ঢাকা, রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
আগামী ৯ সপ্তাহে কাশ্মীরে যাবেন ৭০ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, দিল্লিতে ফিরে দেবেন রিপোর্ট
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :


আগামী ৯ সপ্তাহে কাশ্মীরে যাবেন ৭০ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, দিল্লিতে ফিরে দেবেন রিপোর্ট

শুক্রবার কাশ্মীরে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর (Narendra Singh Tomar)। সঙ্গে আছেন তাঁর দফতরের দুই প্রতিমন্ত্রী কৈলাস চৌধুরি ও শোভা করন্দলাজে। তাঁরা সেখানে কৃষক, কৃষিবিজ্ঞানী ও কৃষির সঙ্গে যুক্ত আরও অনেকের সঙ্গে কথা বলবেন। দিল্লিতে ফিরে কৃষিমন্ত্রী রিপোর্ট দেবেন প্রধানমন্ত্রীর অফিসে ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে। শুক্রবার বিকালে জানা গিয়েছে, আগামী নয় সপ্তাহের মধ্যে জম্মু-কাশ্মীরে যাবেন মোট ৭০ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁরাও সেখানকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে কেন্দ্রীয় সরকারকে রিপোর্ট দেবেন।


আগামী সাতদিনের মধ্যেই কাশ্মীরে যাবেন ১০ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁদের মধ্যে আছেন পর্যটন মন্ত্রী অজয় ভাট, সংখ্যালঘু সংক্রান্ত দফতরের প্রতিমন্ত্রী জন বার্লা এবং যোগাযোগ দফতরের প্রতিমন্ত্রী দেবুসিং চৌহান। তাঁরা যাবেন শনিবার থেকে আগামী বুধবারের মধ্যে। বুধ ও বৃহস্পতি, দু’দিনের জন্য কাশ্মীরে যাবেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। বাণিজ্য মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী সোমপ্রকাশ বুধবার গিয়ে ফিরবেন শুক্রবার। সামাজিক ন্যায় দফতরের প্রতিমন্ত্রী কৃষণ লাল যাবেন বৃহস্পতিবার। ফিরবেন শুক্রবার। অপর দুই মন্ত্রী নারায়ণ রানে এবং অর্জুন মুন্ডাও বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে কাশ্মীরে যাবেন। অপর কোন মন্ত্রীরা কাশ্মীরে যাবেন, তা স্থির হবে কয়েকদিনের মধ্যে।

২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদ করা হয়। এরপরে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ৩৬ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জম্মু-কাশ্মীরে গিয়েছিলেন। এরপর ফের কাশ্মীরের পরিস্থিতি জানতে যাচ্ছেন ৭০ জন মন্ত্রী।


এর মধ্যে কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন হুরিয়াত কনফারেন্স বলেছে, তাদের আশা তালিবানের জন্য চার দশকব্যাপী যুদ্ধের অবসান ঘটবে আফগানিস্তানে। সেদেশে শান্তি ফিরে আসবে। হুরিয়াত নেতা মিরওয়াইজ ওমর ফারুক বৃহস্পতিবার বলেন, তিনি মনে করেন, তালিবান সকলকে নিয়েই সরকার গঠন করবে। সেই সরকার আফগান নাগরিকদের মধ্যে ভেদাভেদ করবে না।

বিবৃতি দিয়ে মিরওয়াইজ ওমর ফারুক বলেন, “সকলের মনে রাখা উচিত, ইসলাম খুব স্পষ্টভাবেই সাম্য, আর্থিক সততা ও ধর্মীয় সহনশীলতার কথা বলে।” তিনি আশা করেন, তালিবান ইসলামের মূল্যবোধের কথা মনে রাখবে। আন্তর্জাতিক রীতিনীতিকেও সম্মান করবে।

কাশ্মীরের সঙ্গে আফগানিস্তানের তুলনা করে মিরওয়াইজ ওমর ফারুক বলেন, দু’টি এলাকার সংঘর্ষের চরিত্র একরকম হয় না। তবে কাশ্মীরের জনতা নিশ্চিতভাবেই আফগানদের জন্য সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। কারণ কাশ্মীরের মানুষও দীর্ঘদিন অস্থিতিশীলতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে কাটানোর জন্য আফগান জনগণকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। আশা করা যায়, তাঁরা শীঘ্র এই পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন। আফগানরা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবেন।

কাশ্মীরের পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সভানেত্রী তথা জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি বলেন, “আশা করি তালিবান প্রকৃত শরিয়া অনুযায়ী দেশ শাসন করবে। তারা মানুষের ওপরে নিজস্ব ধারণা চাপিয়ে দিতে চাইবে না। খবর দ্য ওয়ালের /২০২১/এনবিএস/একে

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *