ঢাকা, শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:২৮ অপরাহ্ন
আমাদের কর্মীদের সরিয়ে আনতে তারা অনেক সাহায্য করেছে, তালিবানের প্রশংসায় আমেরিকা
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

আমাদের কর্মীদের সরিয়ে আনতে তারা অনেক সাহায্য করেছে, তালিবানের প্রশংসায় আমেরিকা

তালিবান (Taliban) জানে কখন কী করা উচিত। আমাদের কর্মীদের আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে আনতে তারা অনেক সাহায্য করেছে। শুক্রবার এভাবেই জঙ্গিদের প্রশংসা করল আমেরিকা। আমেরিকার অন্তত ১০০ জন নাগরিক আফগানিস্তানের নানা অঞ্চলে আটকে পড়েছিলেন। বৃহস্পতিবার চ্যাটার্ড ফ্লাইটে তাঁদের কয়েকজনকে কাবুল থেকে দোহায় নিয়ে যাওয়া হয়। আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র এমিলি হর্ন বলেন, কাবুলের হামিদ কারজাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে আমাদের নাগরিকদের উড়িয়ে আনা হয়েছে। এক্ষেত্রে তালিবান আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করেছে।


এক বিবৃতিতে এমিলি বলেন, “তালিবান উদার মনোভাবের পরিচয় দিয়েছে। বোঝা গিয়েছে, তারা জানে কখন কী করতে হবে।” মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস টুইট করে বলেন, চ্যাটার্ড ফ্লাইটে ৪০ জন মার্কিন নাগরিকের ফেরার কথা ছিল। কিন্তু ২১ জনের বেশি আসেননি। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আগামী দিনেও চ্যাটার্ড ফ্লাইটে কয়েকজনকে ফিরিয়ে আনা হবে।

এর মধ্যে তালিবানের মন্ত্রিসভা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আমেরিকা। গত মঙ্গলবার তালিবান মন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করে। তাতে দেখা যাচ্ছে বাঘা বাঘা সন্ত্রাসবাদীরাও ক্ষমতার শীর্ষে বসতে চলেছেন তালিবানের হাত ধরে। এমন অনেকেই আছেন যাঁদের নাম রয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের জঙ্গি তালিকায়। আর এদিন তা নিয়েই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আমেরিকা। হোয়াইট হাউস থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মহল বা আমেরিকা যেমনটা আশা করেছিল তা হচ্ছে না আফগানিস্তানে।


আমেরিকার বক্তব্য, আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের ইচ্ছানুযায়ী সরকারের ক্ষমতাসীন ব্যক্তিরা নির্বাচিত হবেন, এটাই কাম্য। এইমুহূর্তে তাদের প্রশ্ন, আফগানিস্তানের জঙ্গি সরকার কি আগের মতোই তাদের নাশকতামূলক কাজ চালিয়ে যাবে? তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে কি আগের মতো নিশ্চিন্তে যাতায়াত করা যাবে? আল কায়েদা, আইসিস জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গেও তালিবানের যোগসাজশ রয়েছে বলে জোর জল্পনা চলছে। তা নিয়েও এদিন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস।

তালিবান যেসব মানুষকে চালাতে চাইছে তাদের কোনও মতামতই তারা নেয়নি। বন্দুকের নলের মুখে কাবুলের মসনদে বসেছে তারা। এর জন্য আফগান মুলুকে আন্দোলনও জারি আছে। গতকালই দেখা গিয়েছে, মহিলাদের আন্দোলনে নির্মমভাবে চাবুক চালিয়েছে তালিবান সরকার। সংবাদমাধ্যমের কন্ঠরোধ করা হচ্ছে সেখানে। সাংবাদিকদের নিগ্রহ জারি আছে। এই পরিস্থিতিতে নানাবিধ সমালোচনার মুখে পড়েছে তালিবান। তার মাঝেই আমেরিকার বার্তায় যেন খানিক আক্ষেপের সুরু শোনা গেল বলেই মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল । খবর দ্য ওয়ালের /২০২১/এনবিএস/একে

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *