ঢাকা, সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
পুরাতন বা সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল কিনলে যেভাবে জেলে যেতে পারেন, তাই বাঁচতে চাইলে সাবধান হোন! | Techtunes
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :


আসসালামু আলাইকুম। বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? আশা করছি আপনারা সকলেই আল্লাহর রহমতে অনেক বেশি ভালো আছেন। অনেকদিন পর আমি আবারও আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি নতুন একটি টিউন।

বর্তমানে আমরা প্রায় সকলেই একটি করে মোবাইল ব্যবহার করে থাকি। একটি সময় ছিল যখন গুটি কয়েক মানুষের কাছে মোবাইল ছিল। কিন্তু বর্তমানে সকলের হাতে হাতে মোবাইল ফোন। বলতে গেলে, বর্তমানের সকলের হাতে হাতে স্মার্টফোন। বর্তমানে আপনি আমার যে টিউউটি দেখছেন, এটিও হয়তোবা আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়ে।

আমি এই টিউনে স্মার্টফোনের বিষয়ে আপনাদের কে কেন এতটা বিস্তারিতভাবে বলছি? আমি আপনাদেরকে এই টিউনটি মাধ্যমে স্মার্টফোন সম্পর্কে বর্তমানে যে ধারনা দেব তা আপনারা হয়তোবা টিউনটির শিরোনাম এবং থাম্বনেল দেখেই বুঝে গিয়েছেন। যাইহোক, আমি কথা পেঁচিয়ে ফেলছি না। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষতার যুগে আমরাও চাই আমাদের একটি ভালো স্মার্টফোন থাকুক। আর এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা নতুন এবং পুরাতন মোবাইল ক্রয় করে থাকি।

নতুন বা পুরাতন মোবাইল কেনা নিয়ে কিছু কথা

আমাদের যাদের কাছে বেশি পরিমাণে টাকা রয়েছে অথবা যারা একটি মোবাইল দীর্ঘ সময় ব্যবহার করবে বলে ভাবে, তারা সবসময় মোবাইল কেনার ক্ষেত্রে নতুন মোবাইলকেই অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। কিন্তু যারা শুধুমাত্র কিছু সময়ের জন্য একটি মোবাইল কিনতে চাই অথবা যাদের বাজেট অনেক কম, তারা একটি স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে পুরাতন মোবাইল খুঁজে থাকে। আর এক্ষেত্রে পুরাতন মোবাইল কিনার জন্য তারা তাদের পরিচিতজনদের মোবাইল নিয়ে থাকে অথবা অনলাইনে বিভিন্ন স্টোর থেকে মোবাইল খুঁজে থাকে। নতুন মোবাইল কেনার ক্ষেত্রে কোন একটি শো রুম থেকে যেভাবে আমরা কোনো চিন্তা-ভাবনা ছাড়াই একটি স্মার্টফোন পেতে পারি, সেভাবে করে একটি পুরাতন স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে হয় না। নতুন মোবাইল কোন একটি দোকান থেকে খুব সহজে নিশ্চিন্তে কিনতে পেলেও, পুরাতন মোবাইল কেনার ক্ষেত্রে আমাদের অনেক খোঁজাখুঁজি করতে হয়।

তবে আপনি কোন একটি পুরাতন মোবাইল যদি কিনতে চান, তবে বর্তমানে হয়তোবা এটি অনুসন্ধান করতে বেশি সময় লাগবে না। কেননা বর্তমানে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে অথবা ফেসবুক বিজ্ঞাপণে অনেকে পুরাতন মোবাইল বিক্রি করে। নতুন মোবাইল কেনার জন্য এক্ষেত্রে নির্ভরশীল একটি সাইট হতে পারে bikroy.com অথবা ফেসবুকের কোন গ্রুপ। কিন্তু আপনি অনলাইনে যেসব মানুষের কাছ থেকে পুরাতন বা সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল নামে যে ফোনটি ক্রয় করছেন এটি কি আসলেই আপনার জন্য নিরাপদ? এর আগে আপনি হয়তো বা এরকম কোন প্রশ্ন বা মতামত শোনেননি।

আপনি বিভিন্ন সাইট থেকে যে সেকেন্ডহ্যান্ড বা পুরাতন মোবাইল টি কিনলেন, এটি কি আপনাকে নিরাপদে থাকতে দিবে? এখানে অবশ্যই মোবাইলটি ব্যবহারে প্রযুক্তিগত কোন সমস্যার কথা বলছি না। আপনি সেই মোবাইলটি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে হ্যাং হয়ে যাবে বা কিছুদিন পর নষ্ট হয়ে যাবে এরকম কোন কথা নয়। পুরাতন বা সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল কিনলে আপনি যে এরকম সমস্যায় পড়তে পারেন এটি স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে পুরাতন মোবাইল কিনে আপনি কিন্তু জেলেও যেতে পারেন।

এখানে এই ব্যাপারটি শুনে আপনার হয়তো বা কিছুটা খটকা লাগলো। আপনি টাকা দিয়ে অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে অথবা কোন দোকান থেকে একটি পুরাতন মোবাইল কিনবেন; অথচ এই মোবাইলটি কেনার দায়ে আপনাকে গ্রেফতার করা হবে এবং জেলে দেওয়া হবে? ব্যাপারটি সত্যিই অনেক আশ্চর্যের। কিন্তু আপনি যদি এই বিষয়টি বুঝতে পারেন, তবে আগে থেকেই আপনি সাবধান হতে পারবেন। ‌ আজকের এই টিউনটির মাধ্যমে আমি আপনাদেরকে এই বিষয়টি সম্পর্কেই জানাতে চলেছি।

পুরাতন মোবাইল এবং নতুন মোবাইলের কেনার ক্ষেত্রে পার্থক্য

আমরা সকলেই চাই আমাদের কাছের একটি দামি স্মার্টফোন থাকুক। এ ক্ষেত্রে এটি হতে পারে আমাদের সৌখিনতা অথবা আমাদের স্ট্যাটাস দেখানোর জন্য। তবে কথা যাই হোক, সর্বশেষ আমাদের একটি দামি স্মার্টফোন থাকায় চাই। কিন্তু এই শখ পূরণ করতে গিয়ে আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেক সময় সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে না। আর এক্ষেত্রে তখন আমরা আমাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে সবচাইতে ভালো একটি স্মার্টফোন কেনার চেষ্টা করি।

এক্ষেত্রে আমাদের যে বাজেট রয়েছে, এটি দিয়েই আমরা নতুন অথবা পুরাতন মোবাইল খুঁজতে থাকি। এক্ষেত্রে আমাদের বাজেটের সঙ্গে মিল রেখে আমাদের চাহিদা অনুযায়ী যদি নতুন ফোন পাওয়া না যায়, তবে এক্ষেত্রে আমরা বিকল্প হিসেবে সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইলের খোঁজ করি। আর তখন আমরা ইউটিউব এর বিভিন্ন সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল কেনার ভিডিও দেখি এবং সেসব দোকান থেকে মোবাইল কেনার কথা চিন্তা করি। এক্ষেত্রে আমাদের ইউটিউবে দেখানো সে সব ভিডিও গুলো সব চাইতে বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়, কেননা সে সব ভিডিওতে দেখানো মোবাইল বিক্রেতা গুলোর একটি দোকান রয়েছে। যাইহোক আমি আপনাকে এই বিষয়টি সম্পর্কে টিউন এর মাঝে বলে দেবো।

আমরা যারা দীর্ঘদিন একটি স্মার্টফোন ব্যবহার করব বলে সিদ্ধান্ত নেই, তখন আমরা অবশ্যই নতুন একটি স্মার্টফোন কেনার কথা ভাবি। আমরা মোটেও চাইনা যে, কিছুদিন পরেই আমাদের পছন্দের স্মার্টফোনটি নষ্ট হয়ে যাক। আর ফোন নষ্ট হয়ে যাওয়ার মত পরিস্থিতি থেকে বাঁচার জন্য আমরা অবশ্যই নতুন একটি স্মার্টফোন শুরুতেই কিনে থাকি; কেননা নতুন স্মার্টফোন নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে না। এছাড়া অন্যান্য পরিস্থিতিকে বিবেচনা করেও আমরা অবশ্যই একটি নতুন স্মার্টফোন ক্রয় করে থাকি। তবে কথা যাই হোক, আমরা সকল সুবিধার কথা ভেবে চিন্তেই একটি নতুন স্মার্টফোন বাছাই করে থাকি।

পুরাতন মোবাইল আমরা কেন কিনতে চাই?

নতুন স্মার্টফোনের কোন অসুবিধা না থাকলেও একটি অসুবিধা হয়তো বা থেকেই যায়। আর এই অসুবিধাটি হচ্ছে, পুরাতন স্মার্টফোনের তুলনায় নতুন স্মার্টফোনের দাম অনেক বেশি। এক্ষেত্রে পুরাতন স্মার্টফোনের চাইতে প্রায় অর্ধেক এরও বেশি দামে একটি নতুন স্মার্টফোন আমাদেরকে কিনতে হয়। তবে একটি পুরাতন স্মার্টফোনের দাম কেমন হবে এটি নির্ভর করে অনেক কয়েকটি বিষয়ের উপর। এক্ষেত্রে এটি কতদিন ব্যবহার করা হয়েছে, বর্তমানে এটির পারফরম্যান্স কেমন, এটি কার কাছে থেকে নেওয়া হচ্ছে ইত্যাদি বিষয়ের উপর।

তবে আমরা যারা পুরাতন স্মার্টফোন ক্রয় করি, তাদের ক্ষেত্রে মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায় দামের বিষয়টি। এক্ষেত্রে আমরা দেখে থাকি একই দামে সেই মোবাইলের কনফিগারেশন। পুরাতন মোবাইল কেনার ক্ষেত্রে হয়তোবা এর পারফরমেন্সে কিছুটা ঘাটতি দেখা দেবে, এটি আমরা সবাই জানি। তবে দামি কোন স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে আমরা এই বিষয়টি তেমন কোন গুরুত্ব দেইনা। বরং কিছুদিন ব্যবহার করার পর যদি সেই মোবাইলটি বিক্রি করা হয়, তবে আমরা এটিকে আর সমস্যার কাতারে দেখিনা।

আমাদের কাছে যখন সব বিষয় মিলিয়ে সেই মোবাইলটি ভালো মনে হয়, তখনই আমরা একটি পুরাতন মোবাইল কেনার জন্য সিদ্ধান্ত নেই। এক্ষেত্রে সেই পুরাতন বা সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল কেনার ক্ষেত্রে আমাদের সামনে আর কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকেনা। তবে পুরাতন মোবাইল কেনার ক্ষেত্রে আপনাকে যে অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত, এটি আপনি হয়তোবা এতোদিন জানতেন না। আপনি অনলাইনে যেকোন একটি চমৎকার বিজ্ঞাপণ দেখে তাদের কাছ থেকে একটি স্মার্ট ফোন কম দামে কিনে নিলেন এবং সেটি ব্যবহার করতে শুরু করলেন; ব্যাপারটি এতটা স্বাভাবিক বিষয় নয়। বরং, এক্ষেত্রে আপনি আইনি জটিলতায় ও পড়তে পারেন।

আপনি কোন একটি পুরাতন স্মার্ট ফোন কিনে অপরাধী হয়ে জেলেও যেতে পারেন। যদিও আপনি এটি অনলাইনে কোন একটি বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট থেকে কিনেছেন, কিন্তু তবুও এক্ষেত্রে আপনাকে আইনি জটিলতায় পড়তে হবে এবং আপনাকে সেই মোবাইলটি হারাতে হবে। বন্ধুরা, এবার এই পয়েন্টে আমি এই বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করব।

পুরাতন বা সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল কিনে অপরাধী হয়ে যেভাবে আপনি জেলে যেতে পারেন

নতুন মোবাইল কেনার পরিবর্তে খুব অল্প টাকায় একই কনফিগারেশনের মোবাইল কিনে আপনি হয়তোবা অনেক বেশি খুশি হতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে এই খুশি আপনার দীর্ঘ স্থায়ী নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনাকে পরবর্তীতে পড়তে হতে পারে আইনি জটিলতায়। এমনকি এক্ষেত্রে পরবর্তীতে আপনাকে কারাভোগ করতেও হতে পারে। ব্যাপারটি আপনার কাছে অনেক জটিল মনে হচ্ছে, তাই না? যাইহোক, আমি আপনাকে বিষয়টি অনেক সহজ করে দিচ্ছি।

এক্ষেত্রে ধরুন, আপনি একটি নতুন স্মার্টফোন কিনলেন। এবার কোন দুর্ঘটনা ক্রমে কোথাও বেড়াতে গিয়ে আপনার মোবাইলটি ছিনতাই হয়ে গেল। এক্ষেত্রে আপনি তখন কি করবেন? এজন্য অবশ্যই পরবর্তীতে সেই বিষয়টি আপনি থানায় অবহিত করবেন এবং সেখানে আপনার হারিয়ে যাওয়া ফোনের জন্য ডায়েরি করবেন। এর পরবর্তীতে পুলিশের কাজ হবে আপনার ফোনটিকে খুঁজে বের করা।

এবার পুলিশ যখন আপনার ফোনটি পরবর্তীতে ডিজিটালি অনুসন্ধানের মাধ্যমে খুঁজে বের করবে, তখন অবশ্যই তার একজন ব্যবহারকারী পাবে। এক্ষেত্রে সেই ফোনটি যার কাছে পাওয়া গিয়েছে সে হবে অপরাধী। ‌এক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি সেই ফোনটি কোন মাধ্যম থেকে নিয়েছে বা কার কাছ থেকে পেয়েছে, এই বিষয়টি পরের কথা। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাজ হবে সেই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা অথবা সেই ব্যক্তির কাছ থেকে ফোনটি জব্দ করা। পরবর্তীতে আপনার মামলা অনুযায়ী অথবা পুলিশের মামলা অনুযায়ী সেই ব্যক্তি কে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং তার মাধ্যমে অপরাধী পর্যন্ত পৌঁছানো হবে।

এবার আপনি এই বিষয়টি হয়তোবা খুব সহজেই বুঝতে পেরেছেন। এভাবে করে আপনার যদি কোন এ স্মার্ট ফোন হারিয়ে যায় কিংবা ছিনতাই হয়ে যায়, তবে অবশ্যই আপনি সেটি থানায় ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পুলিশ আপনাকে সেই ফোনটি খুঁজে বের করে দেয়। এবারের যে ব্যক্তি আপনার ফোনটি ছিনতাই করেছে বা চুরি করেছে, সে কখনোই সেই ফোনটি ব্যবহার করবে না। এক্ষেত্রে সে জানে যে, সে যদি ফোনটি ব্যবহার করে, তবে পরবর্তীতে তাকে ধরে ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

আর এসব চিন্তা থেকেই সেই ছিনতাইকারী বা চোর ফোনটিকে অন্য কারো কাছে বিক্রি করে দেবে। এবার আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যে, অনলাইনে আপনি যদি কোনো পুরাতন ফোন কিনতে চান, তবে আপনিও তাদের টার্গেট হতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি ভরসা করেন bikroy.com এর কোন ওয়েবসাইট অথবা ফেসবুকের কোন গ্রুপ; তবে আপনি এক্ষেত্রে অবশ্যই প্রতারিত হতে পারেন। এক্ষেত্রে সেই বিক্রেতা আপনার কাছে কোন ধরনের ফোন বিক্রি করবে এটি হয়তোবা আপনার কাছে অজানা হতে পারে। আর তখনই আপনি পড়ে যেতে পারেন আইনি জটিলতায়।

সেই পুরাতন মোবাইল কেনার সময় আপনি যদি কোন কিছু না ভেবে আকর্ষণীয় দাম দেখেই ফোনটি ক্রয় করার কথা ভাবেন, তবেই আপনি ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে পারেন। কোন একজন ব্যক্তি কেন এত দামের ফোন আপনার কাছে এত কম দামে বিক্রি করবে তা নিশ্চয় আপনাকে ভাবতে হবে। আপনি যে তার কাছ থেকে ফোনটি কিনবেন, এটি হতে পারে কোন চোরাই ফোন অথবা ছিনতাইয়ের ফোন। এক্ষেত্রে সেই বিক্রেতা আপনার কাছে ফোন বিক্রির সময় হয়তোবা সেসব ফোনগুলোই বিক্রি করেছে। আর সেসব ফোনগুলো যাদের কাছ থেকে চুরি করা হয়েছে, তারা পরবর্তীতে যদি মামলা করে তবে চোরাই ফোন আপনার কাছে থেকে যাবার কারণে আপনি আসামি হয়ে যেতে পারেন।

চোরাই জিনিস কিনলেও কি অপরাধী হবেন?

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী কোন চোরাই জিনিস কারো কাছে থাকার অপরাধে সেও অপরাধী। এক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই আসামির তালিকায় যাচ্ছেন। তবে এক্ষেত্রে পরবর্তীতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আপনাকে যদি নির্দোষ ভেবে থাকে, তবে আপনাকে সেই মামলা থেকে অব্যাহতি ও দিতে পারে। তবে এক্ষেত্রে প্রথমে অবশ্যই আপনাকে আইনি ঝামেলায় পড়তেই হবে। আর আপনি কখনও মোটেও চাইবেন না যে, কোন এক পর্যায়ে আপনি মোবাইল কিনে আইনি ঝামেলায় পড়েন।

তবে এবার অনেক ক্ষেত্রে আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে, যদি আপনি কোন দোকান থেকে সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল কেনেন, তবে এক্ষেত্রে ও কি পরবর্তীতে ঝামেলায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে? এক্ষেত্রে অবশ্যই পরবর্তীতে আপনার পরবর্তীতে ঝামেলাতে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও সেই দোকান থেকে আপনাকে একটি ক্রয় রশিদ দিয়ে দিবে। ‌কিন্তু এক্ষেত্রে এটি সেই মোবাইলটি আপনার কাছে বৈধ হয়ে যাবার কোন ডকুমেন্ট নয়। এক্ষেত্রে সেই দোকানদার আপনার ক্ষেত্রে কৌশল অবলম্বন পারে।

অনেক সময় আমরা সংবাদমাধ্যমে দেখতে পারি যে, অনেক মোবাইল বিক্রেতা ও চোর চক্রের সঙ্গে জড়িত। পরবর্তীতে তাদেরকে অনুসন্ধানের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা হয়। এক্ষেত্রে আপনি যে দোকান থেকে ফোনটি ক্রয় করেছেন, সেই দোকানদারের যে তাদের সঙ্গে জড়িত নয়, এমনটি বোঝার উপায় নেই। তাই এক্ষেত্রে সেই দোকানদার ও তাদের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

এক্ষেত্রে আপনি যে দোকান থেকে মোবাইল কিনবেন, সে আপনার কাছে বিক্রি করা মোবাইলটি কোথায় থেকে নিয়েছে সেটি তার ব্যাপার। তবে ভবিষ্যতে যে আপনি এবং সেই বিক্রেতা ফেঁসে যাবেন এটিই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে ক্রয় রশিদ দেখিয়ে প্রথমেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে চলে যাবার কোনো সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আর যদি মোবাইল ছিনতাই করার সেই কেসটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে, তবে আপনি অবশ্যই তখন পুলিশের কাছে গ্রেফতার অবস্থায় থাকবেন। যেমন ধরুন, কোন ব্যক্তি কে খুন করে তার কাছ থেকে মোবাইলটি নেওয়া হয়েছে।

এবার আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যে, কিভাবে আপনি কোন অপরাধ না করেও অপরাধীর তালিকায় চলে যেতে পারে। এক্ষেত্রে পরবর্তীতে আপনাকে আইনি জটিলতায় পড়তে হবেই তো; বরং এতে করে আপনি আপনার সেই মোবাইলটি ও হারাবেন। তো এবার আপনার এসব আলোচনা থেকে মনে হতেই পারে যে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিভাবে কোন একটি ফোনটি খুঁজে বের করে?

চুরি হওয়া ফোন তারা কিভাবে বের করে?

আপনারা সংবাদমাধ্যমে অনেক সময় দেখে থাকবেন যে, কোন একটি ফোন চুরি হয়ে গেলে সেটি পরবর্তীতে পুলিশ খুঁজে বের করতে পারে। তবে এখানে প্রশ্নের বিষয় হচ্ছে, তারা কিভাবে পরবর্তীতে সেই ফোনটি খুঁজে বের করে। যেখানে সেই ফোনে না কোন সিম থাকে। বরং সেই পুরাতন সিম ফেলে দিয়ে নতুন একটি সিম তুলে সেই ফোনটি আবার ব্যবহার করা হয়। এবার আমি আপনাকে এই বিষয়টি সম্পর্কে কিছুটা ধারনা দেবার চেষ্টা করছি।

প্রত্যেকটি মোবাইলের একটি ইউনিক IMEI (আইএমইআই) নাম্বার থাকে। IMEI (আইএমইআই) এর পূর্ণরূপ হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টেকটিউনস (International Mobile Equipment Identity)। পৃথিবীতে যত মোবাইল রয়েছে সেগুলোর প্রত্যেকের নাম্বার ভিন্ন। এক্ষেত্রে কোন একটি মোবাইল থেকে সিম আলাদা করলেও সেই ইউনিক আইএমইআই নাম্বারকে আলাদা করা যায় না। এবার আপনি যে আপনার মোবাইল থেকে কোন একজন ব্যক্তিকে কল দেন, এক্ষেত্রে আপনার মোবাইল নাম্বারটি কিন্তু অপারেটরের ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে। এক্ষেত্রে আপনি কোন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছেন, এটা কিন্তু তারা খুব সহজেই ট্র্যাকিং করতে পারবে।

এই জিনিসটি আপনি নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন। তবে আপনি যখন কোন ব্যক্তির ফোনে কল দেন, তখন আপনার মোবাইল নাম্বারটি তাদের সঙ্গে শেয়ার হবার পাশাপাশি আপনার মোবাইলের আইএমইআই নাম্বার টিও তাদের ডাটাবেজে চলে যায়। এক্ষেত্রে আপনি কোন মোবাইল থেকে ফোন দিয়েছেন এটিও তারা দেখতে পারে। যদিও আপনার মোবাইলের আইএমইআই নাম্বার দিয়ে তারা আপনার মোবাইলকে শনাক্ত করে কোন স্বার্থ হাসিল করতে পারবে না, কিন্তু আপনার পরিচয় জানার জন্য অবশ্যই আপনার মোবাইলের আইএমইআই নাম্বার তাদের কাছে সংরক্ষিত রাখা জরুরি। আপনার মোবাইলের আইএমইআই নাম্বার তাদের কাছে সংরক্ষণ করে রাখা কেন জরুরি, এর সম্পর্কে আমি আপনাকে একটি ধারণা দিচ্ছি।

আপনার আইএমইআই নাম্বার সিম অপারেটররা কেন জমা করবে?

আমরা প্রতিদিন একে অন্যের সাথে অনেক আলাপ আলোচনা করে থাকি, মোবাইলে সরাসরি কল করে অথবা এসএমএস এর মাধ্যমে। এক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে কল চলে আসলে, প্রথমে পরিচয় শনাক্ত হিসেবে আমরা সেই নাম্বারটি কে ধরে নেই। কিন্তু সেই নাম্বার থেকে কোন ব্যক্তি কল করেছে অথবা কোন মোবাইল থেকে কল করা হয়েছে এটি কিন্তু আমরা প্রথমেই নির্ধারন করতে পারিনা। আর এজন্য অবশ্যই আমাদের সে সময় তাঁর কণ্ঠ শুনতে হয়। এছাড়া এসএমএসের মাধ্যমে কোন বার্তা দেওয়া হলে এক্ষেত্রে তার আসল পরিচয় খুঁজে পাওয়া যাবে না, যদি সেই সিম টি ব্যবহার করে অন্য কেউ অন্য মোবাইল থেকে আপনাকে এসএমএস করে।

এছাড়া কোন একজন ব্যক্তি যদি কারো মোবাইল থেকে সিম খুলে নিয়ে নিজের মোবাইলে তুলে কাউকে হুমকি দেয়, তবে এ ক্ষেত্রে হুমকি প্রাপ্ত ব্যক্তি অবশ্যই সেই নাম্বারের মালিকের নামে মামলা করবে। এক্ষেত্রে সে হয়তো বা এটি বুঝতে পারবে না যে, সেই সিম টি অন্য কেউ একজন তার মোবাইলে তুলে তাকে হুমকি দিয়েছে। এছাড়া কোন একজন ব্যক্তি সুপার এডিটের মাধ্যমে ও কোন ব্যক্তির কথা কে নকল করতে পারে। পরবর্তীতে সেই ব্যক্তি সিমটি খুলে দিয়ে অন্য একজন ব্যক্তি কে হুমকিও দিতে পারে। এক্ষেত্রে অবশ্যই হুমকি প্রাপ্ত ব্যক্তি সেই আসল মালিকের নামেই পুলিশের কাছে অভিযোগ করবে।

আর তখনই পুলিশের কাজ হবে আসল ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, যে ব্যক্তি আসলে তাকে হুমকি দিয়েছিল। এক্ষেত্রে অবশ্যই পুলিশকে তখন আইএমইআই নাম্বার এর সাহায্য নিতে হবে। কোন একজন ব্যক্তি যদি কারো সিম তুলে নিয়ে নিজের ফোন থেকে কল করে, তবে সেই কলের সঙ্গে আইএমইআই নাম্বার ও অপারেটর এর সঙ্গে শেয়ার হয়। এবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেই নাম্বারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখবে যে, আসল মালিক এর মোবাইলের আইএমইআই নাম্বার এর সঙ্গে এটি মেলে কিনা। এক্ষেত্রে সেই আইএমইআই নাম্বার এর সঙ্গে যদি না মেলে, তবে স্বাভাবিক ভাবে তখন সন্দেহের তালিকায় অন্যদিকে যাবে।

এবার পরবর্তীতে অনুসন্ধান করার দরকার হলো, সেই আইএমইআই নাম্বার যুক্ত মোবাইল কে খুঁজে বের করা। এক্ষেত্রে পরবর্তীতে সেই মোবাইল থেকে যখন কারো কাছে কল করা হবে, তখন তাদের কল হিস্টোরি থেকে অবশ্যই সেই ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব। আপনি এখানে ব্যাপারটি হয়তোবা খুব সহজেই বুঝতে পেরেছেন। তবে এবার আবার চলে আসা যাক যে, সেই চুরি হয়ে যাওয়া ফোন তারা কিভাবে বের করে।

এছাড়া একই পদ্ধতি ব্যবহার করে কোন একজন ব্যক্তি অন্য কারো নামে সিম তুলে নিয়ে নিজে ব্যবহার করে কাউকে হুমকিও দিতে পারে। এছাড়া গ্রামের কোন অশিক্ষিত মানুষের জাতীয় পরিচয় পত্র ব্যবহার করে কোন একজন ব্যক্তি সিম তুলে নিতে পারে। যে বিষয়টি আমরা অনেক প্রতারণার সংবাদে দেখতে পারি। কোন একজন ব্যক্তি একটি সিম কিনতে গিয়ে অজান্তেই দুইটি সিম রেজিস্ট্রেশন করে আসে। এক্ষেত্রে পরবর্তীতে সেই সিমটি দিয়ে কারো কাছ থেকে টাকা দাবি করে পরবর্তীতে সেই মোবাইলে অন্য কোন সিম তুললেও তাকে ধরে করা সম্ভব।

এক্ষেত্রে এখানে তার কৌশল কাজে দেবে না। ‌সে প্রথমে যে সিম তুলে কারো সঙ্গে কথা বলেছিল, সেখান থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীরা তার মোবাইলের আইএমইআই নাম্বার জোগাড় করতে পারবে। এর পরবর্তীতে সেই আইএমইআই নাম্বার দিয়ে পরবর্তী কল গুলো এর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে যে, সেই ফোনের সঙ্গে আর কোন সিম তোলা হয়। এক্ষেত্রে পরবর্তীতে তাকে আবার ধরে ফেলা যাবে। এবার এখানে ব্যাপারটি আপনার কাছে অনেক সহজ মনে হচ্ছে, তাই না?

চুরি হয়ে যাওয়া ফোন বের করার পদ্ধতিঃ

এক্ষেত্রে চুরি হয়ে যাওয়া ফোন বের করার জন্য অবশ্যই আপনার মোবাইলের আইএমইআই নাম্বার টি পুলিশ নিয়ে নিবে। পরবর্তীতে আপনার ফোন থেকে যখন কোনো একজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা হবে, তখন খুব সহজেই তাদেরকে ট্র্যাকিং করার মাধ্যমে সেই অবস্থান খুঁজে বের করতে পারবে। এক্ষেত্রে পরবর্তীতে সেই ফোনে থাকা সিমের নাম্বার খুঁজে পেলেই তাদের চলবে। পরবর্তীতে সেই ফোনের লোকেশন খুঁজে পাবার জন্য তারা সেই সিমকে ট্র্যাকিং করবে। আর এভাবে করে মূলত পুলিশ কোন একজন ব্যক্তির চুরি হয়ে যাওয়া ফোন কে খুঁজে বের করে।

এছাড়া পুলিশ ফোন খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে আরও ভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে। এক্ষেত্রে তাদের ব্যবহার করা প্রযুক্তি হয়তোবা আমাদের অজানা। কেননা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আমাদের চাইতেও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধীদেরকে খুঁজে বের করার জন্য। চুরি হয়ে যাওয়া ফোন খুঁজে বের করার এই প্রক্রিয়াকে আপনি হয়তো বা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেখে থাকবেন। যেখানে বিভিন্ন অপরাধীদেরকে ট্র্যাকিং করার মাধ্যমে খুঁজে বের করা হয়।

আমার দেখা বাস্তব অভিজ্ঞতাঃ

আমাদের গ্রামের একজন লোক কোথায় থেকে জানি অনেক কম দামে সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল কিনেছিল‌। পরবর্তীতে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ফোন দেয়া হয়েছিল এবং বলা হয়েছিল এটি তাদের কাছে গিয়ে জমা দিতে। পরবর্তীতে তাকে সেই ফোনটি পুলিশের কাছে গিয়ে জমা দিতে হয়েছিল এবং মাঝখান থেকে সে সেই ফোনটি কেনার টাকাটা হারিয়েছে। এছাড়া সেই ফোনটি নিয়ে কয়েকদিন তার দৌড়াদৌড়ি তো ছিলই।

তাহলে কি আমরা পুরাতন মোবাইল কিনব না?

এত আলোচনা-সমালোচনা থেকে এবার আপনার মনে হতে পারে যে, পুরাতন ফোন কি আপনি তবে কিনবেন ই না? এক্ষেত্রে আমি অবশ্যই আপনাকে নিষেধ করব না। কেননা সব ফোন তো আর চুরি বা ছিনতাই করে নিয়ে আসা হয় না। এক্ষেত্রে আপনি আপনার পরিচিত জনদের কাছ থেকে তাদের ব্যবহৃত ফোন ফোন অনায়াসেই কিনে দিতে পারেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই মোবাইল কিনার সময় তাদের বৈধ কাগজপত্র দেখে নিবেন।

বৈধ কাগজপত্র ব্যতীত শুধুমাত্র সে অন্য কারো কাছ থেকে ফোন কিনে নিয়ে আপনার কাছে বিক্রি করলে তা নিবেন না। এক্ষেত্রে তার কাছে সেই ফোনের কাগজপত্র থাকলে আপনি তার কাছ থেকেও নিতে পারেন। ‌ তবে কাগজপত্র ব্যতীত শুধুমাত্র মুখের কথায় তার ওপর অতটা বিশ্বাস করা উচিত হবে না; যদি সেই ব্যক্তি আপনার কাছে তেমন পরিচিত না হয়ে থাকে। আপনাকে যদি কোনো পুরাতন মোবাইল বাছাই করতে হয়, তবে মোবাইল কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি আপনার পরিচিত জনদের কাছ থেকে সেটি নেবেন।

আপনি যদি কোন পরিচিত জন এদের কাছ থেকে এমন কোন মোবাইল নেন, যেটি সেও অন্য কারো কাছ থেকে কিনে নিয়েছে; তবে এমন সব মোবাইল না নেওয়াই ভালো। কেননা এমনও হতে পারে, আপনি যার কাছ থেকে মোবাইলটি নিচ্ছেন, সেও মোবাইল সম্বন্ধে কিছু জানেনা। বরং, সেই ব্যক্তি ও হয়তোবা প্রতারণার শিকার হয়েছে; কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ধরার আগেই আপনার কাছে ফোনটি বিক্রি করে দিতে এসেছে।

পুরাতন ফোন নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতাঃ

পুরাতন ফোন নিলেই যে আপনি অপরাধী হয়ে যাবেন বিষয়টি তা নয়। বরং, আপনি যদি সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল নেবার ক্ষেত্রে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করেন, তবে আপনি আইনি জটিলতা থেকে পরবর্তীতে বাঁচতে পারেন। এরমধ্যে সতর্কতামূলক হিসেবে যা করবেন, যেমনঃ

  • আর কোন পুরাতন বা সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল কেনার সময় অবশ্যই অনলাইন প্লাটফর্ম এড়িয়ে চলবেন।
  • পরিচিতজন ব্যতীত অন্য কারো কাছ থেকে নিবেন না।
  • বৈধ কাগজপত্র দেখে নিবেন।
  • অবিশ্বাস্য দামে লোভে পড়ে কোন ফেসবুক গ্রুপ থেকে কিনতে যাবেন না

আপনি যদি উপরোক্ত কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে কোন সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল কিনতে যান, তবে এক্ষেত্রে আপনি পরবর্তীতে ঝামেলার হাত থেকে বাঁচতে পারবেন। ‌এছাড়া কোনো পুরাতন মোবাইল ফোন কেনার ক্ষেত্রে আপনার সচেতনতাই হবে সবচাইতে বেশি বড় কাজ।

শেষ কথা

বর্তমান সময়ে আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে অথবা আমাদের প্রয়োজনের তাগিদে একটি স্মার্টফোন অবশ্যই দরকার। তবে আমাদের নিজেদের চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে আমরা যেন কখনও ভবিষ্যতে বিপদের সম্মুখীন না হই, সেই বিষয়টিও আমাদের মাথায় রেখে কাজ করা দরকার। আমাদের অবশ্যই এটি মাথায় রাখা দরকার যে, আমাদের চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে কম টাকায় স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে যেন ভবিষ্যতে আইনি জটিলতায় না পড়ি। আর সেই বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা যদি একটি স্মার্টফোন ক্রয় করি, তবে আমরা ভবিষ্যতে কোনো ঝামেলায় জড়াবো না ইনশাআল্লাহ।

আজ তবে এ পর্যন্ত বলেই শেষ করছি। আসসালামু আলাইকুম।

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *