ঢাকা, সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
যারা ‘আব্বা জান’ বলে, আগে তারাই গরিবের রেশন হজম করত, এখন হয় না! যোগীর বিতর্কিত মন্তব্য
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

যারা ‘আব্বা জান’ বলে, আগে তারাই গরিবের রেশন হজম করত, এখন হয় না! যোগীর বিতর্কিত মন্তব্য

 উত্তরপ্রদেশের উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে আগের বিভিন্ন দলের রাজ্য সরকারের ‘জাতপাতগন্ধী, পরিবারতন্ত্রের মানসিকতা’, ‘তুষ্টিকরণের রাজনীতি’র (politics of appeasement) তীব্র নিন্দার পাশাপাশি এমন মন্তব্য করে বসলেন যোগী আদিত্যনাথ (Yogi adityanath) যা রাজনীতির আঙিনায় ঝড় তুলতে চলেছে।

 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করে যোগীর বক্তব্য, আগে দেশের রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা জাতপাত, ধর্মীয় বিশ্বাস, স্থান, ভাষা, পরিবারের গন্ডীর মধ্যে সীমিত ছিল। উনি এসে গোটা ব্যাপারটাই বদলে দিয়েছেন। আজ সবার উন্নয়ন হচ্ছে, কাউকে তুষ্ট করা হচ্ছে না। অতীতে তুষ্টিকরণের রাজনীতি হত, যার জন্য উন্নয়ন হয়নি, শুধু দাঙ্গা, হিংসা, নৈরাজ্য, সন্ত্রাসবাদ, দুর্নীতি, অত্যাচার, অবিচার হয়েছে। আজ আপনারা রেশন (ration) পাচ্ছেন। ২০১৭র  আগে কি পেতেন? কেননা তখন যারা ‘আব্বা জান’ (abba jan) বলে, তারাই রেশন হজম করত।

 কুশীনগরের বরাদ্দ রেশন চলে যেত নেপাল, বাংলাদেশে। আজ কেউ গরিবের রেশন হজম করার চেষ্টা করলে জেলে যেতে হয়। আমরা এই দায়বদ্ধতা নিয়েই কাজ করছি।  আগে ‘আব্বা জান’ বলা লোকজন গরিবের চাকরি লুঠ করত। গত সাড়ে চার বছরে আমরা সাড়ে ৪ লাখ যুবককে কাজ দিয়েছি। এই যে সামনে যে মহিলা কনস্টেবলরা দাঁড়িয়ে আছেন, তাঁরা এই জমানায় চাকরি পেয়েছেন। এজন্য কাউকে সুপারিশপত্র নিয়ে আসতে বা ঘুষ দিতে হয়নি। কিন্তু তাঁরা নিঃসন্দেহে ‘আব্বা জান’ বলা রোমিওদের উচিত শিক্ষা দিয়েছেন।

কুশীনগরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন  অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ভাষণে দাবি করেন, অযোধ্যার রামজন্মভূমিতে রামমন্দিরের নির্মাণ শুরু  হয়েছে বিজেপি কেন্দ্র, রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই। সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি, কংগ্রেস রামমন্দির করত কিনা, সেই  প্রশ্নও  তোলেন তিনি।


পূর্বতন সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজবাদী পার্টির তীব্র নিন্দা করেন যোগী। বলেন, ওরা জঙ্গলের পার্টি।

ক্ষমতায় এলে তারা কোনও নতুন পার্ক বা সৌধ গড়বে না, বহুজন সমাজবাদী পার্টির এই ঘোষণার সমালোচনা করে তিনি কটাক্ষ করেন,  ওরা রামমন্দির বিরাট, সবচেয়ে সুন্দর হবে, এটা বুঝতে পেরে ভয় পেয়েছে।  আপনাদের কি  মনে হয়, যারা রামভক্তদের ওপর গুলি চালিয়েছে, তারা রামমন্দির তৈরি  করত? যারা গুলি চালিয়েছে, দাঙ্গা করায়, তারা কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাদ দিত? যারা তালিবানকে সমর্থন করে, তারা তিন তালাকের অবসান ঘটাত? রাজ্যবাসী কখনই জাতপাত, পরিবারকেন্দ্রিক মানসিকতা মেনে নেবে না। মনে রাখবেন, কাঁকড়াবিছে যেখানেই থাকুক না কেন, কামড় দেবেই। খবর ওয়ালের /এনবিএস/২০২১/একে

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *