ঢাকা, বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
গিলানির স্মরণে রাষ্ট্রীয় শোক পাকিস্তানে, ভারত-বিরোধী মন্তব্য কুরেশির, কী বললেন?
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :


গিলানির স্মরণে রাষ্ট্রীয় শোক পাকিস্তানে, ভারত-বিরোধী মন্তব্য কুরেশির, কী বললেন?

 বুধবার শ্রীনগরে দীর্ঘ অসুস্থতার পর শ্রীনগরে বুধবার সন্ধ্যায় নিজের বাসভবনে প্রয়াত কাশ্মীরী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ( kashmiri seperatist leader) সৈয়দ আলি শাহ গিলানিকে (syed ali shah geelani) শ্রদ্ধা জানিয়ে একদিনের সরকারি শোক পালন করছে পাকিস্তান (pakistan)। বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের মুখ  ৯১ বছরের গিলানি বরাবরই পাকিস্তানপন্থী বলে পরিচিত (pro-pakistan)। জম্মু ও কাশ্মীরের ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে  পাকিস্তানে মিশে যাওয়ার প্রবক্তা ছিলেন তিনি। তেহরিক-ই-হুরিয়ত প্রতিষ্ঠাতার স্মরণে পাকিস্তানের নানা শিবিরের রাজনৈতিক নেতারা শোক জানিয়েছেন। পাকিস্তানের পতাকা অর্ধনমিত থাকবে, দেশব্যাপী একদিনের সরকারি শোক পালিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। গিলানি ‘অত্যাচার, নির্যাতন’ সহ্য করেও অবিচল ছিলেন  বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবারই ইমরান ট্যুইট করেন, কাশ্মীরী স্বাধীনতা সংগ্রামী সৈয়দ আলি গিলানির মৃত্যু সংবাদে গভীর ব্যথিত। তিনি তাঁর লোকজন ও তাঁদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের সমর্থনে সারা জীবন লড়াই করেছেন। আরও লেখেন, পাকিস্তানে আমরা ওনার সাহসী সংগ্রামকে কুর্নিশ করি, ‘হাম পাকিস্তানি হ্যায় ঔর পাকিস্তান হামারা হ্যায়’-ওনার এই কথাগুলিও স্মরণ করি।


পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশিও শোক জানিয়ে ভারত-বিরোধী মন্তব্য করেন। ট্যুইট করেন, পাকিস্তান কাশ্মীরের স্বাধীনতা আন্দোলনের শিখার ধারক সৈয়দ আলি শাহ গিলানির মৃত্যুতে শোকাহত। শাহ সাহাব ভারতীয় দখলদারির অধীনে গৃহবন্দি থাকাকালে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত কাশ্মীরীদের অধিকারের পক্ষে সংগ্রাম করেছেন। ওনার  আত্মা চিরশান্তি পাক, ওনার স্বাধীনতার স্বপ্ন সফল হোক।

তবে কুরেশির ট্যুইটের জবাবে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা অভিষেক মনু সিংভি তোপ দেগেছেন, সত্যিই আপনারা আপনাদের গোয়েন্দা এজেন্সির একজন প্রক্সিকে হারালেন, যে জেহাদের নামে ভারতে নিরীহ কাশ্মীরীদের প্ররোচনা দিয়ে  ক্ষেপিয়ে তুলত।  নির্দোষ কাশ্মীরীদের হত্যার জন্যই ইতিহাস আপনার দেশ, আপনার সব প্রক্সিদের মনে রাখবে।  গিলানি এককালে সব কাশ্মীরী বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের মঞ্চ অল পার্টিজ হুরিয়ত কনফারেন্সের চেয়ারম্যান ছিলেন। গত বছরের জুনে তিনি রাজনীতি ছাড়েন। ১৯২৯ এর ২৯ সেপ্টেমের জন্ম তাঁর। অতীতে তিনি জামাত-ই-ইসলামি কাশ্মীরের সদস্য ছিলেন। তবে পরে তেহরিক-ই-হুরিয়ত প্রতিষ্ঠা করেন। জম্মু ও কাশ্মীরের ভবিষ্যত্ নির্ধারণের ব্যাপারে তিনি দীর্ঘদিন ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসার পক্ষপাতীই ছিলেন না। খবর দ্য ওয়া্রেলর/এনবিএস/২০২১/একে

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *