি একটি আলী অসিলোস্কোপ খেলা হয়েছিল এবং দেখতে খুবই ক্ষুদ্রাকার ছিল, পাঁচ ইঞ্চি একটি পর্দাতে কেবল একটি লাইন প্রদর্শিত হয়েছিল।

সেই পুরনো দিনগুলোকে কম্পিউটার প্রসেসিং পাওয়ার সীমাবদ্ধ থাকার কারণে গেমস ডেভলপাররা উন্নত মানের গেম তৈরি করতে পারত না। কিন্তু বর্তমান সময়ে ফাস্ট ফরওয়ার্ড টেকনোলজির কারণে গেমস ডেভলপারদের জন্য উন্নত মানের গেম তৈরি করা অত্যন্ত সহজ করে তুলেছে। সেই লক্ষ্যে গত কয়েক বছর ধরে নতুন গেমস ক্যাটাগরি এবং ঘৃণার গুলো ঐতিহ্যগত ক্যাটাগরির বাইরে নয় আরো অনেক নতুন ক্যাটাগরি যুক্ত করা হয়েছে ফলে গেমারদের গেমস পছন্দ করার অপশন বৃদ্ধি পেয়েছে।

নিচে ভিডিও গেমসের বিভিন্ন ধরনের প্রকারভেদ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

ভিডিও গেমসের প্রকারভেদ

‌১. অ্যাকশন গেমস
‌২. অ্যাকশন-এডভেঞ্চার গেমস
৩‌. অ্যাডভেঞ্চার গেমস
৪‌. রোল প্লেয়িং গেমস
৫‌. সিমুলেশন গেমস
৬‌. স্ট্র্যাটিজি গেমস
৭‌. স্পোর্টস গেমস
৮‌. পাজল গেমস
৯‌. আইডেল বা অলস গেমস

১. অ্যাকশন গেমস

অ্যাকশন গেমস গুলো হচ্ছে সেই গেমসগুলো যা গেমারের নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং গেমার অ্যাকশনের কেন্দ্রে থাকে, আর এইসব গেমসগুলো মূলত ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জ নিয়ে গঠিত এবং অন্য খেলোয়াড়দের অবশ্যই পরাস্ত করতে হবে। Donkey Kong এবং Galaga এর মত বেশিরভাগ গেমসগুলো অ্যাকশন ক্যাটাগরির মধ্যে পড়ে।

যেহেতু অ্যাকশন গেম গুলো সাধারণত গেমপ্লে খুবই সহজ এবং খেলা শুরু করাও সহজ, সেই কারণেই সর্বাধিক জনপ্রিয় গেমস এর ক্যাটাগরি হচ্ছে অ্যাকশন গেমস।

অ্যাকশন গেমসের সাবজেঞ্জারস:

প্লাটফর্মার

প্ল্যাটফর্মের গেমগুলোর নাম গেমসের ক্যারেক্টারের গেমপ্লের উপর নির্ভর করে নাম দেয়া হয় (সাধারণত সাধারণত রানিং গেমস জাম্পিং গেম অথবা ফলিং গেমস)। প্ল্যাটফর্ম ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন ধরনের গেমস রয়েছে; Super Mario Bros গেমস কি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং Donkey Kong হচ্ছে প্রথমদিকের প্ল্যাটফর্ম গেমস।

মজার বিষয়ঃ Jumping Flash! হচ্ছে প্রথম Sony PlayStation এর 3D প্ল্যাটফর্মার গেমস। আজ পর্যন্ত প্ল্যাটফর্মার গেমস গুলো “সাইদ-অনে” খেলা হয় এবং গেমসের চরিত্রগুলো ডানে এবং বামে দৌড়াতে পারে।

শুটার

শুটার গেমস গুলোতে গেমারদের অ্যাকশনে জড়িত হওয়ার জন্য অস্ত্র ব্যবহার করতে দেয়, সাধারনত শত্রুদের বা বিরধী গেমারদের হারাতে এই অস্ত্রসস্ত্র ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

শুটার গেমসের প্লেয়ারদের অবস্থান থেকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়ঃ

First-person shooters (FPS) ক্যাটাগরির গেমসগুলোতে মেইন প্লেয়ারের ভিউপয়েন্ট থেকে গেমটি খেলা হয়, উদাহরণস্বরূপঃ Call of Duty,  Half-Life, এবং Halo।

Fortnite and Splatoon এর মতো third-person শুতেরস গেমস গুলোতে মেইন প্লেয়ারকে সাধারনত কিছুটা উপর থেকে এবং পিছন থেকে দেখা যায়।

Galaga,  Space Invaders, and Raiden V: Director’s Cut এর মত Top-down shooters গেমস গুলোতে ওভারগ্মহেড অভিজ্ঞতা পাবেন। যেখানে গেমস third-person shooters গুলোতে হেলথ-বার বা মিটার ডিসপ্লে করে যা গেমসের চরিত্রের স্বাথের উপর নির্ভর করে আরও খারাপ বা উন্নত হয়, অন্যদিকে top-down shooters গেমস গুলোতে সাধারণত কয়েকটি লাইফ নিয়ে একটি সেট ক্রিয়েট করা থাকে, যখন প্লেয়ার তার সবগুলো লাইফ সেট শেষ করে ফেলে তখন ই “game over” হয়।

ফাইটিং

Mortal Kombat এবং Street Fighter II এর মতো ফাইটিং গেমস গুলোতে ফাইটিং কে ফোকাস করে তৈরি করা হয় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হাতের মাধ্যমে লড়াইয়ের করতে হয়। বেশিরভাগ ফাইটিং গেমগুলোতে মূল ক্যারেক্টারের ইউনিক ক্ষমতা বা ফাইটিং স্টাইল দেয়া থাকে। এছাড়া বেশিরভাগ ট্রেডিশনাল ফাইটিং গেমস গুলোতে প্লেয়াররা তাদের মত করে ফাইট করে লেভেল পার করে অন্য লেভেলে আরও কঠিন প্রতিপক্ষের সাথে লড়াই করে।

মজার বিষয়ঃ Street Fighter II এ প্রথম মহিলা ক্যারেক্টার দিয়ে গেমস খেলার অপশন তৈরি করে।

Beat-em up

Beat-em up বা ঝগড়াঝাঁটি কেন্দ্রিক গেমস গুলোতে যুদ্ধের দিকে ধাবিত করে তবে একক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার পরিবর্তে বিশাল বিশাল শত্রু দলের সাথে মুখোমুখি হতে হয়।
Double Dragon হচ্ছে প্রথম দিকের Beat-em up গেমস গুলোর একটি, আর God of War,  Castle Crashers,  এবং Bayonetta গেমস গুলো হচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ের গেমস।

Stealth

Stealth গেমস গুলোতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সমাধান করার জন্য Stealth বা বিভিন্ন অসদাচরণ করতে হয় এবং অন্যান্য লক্ষ্য অর্জন করতে অন্যসব সম্ভাব্য অ্যাকশন প্রয়োগ করতে হতে পারে।

সারভাইভাল

অ্যাকশন গেমগুলোর একটি সাবজেনার হচ্ছে সারভাইভাল গেমস। গত কয়েক বছর ধরে ভাল মানের সারভাইভাল গেমস তৈরি হচ্ছে যা আসলেই প্রশংসনীয়। আর Resident Evil হচ্ছে প্রথম দিকের হরর সারভাইভাল গেমস অন্যতম, আর Fortnite এর মত আরও আধুনিক সারভাইভাল গেমস গুলো open-world game পরিবেশে খেলা যায় এবং প্লেয়ারদেরকে বিভিন্ন নকশা খচিত টুলস, অস্ত্র এবং আশ্রয়স্থল দেয় যাতে তারা যতক্ষণ সম্ভব তারা বেঁচে থাকার সুযোগ পায়।

Rhythm

Dance Dance Revolution এবং Guitar Hero এর মতো ঢ়্যথম গেমস গুলো মিউজিক ভিত্তিক গেমস যা পয়েন্ট সংগ্রহের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়ে কন্ট্রোলের সংশ্লিস্ট বাটন প্রেস করে মিউজিক ভা সাউন্ড ট্রাকের তালের সাথে ধাপে ধাপে প্লেয়ারকে চ্যালেঞ্জ জানায়।

২. অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার গেমস

অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার গেমস প্রায়শই দুইটি গেমসের মেকানিজম কে অন্তর্ভুক্ত করে তৈরি করে – বিভিন্ন বাধা বিপত্তি পার হয়ে জয়লাভ করতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ, The Legend of Zelda গেমসে, Link কে উইজডমের ট্রাইফোর্ডের বিক্ষিপ্ত টুকরোগুলি সংগ্রহ করার জন্য আটটি অন্ধকার পথের মধ্য দিয়ে তার পথ খুঁজে বের করতে হবে। যখন তিনি একে একে আটটি টুকরো সংগ্রহ করবে এবং নিদর্শনগুলিকে একত্রিত করবে, তখন রাজকন্যা জেল্ডাকে উদ্ধারের জন্য নবম এবং চূড়ান্ত অন্ধকার কূপে প্রবেশ করতে পারবে।

আর The Legend of Zelda এর মত অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার গেমস গুলো এক্সপ্লোরেশন, ধাধার সমাধান এবং লুটপাটের বিষয়ে আরও বেশি ফোকাস করে।

সারভাইভাল হরর

Resident Evil এর মত সারভাইভাল হরর গেমসগুলো মারাত্মক সেটিংসে পরিপক্ক থিম এবং বিষয় চিত্রায়ণ করে (এই গেমস ভুলোতে বেশিরভাগই রক্ত এবং মারাত্মক দৃশ্য চিত্রায়ণ করে এবং এই গেমস গুলো শুধু পরিপক্ক দর্শকদের জন্য তৈরি করা হয়েছে)। এছাড়াও এই গেমস গুলোতে বিভিন্ন ধরনের সহিংস দৃশ্য, রক্তপাত, ভৌতিক পরিবেশ ইত্যাদির সমন্বয়ে দৃশ্যগুলো দেখানো হয়।

মেট্রোডোভেনিয়া

মেট্রোর এবং ক্যাসলভেনিয়া নামের উপর ভিত্তি করে এই জেনারটিকে তৈরি করা হয়েছে।

মেট্রোডোভেনিয়া-ধরনের গেমগুলি বেসিক অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার গেমগুলির মতো হয় তবে লিনিয়ার নয় এবং প্রায় ছয় প্রয়োজন হয় যে কোন নির্দিষ্ট আইটেম বা টুলস না পাওয়া পর্যন্ত প্লেয়ার কে ট্র্যাক করা বা প্রোগরেস থেকে বিরত রাখা। নতুন অস্ত্রশস্ত্র এবিলিটি এবং অন্যান্য পাওয়ার আপ করার মাধ্যমে আপনার ক্যারেক্টার কে বিশেষ ক্ষেত্রগুলিতে অ্যাক্সেস করার অনুমতি দেয় তবে কোন বস্তিতে আগে নয় জাম মেট্রোডোভেনিয়া টাইপ গেমগুলোর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য।

৩. অ্যাডভেঞ্চার গেমস

অ্যাডভেঞ্চার গেমসগুলো গেমপ্লেয়ের অনুসারে ক্যাটাগরি করা হয়েছে গল্প বা বিষয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে নয়। এবং টেকনোলজি যখন ডেভলপারদের মূল ধারার গল্পের গল্পটি অন্যজনের জন্য নতুন অপশন দিয়েছে অ্যাডভেঞ্চার গেম গুলি তাদের গল্প ভিত্তিক উৎস থেকে খুব বেশি বিবর্তিত হয়নি।

অ্যাডভেঞ্চার গেম গুলিতে খেলোয়াড়রা সাধারণত গল্প এবং গেম প্লে প্রগ্রেস করার জন্য বিভিন্ন ধাঁধার সমাধান করার মাধ্যমে গেমের পরিবেশ এবং অন্যান্য চরিত্র গুলির সাথে সমন্বয় করতে হয়। মাঝে মাঝে মিনি গেম গুলো বাদে অ্যাডভেঞ্চার গেমসগুলোতে খুবই কম পরিমাণে অ্যাকশন ভিত্তিক এলিমেন্ট খুবই কম থাকে। সুতরাং সব বিষয় বিবেচনা করার পর এটা বুঝা যায় যে মূল ধারার গেমারদের সাথে এই জেলাটি খুব বেশি জনপ্রিয় নয়।

টেক্সট অ্যাডভেঞ্চার

প্রথম দিকের টেক্সট অ্যাডভেঞ্চার গেম গুলোকে ইন্টারেক্টিভ ফিকশন বলা হত। এবং ঠিক যেমন নামটি বুঝায় গেমপ্লে টিও ঠিক টেক্সট ভিত্তিক যার অর্থ খেলোয়াড়রা গেমসে প্রোগ্রাম করা স্টোরি পড়ে বা কোনো সিচুয়েশন দেখে বিভিন্ন অ্যাক্টিভিটি সম্পন্ন করে। এই টেক্সট এডভেঞ্চার অব জেনারেল গেমগুলো তৈরি করতে প্রোগ্রামারদের ডেভলপমেন্ট এর বেশির ভাগ সময়ই প্লেয়ারদের বিভিন্ন ইনপুট এর উপর ভিত্তি করে রেসপন্স গুলো ঠিক করে দেয়া হয়।

গ্রাফিক অ্যাডভেঞ্চার

আগের তুলনায় কম্পিউটার গ্রাফিক্স তৈরি করতে আরও সক্ষম হয়ে ওঠার কারণে টেক্সটগুলো কে গ্রাফিক্সে সহজেই রূপান্তর করা গিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ প্রথম দিকের গ্রাফিক অ্যাডভেঞ্চার গেম গুলোতে এখনো টেক্সট ভিত্তিক অ্যাডভেঞ্চারকে সাপোর্ট করার জন্য সহজ চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে। পরবর্তীতে মাউসকে একটি গেম কন্ট্রোলার হিসেবে ডেভলপ করার সাথে সাথে গেমগুলো টেক্সট কমেন্টগুলি উপস্থাপন করতে শুরু করে এবং প্লেয়াররা অন স্ক্রীন অবজেক্ট গুলোর গুলোর সাথে ইন্টারেক্ট করার জন্য পয়েন্ট এড ক্লিক করতে শুরু করে।

ভিজুয়াল নভেলস

এই সবজেনারের গেমগুলো জাপানে খুবই জনপ্রিয়, বেশিরভাগ ভিজুয়াল নভেলস গুলোতে গেম ফেলে এগিয়ে নেয়ার জন্য প্লেয়ারদের চরিত্রের বৈশিষ্ট্য এবং স্ট্যাটিসটিকস তৈরি করতে হয়। আর গেমগুলোতে একাধিক এন্ডিং পয়েন্ট থাকে যা প্লেয়ার কিভাবে নির্দিষ্ট একটি প্লট এর পয়েন্ট গুলো সংগ্রহ করবে তা নির্ধারিত নির্ধারিত হয়।

ইন্টারেক্টিভ মুভি

ইন্টারেক্টিভ মুভির জন্য লেজার ডিস্ক এবং সিডি রম প্রযুক্তি অনুমোদিত। ইন্টারেক্টিভ মুভিতে প্রি-ফিল্মড লাইভ একশন বা অ্যানিমেশন সিকোয়েন্স থাকে। অ্যাডভেঞ্চার গেম গুলো সাধারণত third-party দৃষ্টিকোণ থেকে খেলানো হয় এবং প্লেয়ারটি গল্পের মূল পয়েন্টগুলো নিয়ন্ত্রণ করে যেমন একটি জয়স্টিকের ডান দিকে মুভ করা বা সামনে একটি পাথর আছে তা লাফিয়ে পার হওয়া জন্য জয়স্টিকের লাফানো বাটনটি প্রেস করা।

রিয়েল-টাইম 3D

অ্যাডভেঞ্চার গেমগুলোর সর্বশেষ এভালুয়েশন হচ্ছে রিয়েল টাইম থ্রিডি। প্রি রেন্ডার করা দৃশ্য এর পরিবর্তে খেলোয়াড়রা একটি real-time থ্রিডি ভিডিও গেম জগতে ইন্টারেক্ট করতে পারে। Shenmue এবং Heavy Rain হচ্ছে real-time 3d গেমস ভালো উদাহরণ।

৪. রোল প্লেয়িং গেমস

সম্ভবত দ্বিতীয় সর্বাধিক জনপ্রিয় গেম জেনার এই রোল প্লেয়িং গেমস বা RPG, যাতে বেশিরভাগই মধ্যযুগীয় বা ফ্যান্টাসি সেটিংস ফিচার যুক্ত রয়েছে। মূলত জেনারেল উৎসব কারণে Dungeons & Dragons এবং pen and paper রোল প্লেয়িং গেমস গুলোতে খুঁজে পাওয়া যায়। তবুও RPGers রা sci-fi ফ্যান্টাসি-থিমযুক্ত গেমসগুলো থেকে Mass Effect, Fallout, এবং Final Fantasy এর মত গেমসগুলো খুবই খুবই জনপ্রিয়।

সংস্কৃতিগত পার্থক্যের কারণে এই ধারার গেমসের উপর প্রভাব ফেলেছে, কারণ অনেক গেমার RPG গেমস গুলিকে WRPG (পাশ্চাত্য-প্রভাবিত) বা JRPG (জাপানি-প্রভাবিত) হিসাবে শ্রেণিভুক্ত করে থাকে। অবশেষে, গেমারদের প্রায়শই এই ধরনের অপশন পছন্দ করতে দেয় যা গেমের চূড়ান্ত ফলাফলকে প্রভাবিত করে, যার অর্থ অনেকগুলি RPG বিকল্প গেমস রয়েছে।

RPG গেমসের প্রকারভেদ:

অ্যাকশন RPG

অ্যাকশন রোল প্লেয়িং গেমস অ্যাকশন গেমস এবং অ্যাকশন-এডভেঞ্চার গেমস, উভয় গেমসের এলিমেন্ট গ্রহণ করে তৈরি করা হয়। একশন আরপিজি গেমস গুলোর একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে real-time সংঘটিত লড়াই এবং প্লেয়ারের কারিশমা এবং দক্ষতার উপর ভিত্তি করে সেরা শত্রুদের হারাতে খেলোয়াড়ের গতি এবং নির্ভুলতার উপর নির্ভর করে।

MMORPG

Massive multiplayer online role-playing games (MMORPGs) টেক্সট ভিত্তিক multi-user ডানজিওনস (MUDs) এর গ্রাফিক্যাল তারতম্যের কারণে ডেভলপ করা হয়েছিল 1970 এর দশকে নির্মিত হয়েছিল।

MMORPG গেমসগুলো বিশ্বের শত শত খেলোয়াড় সক্রিয় ভাবে একে অপরের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করে এবং সাধারণত সমস্ত খেলোয়াড় একই বা অনুরূপ অবজেক্টিভ নিয়ে খেলতে থাকে।

Rouguelikes

এটিকে অনুপ্রাণিত করা গেমটির নামের উপর ভিত্তি করে একটি জেনার তৈরি করা হয়েছে যার নাম হচ্ছে Rogue, আর dungeon crawler হচ্ছে 1980 সালে 2D কম্পিউটার গেম এই জেনারে তৈরি করা হয়েছিল। এই গেমটিতে টেক্সট ভিত্তিক ইন্টারফেস এবং রেনডম লেভেল জেনারেশন এর ফিচার ছিল। প্লেয়াররা তাদের প্লেয়ারের স্ট্যাটিসটিকস বাড়ানোর জন্য শত্রু এবং প্রতিবন্ধকতাগুলো কাটিয়ে উঠতে হয়।

ট্যাকটিক্যাল RPG

টেবিল টপ গেমিং এই গেমের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়, ট্যাকটিক্যাল রোল প্লেয়িং গেমস প্রচলিত বোর্ড গেমগুলোর মতো খেলতে হয়। খেলোয়াড়রা যুদ্ধ এবং শত্রুদের জয় করতে প্রায় দাবা জাতীয় কৌশল এবং সীমাবদ্ধ সংখ্যক সেনা, অস্ত্র ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকে।

স্যান্ডবক্স আরপিজি

স্যান্ডবক্স, বা ওপেন-ওয়ার্ল্ড, রোল-প্লেয়িং গেমসের প্লেয়ারদের অ্যাডভেঞ্চারের গেমস এর মধ্যে অবাধে ঘোরাফেরা করতে পারে। এবং মধ্যে কয়েকটি রয়েছে আকর্ষণীয় ভিডিও গেমস, কেননা গেমের মধ্যে বিভিন্ন অস্ট্রেলিয়ান গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় গেমের চরিত্রে পরিস্থিতি গেম ডেভলপারদের জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করতে হয় গেম ডেভলপড করার জন্য।

First-person party-based RPG

“Blobbers” তাদেরকে বলা হয় যারা হার্ড গেমিং করে থাকেন, এছাড়াও ডানজিউন রোল প্লেয়িং গেমস যেখানে কোন প্লেয়ার প্রথম ব্যক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে অ্যাডভেঞ্চার দলের একটি দলকে নেতৃত্ব দেয়। Might এবং Magic and Bard’s Tale এর মত গেমগুলি এই ক্যাটাগরিতে পড়ে কারণ প্লেয়ার গেমিং এরিয়াতে পুরো দলকে একক ইউনিট বা ব্লব হিসেবে নিয়ে যায়। বেশিরভাগ ব্লবার গেমসগুলো টার্ন বেজড হয়ে থাকে তবে কিছু গেম রিয়েল টাইমে খেলা যায়।

৫. সিমুলেশন গেমস

সিমুলেশন ঘরানার গেমস গুলোর মধ্যে একটি জিনিসের মিল রয়েছে – এই গেমগুলোর সবই বাস্তব জীবনের সাথে মিল থাকে বা কল্পনাকে বাস্তবে পরিণত করে থাকে, আর বাস্তব পরিস্থিতির বা ইভেন্টের সিমুলেশন এর জন্য গেমস গুলো তৈরি করা হয়েছে।

Construction and management simulation

SimCity সর্বকালের সর্বাধিক জনপ্রিয় Construction and management simulation গেমস। এই গেমসটিতে বিল্ডিং সিমুলেশন করাসহ শহর পরিকল্পনা করতে পারবেন, এমনকি রাস্তা তৈরি, জনিং এবং বাসিন্দাদের কাছ থেকে টেক্স আদায় করতে পারবেন।

Life simulation

Sims হচ্ছে সর্বাধিক জনপ্রিয় লাইফ সিমুলেশন গেমস সর্বকালের সর্বাধিক বিক্রিত ভিডিও গেমস গুলোর মধ্যে একটি। SimCity এর মত (একই নির্মাতা Will Wright তৈরি করেছেন), Sims এও প্লেয়াররা তাদের আর্টিফিশিয়াল জীবনকে কন্ট্রোল করে। এছাড়াও সিমুলেশন গেমসের প্লেয়ারদের একটি ক্যারেক্টার জেনেটিক্স বা তাদের ইকোসিস্টেম ম্যানুপুলেট করতে দেয়। এমনকি কোন নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ক্যারেক্টার এর প্রতিক্রিয়া প্লেয়ারের নিয়ন্ত্রণে থাকে।

Nintendogs এবং Tamagotchi, এর মত ভার্চুয়াল পেট গেমসগুলো কে পেট রাইজিং সিমুলেশন গেমস এর সাবজেনার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সুতরাং, Sims গেমসটিকে একটি সামাজিক সিমুলেশন গেমস হিসাবে বিবেচিত হয়। তাছাড়া উভয় ধরনের সাবজেনার গেমস গুলো লাইফ সিমুলেশন ক্যাটাগরির মধ্যে পড়ে।

অবশেষে এই গেমগুলি খেলোয়াড়দের ক্যারেক্টার গুলো এবং তার চারপাশের পরিবেশের উপর নিয়ন্ত্রণের কারণে লাইফ সিমুলেশন গেমগুলোকে মাঝে মাঝে “গড গেমস” ও বলা হয়।

Vehicle সিমুলেশন

সর্বাধিক জনপ্রিয় Vehicle সিমুলেশন গেমসগুলো টপ র‍্যাঙ্ক করানো কঠিন একটি কাজ, কেননা ফ্লাইট সিমুলেশন এবং রেসিং সিমুলেশন গেমসের মধ্যে এই বিভাগটি সমানভাবে যুক্ত। Vehicle সিমুলেশন গেমসগুলোর দিকে লক্ষ্য করুন আপনি এই গেমসে বিমান উড়ানোর অভিজ্ঞতা পাবেন আবার রেসিং গাড়ি চালানোর এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনি একটি ফার্মে ট্র্যাক্টর চালানোর অভিজ্ঞতা পাবেন।

Vehicle সিমুলেশন গেমসগুলো flight sims এর মতো যুদ্ধের মতো বিষয়ও যুক্ত হতে পারে। এছাড়াও এই বিভাগে স্পেস ফ্লাইট সিমুলেটর এবং ট্রেন সিমুলেটর গেমসগুলো অন্তর্ভুক্ত আছে।

৬. স্ট্রাটেজি গেমস

এই জেনারের গেমসগুলো প্রচলিত স্ট্রাটেজি গেমস গুলোর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, স্ট্রাটেজি গেমসগুলোর প্লেয়ারদের বিশ্ব এবং এর রিসোর্স গুলো ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। এই গেমস গুলোর প্লেয়ারদের চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে সাবধানতার সাথে বিভিন্ন ট্যাকটিস ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এর বর্তমানকালে, প্লেয়ারদের রেসপন্স হিসাবে এই ধরনের গেমস গুলোকে টার্ন-ভিত্তিক সিস্টেমগুলো থেকে সরে এসে রিয়েল-টাইম গেমপ্লেতে ট্রান্সফার হয়েছে।

4X

4x স্ট্রাটেজি ভিডিও গেমস হচ্ছে এমন ঘরানা যার চারটি প্রাথমিক লক্ষ্য থাকেঃ এক্সপ্লোর (অন্বেষণ), এক্সপান্ড (প্রসারিত), এক্সপ্লইট (শোষণ) এবং এক্সটার্মিনেট (নির্মূল করা)। Sid Meier’s Civilization গেমসটি হচ্ছে এই সিরিজের সর্বাধিক পরিচিত একটি স্ট্রাটেজি গেমস। এই গেমসের বিল্টইন লক্ষ্যগুলোর কারণে, এই ধরনের বেশিরভাগ গেমসগুলোই হিস্টোরিকাল সেটিং  এবং কোন সভ্যতার (মানব সভ্যতা বা অন্য কোন সভ্যতা) ইতিহাসের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।

আর্টিলারি

দুইজন বা তিনজন প্লেয়ারের টার্ন-ভিত্তিক গেমসগুলোতে ব্যবহার করা সাধারণ একটি ক্যাটাগরি, যা কেবল ট্যাঙ্ক বা যুদ্ধে নিযুক্ত অন্য সৈন্যদের বৈশিষ্ট্যযুক্ত গেমস।

রিয়েল-টাইম স্ট্রাটেজি (RTS)

রিয়েল-টাইম স্ট্র্যাটেজি গেমসের জন্য প্লেয়ারদেরকে রিসোর্স কালেক্ট করতে এবং ম্যানেজ করতে হয় যেমন: রিসোর্স কালেক্ট বাড়ানোর সাথে সাথে যুদ্ধের ইউনিটকে ম্যানেজ করা প্রয়োজন। আর Starcraft  গেমসটি হচ্ছে স্টারক্রাফ্ট সর্বাধিক জনপ্রিয় RTS গেমস, পাশাপাশি The Age of Empires series এবং Command and Conquer গেমসগুলো হচ্ছে এই ক্যাটাগরির সুপরিচিত গেমস।

রিয়েল-টাইম ট্যাক্টিক্স (RTT)

কখনও কখনও এই জেনারটিকে রিয়েল-টাইম স্ট্র্যাটেজির একটি সাবজেনার হিসাবে বিবেচিত হয়, কিন্তু রিয়েল-টাইম ট্যাক্টিক্স জেনারের গেমসগুলো সাধারণত যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশল এবং অপারেশনাল যুদ্ধবিগ্রহ বনাম রিসোর্স বা স্বতন্ত্র ইউনিটগুলো নিয়েই তৈরি করা হয়।

Multiplayer online battle arena (MOBA)

এই ক্যাটাগরির গেমসগুলো অ্যাকশন গেমস, রোল-প্লেয়িং গেমস এবং রিয়েল-টাইম স্ট্র্যাটেজির গেমগুলোর মিশেলে তৈরি করা হয়। স্ট্র্যাটেজি গেমসের সাবজেনারের গেমসগুলোতে, প্লেয়ারদের সাধারণত ঘাঁটি বা যুদ্ধের ইউনিটের মতো রিসোর্স বিল্ড করতে হয় না। এর পরিবর্তে, প্লেয়াররা দুটি দলের একটি দলের সিঙ্গেল ক্যারেক্টারকে নিয়ন্ত্রন করে, প্রতিপক্ষ দলের বেস কে ধ্বংস করতে চেষ্টা করে দলটি একত্রে কাজ করে (আর প্রতিপক্ষ দলটি সাধারণত কম্পিউটার নিজেই কনট্রোল করে থাকে)।

টাওয়ার ডিফেন্স

টাওয়ার ডিফেন্স গেমগুলোতে প্লেয়ারদের জিততে হলে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত শত্রুদের প্রায়শই হাড়াতে হয়। তাছাড়া টাওয়ারের ক্ষমতা এবং ক্রিপ চলাচলের পদ্ধতি বিভিন্ন গেমসে বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে তবে সাধারণত টাওয়ার ডিফেন্স গেমসগুলো বিভিন্ন টাওয়ারগুলোকে বিভিন্ন দক্ষতা দেয় যেমনঃ ক্রিপগুলোকে স্লো করে দেওয়ার ক্ষমতা বা অন্যান্য বিষাক্ত বস্তুর ব্যবহার করা ইত্যাদি। আর যখন কোন প্লেয়ার পর্যপ্ত পরিমাণে ক্রিপগুলোকে হত্যা করে তখন প্লেয়াররা আরও বেশি টাওয়ার কেনা বা তাদের অস্ত্রের শক্তি বা রেঞ্জ বাড়ানোর জন্য ক্রিডিট দেওয়া হয়।

Turn-based strategy (TBS)

রিয়েল টাইম স্ট্রাটেজি গেমসগুলো থেকে টার্ন বেসড স্ট্রাটেজি গেমগুলোকে আলাদা এই ক্যাটাগরিটি করতে ব্যবহৃত হয়। রিয়েল টাইম স্ট্রাটেজি গেমসের প্লেয়ারদের অ্যাকশান নেওয়ার জন্য দীর্ঘ সময় বা টার্ন দেওয়া হয়। কিন্তু RTSগেমের মতো, এই জেনারে এমন গেমসও অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে যা একচেটিয়াভাবে টার্ন বেসড গেমস নয়।

আরেকটি সাবজেনার এই জেনার থেকে ডেভলপ করা হচ্ছেঃ তা হচ্ছে simultaneous turn-based strategy (STBS) গেমস, যা গেমার এবং বিরোধীদের একত্রে অ্যাকশান এবং গেমপ্লে চেঞ্জ করার সুযোগ দেয়।

যুদ্ধের গেমস

স্ট্রাটেজি ভিডিও গেমসের একটি সাবজেনার, এই যুদ্ধের গেমসটি ম্যাপ বেসড ট্যাকটিক্যাল অথবা স্ট্রাটেজিক যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। রিয়েল যুদ্ধের মতো গেমসগুলো টার্ন বেসড বা রিয়েল টাইম গেমসে খেলতে পারবেন।

গ্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি ওয়ারগেম

এই যুদ্ধের গেমসটি দুর্দান্ত যুদ্ধের স্ট্র্যাটেজিকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে, যা সাধারণত কোন লক্ষ্য অর্জনের জন্য কোন জাতি বা সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনী এবং রিসোর্স গুলোকে কাজে লাগিয়ে লক্ষ্য অর্জন করে।

৭. স্পোর্টস গেমস

স্পোর্টস গেমস গুলো সিমুলেট গেমসগুলোর মত, যেমনঃ golf, football, basketball, baseball, এবং soccer। এই কেটাগরির মতে স্কিইংয়ের মতো অলিম্পিক গেমসে এমনকি পাব স্পোর্টস ডার্ট এবং পুল গেমসও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই গেমসগুলোর প্রতিপক্ষ প্রায়শই কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে তবে সরাসরি অন্য প্লেয়ারদের সাথেও খেলা যায়।

রসিং গেমস

Forza এবং Gran Turismo গেমসগুলোর মতো সিমুলেটর গেমসগুলো এই ক্যাটাগরির জনপ্রিয় গেমস, তবে arcade classics গেমস Pole Position গেমসটিও এরই অন্তর্ভুক্ত। এই গেমসগুলোতে প্রতিপক্ষের গাড়ি বা ঘোড়ার সাথে প্রতিযোগিতা করে।

টিম স্পোর্টস

ভিডিও গেম জেনারগুলোর মধ্যে এটি প্রথম দিকের জেনার, দলগত ভাবে গেমস খেলার একটি গেমস। Arch Rivals এবং NBA Jam, Madden NFL এবং FIFA এর গেমস গুলো সাধারণত এই ক্যাটাগরির হয়ে থাকে।

প্রতিযোগিতামূলক

কাল্পনিক খেলা বা প্রতিযোগিতামূলক গেমসগুলো এই ক্যাটাগরিতে পরে। eSport এর গেমস যেমন Overwatch এবং Team Fortress এর মতো গেমসগুলো এই সাবজেনারের।

স্পোর্টস বেসড ফাইটিং

ফাইটিং গেমস এবং স্পোর্টস জেনারের গেমসগুলোর মিশ্রণে তৈরি গেমসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য Fight Night এবং wrestling ভিডিও গেমস রয়েছে।

৮. Puzzle গেমস

Puzzle বা লজিক গেমসগুলো সাধারণত একটি স্ক্রিন বা প্লেফিল্ডে গেমস খেলা হয় এবং প্লেয়ারকে গেমসের প্রবলেম সলভ করার মাধ্যমে নতুন লেভেলে যেতে হয়।

লজিক গেম

লজিক গেমসের প্লেয়ারদের একটি লজিক সলভ করতে বা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হয়। এই গেমসের মধ্যে Brain Age গেমসটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং Tetris এর মত puzzle গেমস ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

Trivia গেমস

রিয়াল Trivia গেমসগুলোর মতো, ভিডিও Trivia গেমসের প্লেয়ারদের টাইম শেষ হওয়ার আগে (বা অন্য প্লেয়ারদের উত্তর দেওয়ার আগে) অবশ্যই একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। যেহেতু Trivia গেমসগুলো ক্যাজুয়াল গেমারদের জন্য তৈরি করা হয়েছে তাই এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে বিশেষকরে যারা মোবাইলে গেমস খেলে।

৯. Idle গেমস

টেকনোলজি এর কারণে নতুন নতুন ক্যাটাগরি, সাবক্যাটাগরির গেমস তৈরি হচ্ছে, Idle গেমস তার মধ্যে একটি নতুন ক্যাটাগরি। এভাবেইসর্বদা নতুন জেনার, ক্যাটাগরি, সাবক্যাটাগরি তৈরি হয়।

Idle গেমিং

ক্যাজুয়াল গেমস খেলে কনফিউজ হওয়ার দরকার নেই, Idle গেমসগুলো খুবই সিম্পল গেমস যাতে মিমিমাম প্লেয়াররা যুক্ত থাকে, যেমনঃ বারবার একটি আইকনে ক্লিক করে গেমস খেলা। এই Idle গেমগুলোর প্লেয়ারদের গেমের সিম্পল স্টেজ সম্পূর্ণ করলে তাদের পুরস্কৃত করার মাধ্যমে তাদের গেমস খেলার আগ্রহকে বাড়িয়ে তোলে।

ক্যাজুয়াল গেমস

ক্যাজুয়াল গেমসগুলো বেসিক গেম মেকানিক্সে প্রদর্শিত হয় এবং তা খুবই আকারে ছোট হয় এবং ক্যাজুয়াল সেশন নিয়ে নির্মিত হয়। তাছাড়া এই গেমসগুলো মোবাইল গেমিংয়ে গত কয়েক বছর ধরে জনপ্রিয়তা লক্ষ করা যায়। ডেভলপাররা প্রায়শই পুরস্কার এবং সাবধানতার সাথে লেভেলগুলো তৈরি করা যাতে করে প্লেয়াররা আরও অনেকক্ষন ধরে গেমসটি খেলতে থাকে।

পার্টি গেমস

মাল্টিপ্লেয়ার (চার বা ততোধিক) প্লেয়ারের জন্য তৈরি গেমস, Mario Party গেমসের মত পার্টি গেমসগুলো সাধারণত অন্যান্য প্লেয়ারদের সামনে চ্যালেঞ্জ দেয় যার মাধ্যমে প্লেয়ারদের মধ্যে ছোট খাট একটি প্রতিযোগিতা চলে।

প্রোগ্রামিং গেমস

প্রোগ্রামিং গেমসগুলোতে সাধারণত প্লেয়ারদেরকে একটি চ্যালেঞ্জ সম্পূর্ণ করতে বা কোন বাধা অতিক্রম করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ Codehunt এ জাভা বা সি# প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে খেলানো একটি গেমস যেখানে প্লেয়াররা কম্পিউটারের ল্যাঙ্গুয়েজ, এবং লুপ, স্ট্রিং ইত্যাদি শিখতে পারে।

বোর্ড গেম / কার্ড গেম

দাবা, চেকার এবং backgammon এর মতো গেমসগুলো এখনও বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল ডিভাইসেও এই গেমসগুলো খেলা যায় বিধায় এগুলো আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। Magic এর মত কার্ড গেমসগুলো এবং Pokémon এর মত কার্ড গেমসগুলো জনপ্রিয় কার্ড গেমস।

Massive multiplayer online (MMO)

এই গেমসগুলো প্রায় সবগুলোই ইন্টারনেটের মাধ্যমে খেলা হয়। MMO গেমসগুলোতে বিভিন্ন গেমের মোড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে প্লেয়াররা একে অপরকে সহযোগিতা করতে বা আক্রমণ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ Minecraft গেমসটি সিঙ্গেল প্লেয়ার অথবা মাল্টিপ্লেয়াররা উভয়ই খেলতে পারে।

অ্যাডভারগেম

অ্যাডভারগেম গুলো সাধারণত কোন পণ্য বা ব্রান্ডের বিক্রি বাড়াতে সহায়তা করার জন্য তৈরি করা হয়, ব্রান্ড বা বিজ্ঞাপনদাতারা গেম ডেভলপারকে কোন পণ্যের বিজ্ঞাপণ তার গেমসে দেখানোর অনুরোধ করে।

আর্ট গেম

আর্ট গেমসগুলো আর্টের শোকেস বা প্রদর্শন করানোর জন্য করে এবং আর্টের মত করে তার শ্রোতাদের সাথে ইমোশনাল অনুভূতি জাগ্রত করে। সাধারণত এই গেমসগুলোর গেমপ্লে ফিচারযুক্ত হয় না তবে তা “ইন্টারেক্টিভ এক্সপেরিয়েন্স” দেয়।

এডুকেশনাল গেমস

এই গেমসগুলো মূলত শেখার টুলস হিসাবে ব্যবহৃত হয়, এডুকেশনাল গেমসগুলো বেসিক মেকানিক্স ব্যবহার করে গণিত বা টাইপিংয়ের মত বিষয়গুলো শেখাতে ব্যবহৃত হয় এবং এভাবেই বাচ্চাদের সেরা ভিডিও গেমসগুলোর তালিকায় এই এডুকেশনাল গেমস রয়েছে।

এক্সার গেমস

ভিডিও গেমসের জগতে অবনতি, এক্সারগেমস গুলো বিশেষকরে, পেরিফেরিয়ারল বা কন্ট্রোলার দিয়ে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যা প্লেয়ারকে একটি এক্সারসাইজ বা এক্টিভিটি অনুকরণ করতে দেয়। Wii Fit এর মত গেমস গুলো আপনার ফুট স্টেপ গণনা করে এবং এতে ফিটনেস ওয়াচের মত অনেক ফিচার রয়েছে।

নিজের স্টাইলে গেমস তৈরি করুন

উপরের সব ক্যাটাগরিতে প্রচুর পরিমাণে গেমস রয়েছে। খেলার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিডিও গেমস রয়েছে শুধু তাই নয় প্রত্যেকটি গেমস তার নিজের জন্য একটি জেনার বা সাবজেনার সেট তৈরি করেছে।

এক্ষেত্রে প্রযুক্তি ওতপ্রোতভাবে জড়িত, গেমসগুলো মূলত একটি মুভির মত পরিচালকের কল্পনাশক্তির উপর ভিত্তি করে কোডিং করে তৈরি করা হয়।

টিউন জোসস করুন, আমার টিউন শেয়ার করুন, টেকটিউনসে আমাকে ফলো করুন, আপনাদের মতামত জানান

আমি এরকম নিত্যনতুন কাজের সফটওয়্যার নিয়ে টেকটিউনসে হাজির হবো নিয়মিত। তবে সে জন্য আপনার যা করতে হবে তা হলো আমার টেকটিউনস প্রোফাইলে আমাকে ফলো করার জন্য ‘Follow’ বাটনে ক্লিক করুন। আর তা না হলে আমার নতুন নতুন টিউন গুলো আপনার টিউন স্ক্রিনে পৌঁছাবে না।

আমার টিউন গুলো জোসস করুন, তাহলে আমি  টিউন করার আরও অনুপ্রেরণা পাবো এবং ফলে ভবিষ্যতে আরও মান সম্মত টিউন উপহার দিতে পারবো।

আমার টিউন গুলো শেয়ার বাটনে ক্লিক করে সকল সৌশল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। নিজে প্রযুক্তি শিখুন ও অন্য প্রযুক্তি সম্বন্ধে জানান টেকটিউনসের মাধ্যমে।

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *