ঢাকা, রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:০৯ অপরাহ্ন
মিথ্যা বলছে তালিবান, আইসিসের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ আছে, দাবি আমানুল্লা সালেহ-র
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

মিথ্যা বলছে তালিবান, আইসিসের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ আছে, দাবি আমানুল্লা সালেহ-র

 আফগানিস্তানের পঞ্জশির উপত্যকায় ‘অস্থায়ী সরকার’ গঠন করেছে তালিবান বিরোধীরা। সেই তদারকি সরকারের প্রেসিডেন্ট আমানুল্লা সালেহ দাবি করলেন, আইসিস খোরাসানের সঙ্গে যোগ আছে তালিবান ও হাক্কানি নেটওয়ার্কের। বৃহস্পতিবার কাবুল বিমান বন্দরের কাছে বিস্ফোরণের দায়িত্ব স্বীকার করেছে আইসিস খোরাসান। আমানুল্লা সালেহ-র দাবি, ওই দুই বিস্ফোরণের দায় এড়াতে পারে না তালিবানও।

অস্থায়ী সরকারের প্রেসিডেন্ট বলেন, পাকিস্তানও জঙ্গিদের সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকার করে। তালিবানও একইভাবে আইসিসের সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকার করছে। আমানুল্লা সালেহ-র দাবি, “আমাদের হাতে যে প্রমাণ আছে, তাতে বোঝা যায়, তালিবান ও হাক্কানি নেটওয়ার্কের মধ্যে থেকেই আইসিসের জন্ম হয়।”


এর আগে আমানুল্লা অভিযোগ করেন, পাকিস্তানই জঙ্গিদের বিস্ফোরক দেয়। তাদের উদ্দেশ্য আফগানিস্তানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।

বৃহস্পতিবার কাবুলে বিস্ফোরণের পরে বিবৃতি দেন পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি। তিনি বলেন, একটি বিস্ফোরণ ঘটেছে বিমান বন্দরের অ্যাবে গেটের কাছে। অপরটি ঘটেছে ব্যারন হোটেলের আছে। বিমান ওঠার আগে ওই হোটেলে মার্কিন নাগরিকরা জড়ো হয়েছিলেন। পেন্টাগনের মুখপাত্র টুইট করে বলেন, “অ্যাবে গেটের কাছে বিস্ফোরণে কয়েকজন মার্কিন ও আফগান নাগরিক মারা গিয়েছেন।”

প্রথম বিস্ফোরণ হওয়ার পরে কাবুলে ফ্রান্সের দূত সম্ভাব্য দ্বিতীয় বিস্ফোরণ সম্পর্কে সতর্ক করে দেন। ফরাসি দূত ডেভিড মার্টিনন টুইট করে বলেন, “আফগান বন্ধুদের উদ্দেশে বলছি, আপনারা যদি বিমান বন্দরের গেটের কাছে থাকেন, অবিলম্বে সরে আসুন। কোনও নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিন। কারণ যে কোনও সময় আর একটি বিস্ফোরণ হতে পারে।”

আফগান রিপোর্টার বিলাল সারওয়ারি বলেন, স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন, এক আত্মঘাতী বোমারু ভিড়ের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটায়। তারপরে আর একজন গুলি চালাতে থাকে। বিস্ফোরণে ও গুলিতে অনেকের মৃত্যু হয়েছে।

এর মধ্যে মার্কিন কংগ্রেসের একদল সদস্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে চিঠি দিয়ে বলেছেন, তালিবান যেন পাকিস্তানের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে না পারে। কারণ সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র যেতে পারে তালিবানের হাতে। পাকিস্তানের ওপরে তালিবানের প্রভাব বাড়ছে কিনা, সেদিকে কড়া নজর রাখতে হবে আমেরিকাকে।

মার্কিন কংগ্রেসের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সেনেটের ৬৮ জন সদস্য চিঠি দিয়ে বাইডেনের কাছে জানতে চেয়েছেন, আফগানিস্তান নিয়ে বাইডেনের পরবর্তী পরিকল্পনা কী। বাইডেনকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়েছে, তালিবান যদি আফগানিস্তানের সীমান্তে সেনা সমাবেশ ঘটায়, তাহলে আমেরিকা কী করবে? পাকিস্তানকে অস্থিতিশীলতা থেকে রক্ষা করার জন্য কী করবেন বাইডেন। খবর দ্য ওয়ালের/এনবিএস/২০২১/একে

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *