ঢাকা, বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
আগের জমানার আফগান পাসপোর্ট, পরিচয়পত্র বদলে দেবে, কী থাকবে, জানাল তালিবান
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

আগের জমানার আফগান পাসপোর্ট, পরিচয়পত্র বদলে দেবে, কী থাকবে, জানাল তালিবান

পূর্বতন  জমানার আফগান পাসপোর্ট (afghan passport), জাতীয় পরিচয়পত্র (national identity card) বদলে ফেলবে বলে জানাল তালিবান (taliban)। যদিও আগের সরকারের দেওয়া পাসপোর্ট, আইডেনটিটি কার্ড আপাততঃ বৈধ নথি বলে গ্রাহ্য হবে। স্থানীয় খামা প্রেস নিউজ এজেন্সি তালিবান মুখপাত্র তথা তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক ডেপুটি মন্ত্রী জাবিউল্লা মুজাহিদকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, নতুন পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচিতিপত্রে  আফগানিস্তানের ‘ইসলামি আমিরতন্ত্র’ (islamic emirate) কথাটা লেখা থাকতে পারে। অর্থাত দেশের জাতীয় পরিচিতিতে ইসলামের চিহ্ন (islam) রেখে দিতে চায় তালিবান।


আফগানিস্তানে এখনও পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র দপ্তরের অফিস বন্ধ রয়েছে। যারা তাঁদের বায়োমেট্রিক করিয়েছেন, তাঁরাই এই নথি পেতে পারেন বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা।
তালিবান দেশের ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বেশ কিছু বদল ঘটিয়ে ফেলেছে। যেমন নারী সংক্রান্ত মন্ত্রক তুলে দিয়ে চালু করেছে প্রার্থনা ও গাইডেন্স ও সত্ গুণাবলীর প্রসার তথা অন্যায় দমন  মন্ত্রক, মেয়েদের স্কুলে যেতে দিচ্ছে না। অপরাধ দমনের দাওয়াই হিসাবে দাবি করে হাত পা কেটে নেওয়া, মৃত্যুদণ্ডের মতো মধ্যযুগীয়, বর্বর প্রথা চালু হয়েছে ফের।

শনিবার পশ্চিম আফগানিস্তানের হেরাট শহরের মূল চৌমাথায় এক ব্যক্তির মৃতদেহ ক্রেনে ঝুলিয়ে দেয় তালিবান। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত আফগানিস্তানে ক্ষমতায় থাকাকালে তালিবান এভাবেই বিরোধীদের শাস্তি দিত।  হেরাটের ডেপুটি গভর্নর শের আহমেদ আম্মার জানান, তালিবান অপহরণে অভিযুক্ত চারজনকে খুন করে এধরনের অপরাধ থেকে বিরত থাকার হুঁশিয়ারি  দিতে তাদের লাশ প্রকাশ্যে ক্রেনে ঝুলিয়ে দেয়। চারজন এক স্থানীয় ব্যবসায়ী ও তাঁর ছেলেকে অপহরণ করে শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়ার প্ল্যান করেছিল। কিন্তু চেকপোস্টে ধরা পড়ে যায়। চারজনই গুলি বিনিময়ে নিহত হয়। এক তালিবান জঙ্গি জখম হয়। অন্য অপহরণকারীরা যাতে শিক্ষা নেয়, সেজন্যই ওদের লাশ মূল চৌমাথায় এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলে জানান ডেপুটি গভর্নর।


তালিবানের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম, মোল্লা নুরুদ্দিন তুরাবি চলতি সপ্তাহেই জানান, তালিবান আবার খুন-হত্যা চালাবে, হাত-পা কেটে নেবে, যদিও জনসমক্ষে নয়। তালিবান শেষ যখন আফগানিস্তান শাসন করত, তখন তাদের তরফে কঠোর ইসলামিক বিধিনিষেধ রূপায়ণের মূল দায়িত্ব ছিল তুরাবির ওপরই।

এই প্রেক্ষাপটেই একাধিক দেশ জানিয়ে দিয়েছে, কাবুলে তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রশ্নটি নির্ভর করছে তারা মানবাধিকারের মর্যাদা পালন করে কিনা, তার ওপর ​।খবর দ্য ওয়ালের/এনবিএস/২০২১/এক

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *