ঢাকা, মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
ভ্যাকসিন আসল না নকল? জেনে নিন বুঝবেন কী করে
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

ভ্যাকসিন আসল না নকল? জেনে নিন বুঝবেন কী করে

 করোনা (Corona) প্রতিরোধে ভ্যাকসিন (Vaccine) নেওয়ার হুড়োহুড়ি সব জায়গাতেই। কিন্তু আপনি কি আসল ভ্যাকসিন পাচ্ছেন না কি ভুয়ো ভ্যাকসিনের ফাঁদে প্রতারিত হচ্ছেন? কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা নির্দেশিকার ভিত্তিতে সহজেই আপনি চিনতে পারবেন আসল-নকলের পার্থক্য। তবে ৫০ কোটির বেশি ভারতবাসীকে ভ্যাকসিন দিয়ে দেওয়ার পর কেন এই গাইডলাইন দেওয়ায় কথা মাথায় এল তা স্পষ্ট হয়নি। তবে কলকাতায় দেবাঞ্জন দেবের ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের মত দেশের নানা প্রান্তে একই সমস্যা দেখা গিয়েছে।


ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড সামনে আসার পর থেকেই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকায় কিছু নকল কোভিশিল্ড শনাক্ত করার পরই ‘জাল’ রুখতে তৎপর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। আসল টিকা চেনার ক্ষেত্রে রঙ ও বিবরণের ওপর ভিত্তি করে কয়েকটি মাপকাঠি ঠিক করে নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র । 


বর্তমানে ভারতে তিনটি করোনা ভ্যাকসিন চলছে। তারমধ্যে আছে সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার তৈরি কোভিশিল্ড, ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন ও রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক ভি। এই তিনটি ভ্যাকসিনের আলাদা আলাদা মাপকাঠির বিচারে যাচাই করে চেনার উপায় হিসেবে এক তালিকা প্রস্তুত করেছে। যার মাধ্যমে আপনি সহজেই চিনে নিতে পারবেন আসল-নকলের পার্থক্য।

কোভিশিল্ড চেনার উপায়- প্রথমেই আসা যাক সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার তৈরি কোভিশিল্ড চেনার উপায়। কিভাবে চিনবেন?
১. আসল কোভিশিল্ডের গায়ে সাঁটা লেবেলের রঙ গাঢ় সবুজ এবং ডোজের অ্যালুমিনিয়াম সিলের রঙও একই থাকতে হবে।
২. আসল ভ্যাকসিনের গায়ে ট্রেডমার্ক সহ ব্র্যান্ডের নাম উল্লেখ থাকবে।
৩. লেবেলে সাঁটা লেখাগুলো স্পেশাল সাদা রঙে লেখা থাকবে যাতে সেগুলো বেশি স্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য হয়।
৪. এই ভ্যাকসিন কি শ্রেণীর সেই উল্লেখিত নামটি মোটা হরফে লেখা থাকবে না।
৫. ‘CGS NOT FOR SALE’ লেখার উল্লেখ থাকবে।
৬. প্রস্তুতকারী সংস্থার লোগোর অবস্থানও ভিন্ন হবে।
৭. বিশেষ ভাবে এই লোগো তৈরি হবে।

কোভ্যাক্সিন চেনার উপায়- এরপর আসা যাক ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন চেনার উপায়। কিভাবে চিনবেন?
১. এই ভ্যাকসিনের লেভেলে লেখা একমাত্র অতি বেগুনি রশ্মির মাধ্যমেই পড়া সম্ভব হবে।
২. কোভ্যাক্সিন লেখাটি ক্ষুদ্র অক্ষরে লেখা যা সাধারণভাবে পড়া যাবে না।
৩. আসল কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে সবুজ রঙের ফয়েল থাকবে।
৪. হলোগ্রাফিক এফেক্ট থাকবে কোভ্যাক্সিনের লেভেলে।

স্পুটনিক ভি চেনার উপায়- এরপর আসা যাক রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক ভি চেনার উপায়। কিভাবে চিনবেন?

১. দুই ধরণের স্পুটনিক ভি তৈরি হয় রাশিয়ায়। এই দুই ধরণের মধ্যে প্রস্তুকারক সংস্থার নাম ছাড়া বাকি সব এক।
২. একমাত্র ৫টি ডোজের বাক্সের সামনে ও পিছনেই শুধু থাকবে ইংরেজি নামের উল্লেখ। বাকি সবকিছু রাশিয়ান ভাষায় লেখা থাকবে। লেভেল থেকে নাম সব বিবরণই ​। খবর দ্য ওয়ালের /এনবিএস/২০২১/এক

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *