ঢাকা, রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি ফোনের জন্য কতটা নিরাপদ? যেটি আপনার অবশ্যই জানা জরুরি | Techtunes
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :


আসসালামু আলাইকুম। বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি আপনারা সকলেই আল্লাহর রহমতে অনেক বেশি ভালো আছেন। বর্তমানে আমাদের সকলের কাছেই রয়েছে স্মার্টফোনটি এবং আমাদের হাতে থাকা ফোনটি হয়তোবা ফাস্ট চার্জিং সাপোর্টেড।

বর্তমানে আমরা স্মার্ট ফোন সম্বন্ধে অনেক জানি। যেখানে আমাদের মোবাইলের ব্যাটারি নিয়ে অনেক প্রশ্ন এবং কৌতূহল ছিল এবং বর্তমানেও রয়েছে। স্মার্টফোনের ব্যাটারি নিয়ে এসব প্রশ্নের কোন একটির উত্তর হয়তোবা আমাদের এখনও জানা হয়নি। তবে এসব ব্যাপার গুলোর মধ্যে আমরা কিছু বিষয়গুলো জানি। যেমন ব্যাক কভার ব্যবহার করে সেসময় মোবাইল চার্জ দেওয়া উচিত নয়; এতে করে মোবাইল গরম হয়ে যায়, আমরা জানি মোবাইল চার্জ দেওয়ার সময় অরিজিনাল চার্জার এবং ডাটা ক্যাবল ব্যবহার করা উচিত।

এছাড়া ফোনের ব্যাটারি কে ভালো রাখার জন্য, ফোন চার্জ দিতে দিতে ফোনে গেম খেলা কিংবা অন্য কোনো ভারী কাজ করা উচিত নয়। এছাড়া আমরা মোবাইল সম্বন্ধে আরও অনেক কিছু জানি। কিন্তু এসবের বাইরেও অনেক প্রশ্ন রয়ে গেছে যেগুলো আমরা এখন পর্যন্ত জানিনা। আজকের এই টিউনে আমি সেরকমই কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। আজকের এই টিউনে আমি আলোচনা করব ফাস্ট চার্জিং কে নিয়ে।

মোবাইলের ব্যাটারি নিয়ে কিছু কথাঃ

আমরা টাকা-পয়সা খুবই হিসাব করে খরচ করে থাকি এবং খুবই অল্প অল্প করে খরচ করি। কেননা আমাদের কাছে অনেক সময় টাকা পয়সা অনেক কম থাকে। ঠিক যেরকম ভাবে আমাদের ফোনে ব্যাটারি কম থাকে। আমাদের ফোনের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর দিনদিন অনেক উন্নতি হচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত বাজারে বিভিন্ন ফিচার যুক্ত ফোন চলে আসছে, কিন্তু ব্যাটারির ক্ষেত্রে যে রকম ছিল সেরকমই প্রায় রয়েছে। ব্যাটারির ক্ষেত্রে সামান্যতম কিছু ক্যাপাসিটি বেড়েছে বা সাইজ বেড়েছে; ব্যাটারির ক্ষেত্রে আর বেশি উন্নতি হয়নি।

আমাদের স্মার্টফোনের ব্যাটারি খুবই কম থাকার কারণে আমাদেরকে ব্যাটারিও কম খরচ করতে হয়। এতে করে আমাদেরকে সারাক্ষণ চিন্তা করতে হয় আমাদের ব্যাটারির স্বাস্থ্য কেমন আছে, ব্যাটারির স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাচ্ছে না তো। আর এসব চিন্তা থেকেই আমাদের মাথায় চলে আসে মোবাইলে যে ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজিতে এসেছে, সেটি কি মোবাইলের ব্যাটারির জন্য নিরাপদ? মোবাইলে ফাস্ট চার্জিং এর ফলে কি ব্যাটারি ব্লাস্ট হতে পারে বা এতে করে মোবাইলের ব্যাটারির কোন খারাপ প্রভাব পড়ে কিনা, ব্যাটারির যে জীবনকাল তার ওপর কোনো প্রভাব পড়ে কিনা ইত্যাদি এসব বিষয়গুলো আমাদের মাথায় চলে আসে ফাস্ট চার্জিং এর কথা চলে আসলে‌। তবে এই টিউনে আমি আপনাদের সাথে এসব বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা করব এবং এজন্য আমাদেরকে শুরু থেকে মোবাইলে চার্জ দেবার বিষয়টিকে জানতে হবে।

সাধারণভাবে মোবাইলের ব্যাটারি তে কিভাবে চার্জ দিতে হবে?

ব্যাটারির Fast charging নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদেরকে ব্যাটারিতে সাধারণভাবে চার্জ দেওয়া নিয়ে আমাদের কিছু জানা দরকার। নতুন একটি মোবাইল কেনার পর আমাদের মাথায় একটি প্রশ্ন বারবার আসতে থাকে যে, মোবাইলটি নিয়ে আসার পর কতক্ষণ চার্জ দেবো। মোবাইলটি সারারাত চার্জ দিব, নাকি পুরো একদিন চার্জ দিব, নাকি ফোনটা মাত্র কয়েক ঘন্টা চার্জে দিয়ে নেব। বরূ, আসলে এর কোনোটিই নয়। আপনি যখন নতুন মোবাইল কিনে বক্স খুলবেন, তখন দেখবেন মোবাইলে ইতিমধ্যেই চার্জ কিছুটা রয়েছে।

তার মানে, মোবাইলে চার্জ থাকার অর্থ হলো, ফোনটিতে বারবার চার্জ দিয়ে সেটি পরীক্ষা করা হয়েছিল। তাই এতদিন পরেও ফোনটি খুললেও আপনি ফোনে চার্জ দেখতে পাচ্ছেন। তাই এজন্য প্রথমবার মোবাইলের চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে কি করতে হবে, এটা নিয়ে আর উদ্ভিগ্ন হতে হবে না। আপনার মোবাইলে প্রথমবার চার্জ দেবার দায়িত্ব কোম্পানি আপনার উপর ছেড়ে দেয়নি। বরং, আপনার মোবাইলটিকে প্রথমবার চার্জ দেবার দায়িত্ব কোম্পানি নিজেই বুঝে নিয়েছিল‌ এবং তারা সেখানে আপনার মোবাইলে পরিপূর্ণ চার্জ করে ও ডিসচার্জ করে পরীক্ষা করেছিল।

তাই প্রথমবার মোবাইল কিনে নিয়ে আসার পর আপনি স্বাভাবিকভাবে যেরকম ভাবে চার্জ করবেন, সে রকম ভাবেই মোবাইলে চার্জ করতে পারেন। তবে আপনি আপনার মনের শান্তির জন্য প্রথম বার মোবাইলে সারারাত অথবা সারাদিন চার্জ করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি টানা কয়েকদিন পর্যন্ত ও করতে পারেন। ‌আর এখানেই প্রশ্ন আসে যে, এভাবে করে টানা কয়েকদিন মোবাইলে চার্জ করলে ফোনের কোন ক্ষতি হবে না?

বেশি চার্জ দিলে কোন ক্ষতি হবে কি?

মোবাইলে অতিরিক্ত চার্জ দিলে কোন ক্ষতি হবে না। এই সমস্যা টি আগেকার ফোনের ব্যাটারি গুলোতে হত। আপনি তখন খেয়াল করলে দেখতে পেতেন, মোবাইলের ব্যাটারি ফুল চার্জ হয়ে গেলে তখন মোবাইল স্ক্রিনে ভেসে উঠতো, আপনার মোবাইলে ফুল চার্জ হয়ে গিয়েছে এবং এজন্য প্লাগ আউট দিন বা চার্জারটি ডিসকানেক্ট করুন। কিন্তু বর্তমানের ব্যাটারি টেকনোলজি এবং চার্জার টেকনোলজি এতটাই উন্নত হয়েছে যে, যখন মোবাইলে ফুল চার্জ হয়ে যায়, তখন ব্যাটারি থেকে এবং চার্জার থেকে চার্জ দেওয়া ডিসকানেক্ট হয়ে যায়। ‌যার ফলে আপনার ফোনে কখনোই অভার চার্জ কখনোই হবে না।

আর এক্ষেত্রে আপনি ফোন চার্জে দিয়ে নাকে তেল দিয়ে ঘুমান। যত ইচ্ছা আপনার মোবাইল চার্জে রেখে দিন, এতে করে কোনো সমস্যাই হবে না। এছাড়া আবার এখানে আরো একটি প্রশ্ন আসতে পারে যে, চার্জ দেবার ক্ষেত্রে কি ব্যাটারী পুরোপুরি খালি করা উচিত। অর্থাৎ, মোবাইলে চার্জ দেবার ক্ষেত্রে চার্জ কি ০ শতাংশ তে আনা উচিত? অনেকের কাছে আপনি এরকম উপদেশ শুনতে পাবেন যে, মোবাইলের চার্জ মাসে একবার, কয়েক মাসে একবার বা বছরে একবার পুরোপুরি খালি করা উচিত।

ব্যাটারি পুরোপুরি খালি করা উচিত এজন্য যাতে করে ব্যাটারি আবার তার আগের অবস্থানে ফিরে আসতে পারে বা Battery recalibrate করতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে আমি বলব, বর্তমান দিনের ব্যাটারি যে পর্যায়ে এসেছে, তাতে করে ব্যাটারি টি আবার আগের পর্যায়ে আনার জন্য বা রিকভার করার জন্য ০% তে আনার দরকার নেই। বরং, এভাবে করে ব্যাটারি Battery recalibrate বা পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করার কারণে আরও বরং ক্ষতি হতে পারে। আপনার ফোনের ব্যাটারির চার্জ যখন ০% তে এসে গেল তখন আপনার ফোনের ব্যাটারি তে কিছু কেমিক্যাল রিঅ্যাকশন হতে পারে। যার ফলে এটি আপনার ব্যাটারি লাইফের ওপর প্রভাব ফেলে।

আর এজন্য আপনার মোবাইলের চার্জ কখনোই ০% করবেন না, যদি না আপনি কোন বিপদে পড়েন। বরং, চার্জ দেবার ক্ষেত্রে আমার মতামত থাকবে, ব্যাটারির চার্জ ৩০% এর নিচে চলে আসলেই আপনি মোবাইল টিকে চার্জে দিবেন। এতে করে যে আপনার মোবাইলের ব্যাটারির ওপরে একটি দাগ পড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকতো, সেটি আর পরবে না। এর ঠিক উল্টো দিকের প্রশ্ন হতে পারে যে, আমাদের ফোনটি ৮০% করে চার্জ দিব নাকি ১০০% পূর্ণ করে চার্জ দেব? এবার তাহলে আমরা ফাস্ট চার্জিং এর বিষয়ে চলে যাই, আর তাহলেই এই বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি

একটা সময় ছিল যখন মোবাইলে চার্জ করার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হত। আমরা সারাদিন মোবাইল ব্যবহার করলেও মোবাইলে চার্জ দেবার সময় সেই অতিরিক্ত সময়টুকু আমাদের থাকেনা। যে কারণে আমরা এমন কি মোবাইল চার্জে রেখে চালাতে থাকি। আর তখন আমরা চাই কিছুক্ষণের মধ্যে যেন আমাদের ফোনটি চার্জ হয়ে যায়। আর এসব সমস্যা থেকেই মোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে এসেছে ফাস্ট চার্জিং সুবিধা যুক্ত মোবাইল।

ফাস্ট চার্জিং সুবিধাযুক্ত মোবাইলে খুবই কম সময় অনেক দ্রুত গতিতে ব্যাটারীতে চার্জ করা যায়। যে কারণে আমাদের অনেক সময় বেঁচে যায়। যে চার্জার দিয়ে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক দ্রুত গতিতে চার্জ করা যায় সেটিকে আমরা ফাস্ট চার্জার বলে থাকি। তবে ফাস্ট চার্জার দিয়ে মোবাইলে চার্জ করার জন্য অবশ্যই সেই মোবাইলটিকে Fast charging সাপোর্টেড থাকতে হয়। যদি মোবাইলটি Fast charging সাপোর্টেড না হয়, তবে সেটিতে ফাস্ট চার্জার দিয়ে চার্জ দিলে ও সেটিতে স্বাভাবিকের মতো করে চার্জ হবে।

বর্তমানে ফাস্ট চার্জিং এতটাই উন্নত হয়েছে যে, প্রতিটি কোম্পানি তাদের ফোনে Fast charging সুবিধা নিয়ে আসছে। তবে ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তিকে বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন নামে ডেকে থাকে। কেউ এটিকে বলে quick charger, adaptive fast charger, rapid charger ইত্যাদি সকল নামে। বর্তমানে আমরা ১৮ ওয়াট থেকে শুরু করে ১০০ ওয়াট পর্যন্ত Fast charging সুবিধা পাচ্ছি। তবে এত সব পার্থক্যের পরেও সব প্রযুক্তি কিন্তু একই।

তবে কিছুদিন আগে শাওমি ঘোষণা দিয়েছে যে তাদের নতুন ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তিতে ৪০০০ এমএইচ এর ব্যাটারি যুক্ত একটি মোবাইলে ২০০ ওয়াট চার্জার থাকবে এবং যেটি দিয়ে মাত্র ৮ মিনিটে সম্পূর্ণ চার্জ করা যাবে। এছাড়া এই ফোনটিতে ওয়্যারলেস চার্জার এর মাধ্যমে চার্জ দিতে সময় লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট। এতসব আলোচনা তো গেল Fast charging নিয়ে ধারণা মাত্র। তবে ফাস্ট চার্জিং এর মাধ্যমে আমাদের ফোনের কোন ক্ষতি হয় কিনা সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করব।

ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি মোবাইলের ব্যাটারির কোন ক্ষতি করে কি?

ফাস্ট চার্জিং মোবাইল এর ব্যাটারির ক্ষতি করে কিনা এই প্রশ্নের উত্তরে দুটি উত্তর হতে পারে। এখানে বলা যেতে পারে ব্যাটারির ক্ষতি হয় আবার হয়ও না। তবে আমি এখানে আপনাদেরকে এই বিষয়টিকে ধোঁয়াশা রাখবো না। ফাস্ট চার্জিং এর মাধ্যমে মোবাইলে চার্জ দিলে ফোনের ক্ষতি হবে কিনা এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব। ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের মোবাইলের ব্যাটারির ক্ষতি হয় কিনা এটিকে সঠিক ভাবে অবলোকন করার জন্য আমাদেরকে Fast charging যুক্ত মোবাইল কে দেখতে হবে। আর তাহলেই আমরা এই বিষয়টিকে কিছুটা হলেও বুঝতে পারব।

আপনি দেখে থাকবেন, ফাস্ট চার্জিং এর মাধ্যমে মোবাইল চার্জ করলে প্রথম দিকে চার্জ অনেক দ্রুত হয়। ফাস্ট চার্জার দিয়ে চার্জ দিলে দেখা যায়, প্রথম ৫০%, ৭০% বা ৮০% চার্জ অনেক দ্রুত হয়। যদি প্রত্যেকটি কোম্পানির ফোনের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন নিয়ম হতে পারে। কোন কোন কোম্পানির ফোনের ক্ষেত্রে বা কোন একটি নির্দিষ্ট মডেলের ফোনের ক্ষেত্রে প্রথম ৭০% বা ৮০% অনেক দ্রুত হচ্ছে এবং পরের চার্জ গুলো অনেক ধীর গতিতে হয়। দেখা যায় যে, পরের বাকি চার্জ গুলো হতে প্রায় প্রথম দিকের চার্জ গুলো হবার মতো একই সময় নিচ্ছে।

শুরুর দিকে যে চার্জ টি হচ্ছে, সেটি অনেক অল্প সময়েই হয়ে যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, ২০ মিনিটে ৩০ মিনিটে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ চার্জ হয়ে যাচ্ছে। শেষের যে ১০%-৩০% চার্জ সেটি হতে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে। ‌ ফাস্ট চার্জিং এর এরকমভাবে প্রথমদিকে এত দ্রুত এবং শেষে এত আস্তে চার্জ হবার এই কারণটি আপনাকে জানতে হলে, একটি উদাহরণ দিতে হবে। আর এটিকে আপনি লক্ষ্য করতে পারবেন একটি শুকনো স্পঞ্জ এর দিকে দেখলে।

আপনি একটি শুকনো স্পঞ্জ এর ভিতর পানি ধরলে দেখবেন খুব দ্রুত পানি শুষে নিচ্ছে। এরপর আপনি যখন পরবর্তীতে আবার তার ভেতরে পানি ঢালতে থাকবেন দেখবেন যে, তখন আর অতটা দ্রুত পানি সেটি শুষে নিতে পারছে না। তখন সে অতটা দ্রুত পানি শুষে নিতে পারছে না, সেই স্পঞ্জ এর চারদিকে তখন পানি বেরিয়ে যাচ্ছে। আর এমনটি ব্যাটারির ক্ষেত্রেও হয়। যেখানে ব্যাটারীতে ও এভাবে প্রথম দিকে খুব দ্রুত চার্জ নিলেও, শেষের দিকে খুব আস্তে চার্জ নিতে থাকে।

আপনি যখন আপনার মোবাইলে ফাস্ট চার্জার লাগিয়ে দিচ্ছেন, তখন ব্যাটারি অতিরিক্ত ফাঁকা থাকার কারণে খুবই দ্রুত সেটি শুষে নিচ্ছে এবং ৭০%-৮০% শতাংশ পর্যন্ত খুবই দ্রুত চার্জ হচ্ছে। কিন্তু আপনি যখন এর পরবর্তীতে অতিরিক্ত চার্জ দিচ্ছেন তখন ব্যাটারির চার্জ গ্রহণ করার ক্ষমতা কমে গেছে। এর পরবর্তীতে আপনার ফোনে যে চার্জ টি আসে, সেটি আপনার ব্যাটারির ওপর প্রভাব ফেলেছে এবং সেটি পূর্বের মতো এতোটা জোরে প্রবেশ করতে পারছে না। আর এভাবে করে যদি পূর্বের মত করে চার্জ প্রবেশ করতে থাকে তবে এক্ষেত্রে ব্যাটারির ক্ষতি হতে থাকবে। ‌আর এই সমস্যা থেকে সমাধান করার জন্য স্মার্ট ফোন নির্মাতারা সেই নির্দিষ্ট চার্জের পর চার্জিং স্পিড কে কমিয়ে দেয়।

আপনি লক্ষ্য করলেই ব্যাটারি এই বিষয়টি নিজের মধ্যেও উপলব্ধি করতে পারবেন। আপনাকে যদি এক থালা ভাত দেওয়া হয় এবং আপনি যদি ভাত খেতে থাকেন, তবে এক পর্যায়ে গিয়ে আপনার খাবার ইচ্ছা চলে যাবে। এক্ষেত্রে প্রথমদিকে আপনি যেমন খেতে বসে খুব দ্রুত খেতে পেরেছিলেন, কিছুক্ষণ পর আপনার খাবার গতি ও আস্তে আস্তে কমতে থাকবে যখন আপনার পরিপূর্ণ হয়ে যাবে। আর তখন আপনি অবশ্যই আস্তে আস্তে খেতে থাকবেন। আপনার খাওয়ার গতি আস্তে আস্তে ধীর গতির হওয়ার কারণ হচ্ছে, আপনার পেট ভরে গিয়েছে।

ঠিক একইভাবে আপনার মোবাইলের ব্যাটারির ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে। যেখানের প্রথম দিকের চার্জ খুবই দ্রুত নিলেও শেষের চার্জ টি এরকমভাবে আস্তে আস্তে নেয়।

আর এর জন্য এমন ভাবে সফটওয়্যার কে অপ্টিমাইজ করা হয়, যেন ৭০% এরপর মোবাইলে চার্জ এমনিতেই কম করে প্রবেশ করে। এখানে ফাস্ট চার্জার বলতে যে শুধুমাত্র সেখানে বেশি বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে তা নয়। বরং এখানে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার উভয়ই কাজ করছে ফাস্ট চার্জিং করার ক্ষেত্রে। এখানে দুটির সংমিশ্রণে এই Fast charging এর বিষয়টি তৈরি করা হয়। আর এজন্য এখানে সফটওয়্যার ও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

নির্দিষ্ট চার্জের পর সেই অতিরিক্ত চার্জ কি তবে ব্যাটারির উপর কোন প্রভাব ফেলছে না?

আমরা দেখে থাকি, চার্জে দেবার সময় প্রথম ৭০%-৮০% চার্জ অনেক বেশি দ্রুত হচ্ছে এবং পরবর্তী চার্জ গুলো সামান্য ধীরগতিতে হচ্ছে। এখানে পরবর্তী চার্জ গুলো ধীরগতিতে হবার কারণ, ব্যাটারির যাতে কোনো ক্ষতি না হয় অথবা ব্যাটারি সেটি নিতে পারছে না। তবে এবার এখানেই প্রশ্ন আসে যে, এখানে সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার এর সমন্বয়ে সেই অতিরিক্ত চার্জ আস্তে আস্তে চার্জ হলে এটি কি ব্যাটারির উপর তবে কোনো প্রভাব ফেলছে না? অথবা প্রথম যে এত দ্রুত চার্জ হল, এটি কি ব্যাটারি ওপর কোনো প্রভাব ফেলেনি। এখানে প্রভাব হয়তোবা পড়ছে, তবে এটি সামান্য পরিমাণে পড়েছে।

ফাস্ট চার্জিং এর ফলে আপনার মোবাইলের ব্যাটারি এবং আপনার মোবাইলের অন্যান্য যন্ত্রাংশ গুলোর উপর প্রভাব পড়ছে কিনা এটি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফল হয়নি। আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, স্যামসাং এবং অ্যাপেলের মত কোম্পানিগুলো তাদের ফোনে দীর্ঘদিন কিন্তু ফাস্ট চার্জিং দেয়নি। কিন্তু যখনও দিয়েছে, তখন তারা এত বেশি ওয়াট এর ফাস্ট চার্জার কিন্তু দেয়নি। বরং অ্যাপলের ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাদের অধিকাংশ ফোনে ফাস্ট চার্জিং এর জায়গায় মাত্র ১৮ ওয়াট Fast charging সুবিধা রয়েছে। এবার কি আমাদের মাথায় প্রশ্ন আসে না যে, তারা এত কম ফার্স্ট চার্জার কেন দেয়?

অ্যাপল কিংবা স্যামসাং ফাস্ট চার্জার দিতে এতটা দেরি করল কেন?

যেখানে অ্যাপল তাদের তৈরি আইফোনের দাম বাজারের অন্যান্য ফলের তুলনায় সবচাইতে বেশি নিয়ে থাকে এবং তাদের কোনো সবচাইতে বেশি ফিচার থাকে। এছাড়া নতুন কোন প্রযুক্তি আনার ক্ষেত্রে তারাই সব সময় এগিয়ে থাকে; কিন্তু সেখানে ফাস্ট চার্জিং দেবার ক্ষেত্রে তারা এত কম ফার্স্ট চার্জার দেয় কেন? অ্যাপেলের ফোন গুলো মানুষ গড়ে পাঁচ বছর ব্যবহার করবে এই লক্ষ্য সবার থাকে। ফোন ব্যবহার করার সঙ্গে সঙ্গে ফোনের ব্যাটারি ও যেন ভালো থাকে সেটির উপর লক্ষ্য রেখে তারা মোবাইলে ফাস্ট চার্জার দেয় না; এরকম একটি কথা ও কিন্তু শোনা যায়।

তবে এটি কিন্তু কোন প্রমাণিত কথা নয় কিংবা তারা কখনও অফিশিয়াল ভাবে এটি কখনো জানায়নি। তবে আমরা এটি আন্দাজ করে নিতে পারি যে, তারা মোবাইলের ব্যাটারি কে ভালো রাখার জন্য এবং কোন প্রকারের ঝুঁকি না নেবার জন্য ফাস্ট চার্জিং কে এড়িয়ে চলে। কিন্তু তারা বর্তমানে ফোনগুলোতে অবশ্যই ফাস্ট চার্জার ব্যবহার করে। তবে এসব ফাস্ট চার্জার অন্যান্যদের তুলনায় কিন্তু অনেক কম। তবে তারা একদিন না একদিন অবশ্যই অন্যান্যদের মত বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন ফাস্ট চার্জার অবশ্যই ব্যবহার করবে। তাদেরকেও একদিন না একদিন স্রোতে গা ভাসাতেই হবে।

তবে তারা তাদের ফোনে বর্তমানে কেন কম ওয়াটের চার্জার দিচ্ছে এটি বলা যায়না। তবে ফাস্ট চার্জিং এর ফলে যে মোবাইলের ব্যাটারির কেমন বেশি কোন ক্ষতি হয় কিনা সে ব্যাপারে বলা যায় না। তবে আমরা বাহ্যিক দিক থেকে অনুমান করতে পারি যে, যদি কোন ব্যাটারীতে এভাবে করে খুব দ্রুত চার্জ দেওয়া হয়, তবে সেটি কিছুটা পরিমাণে গরম হয়ে যেতে পারে। আর ব্যাটারি যদি বড় হয়ে যায় তবে আস্তে আস্তে এর কার্যক্ষমতা ও নষ্ট হয়ে যেতে পারে দিন যাবার সঙ্গে সঙ্গে। এছাড়া মোবাইলের সাথে সংযুক্ত অন্যান্য পার্টস গুলো ও এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এতসব আলোচনার মাঝে আপনি হয়তো বা ইতোমধ্যে ব্যাটারীতে চার্জ দেওয়ার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। যেখানে ব্যাটারীতে চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রে life-cycle বাড়ানোর কোন নিয়ম নেই। ব্যাটারি life-cycle বাড়ানোর জন্য যে ব্যাটারির চার্জ কয়েকমাসে কিংবা এক বছর পর পর ০% তে আনতে হবে এবং আবার সেখান থেকে চার্জ করতে হবে এই বিষয়টি ভুল ধারণা। বরং, এক্ষেত্রে মোবাইলের ব্যাটারির ওপর আরও প্রভাব পড়তে পারে। আশা করছি আপনি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

এবার চলে আসা যাক আবার ফাস্ট চার্জিং এর বিষয়েঃ

আমাদের স্মার্টফোনের ব্যাটারি এবং গাড়িতে ব্যবহৃত ব্যাটারির উপর পার্থক্য রয়েছে; এর ক্যাপাসিটির ক্ষেত্রে। যেখানে সেসব গাড়ির ক্ষেত্রে অল্প কিছু চার্জ করলে চলে যায়। কিন্তু আমাদের স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ব্যাটারি ক্যাপাসিটি থাকে অনেক ছোট, যেটি দিয়ে আমাদের হয়তোবা সারাদিন চলে না। যে কারণে আমরা আমাদের মোবাইলের ব্যাটারি টিকে ১০০% চার্জ করে থাকি। ‌ তবে কোনো একটি ব্যাটারিকে সঠিক নিয়মে চার্জ দেওয়ার নিয়ম হিসেবে ৮০% করে খুলে ফেলার কথা বলা হলেও ১০০% করলে ব্যাটারি তেমন কোন ক্ষতি হয় না।

ব্যাটারির চার্জ ১০০% করলে যে ব্যাটারি life-cycle কমে যাবে এ ধারণাটি ভুল। ব্যাটারি ক্ষেত্রে এখানে life-cycle কে ফাঁকি দেওয়া কোনো বিষয় নয়। বরং, এমনিতেই ব্যাটারি লাইফ আস্তে আস্তে কমে যায়।

ফাস্ট চার্জিং কিংবা অতিরিক্ত চার্জের কারণে ব্যাটারির বিস্ফোরণ হবার সম্ভাবনা আছে কি?

ফাস্ট চার্জিং কিংবা অতিরিক্ত চার্জ এর ফলে ব্যাটারির বিস্ফোরণ এর ধারণাটি ভুল। বর্তমানে আমাদেরকে এখনো অনেকে বলে থাকে যে, সারারাত মোবাইল চার্জে রাখা উচিত নয়। আর এতে করে মোবাইল বিস্ফোরণ হয়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে। যে ধারণাটি কিন্তু একেবারে সম্পূর্ণ ভুল। ব্যাটারীতে Fast charging এবং অতিরিক্ত চার্জ এর ফলে কখনোই বিস্ফোরণ হয় না।

গবেষকেরা বলে, যদি ব্যাটারী ডিজাইনের কোন ধরনের গণ্ডগোল থাকে অথবা চার্জারে কোন ধরনের সমস্যা থাকে, তবেই এক্ষেত্রে ব্যাটারির বিস্ফোরন হতে পারে। এছাড়া সাধারণভাবে কোনো একটি ভালো চার্জার দিয়ে একটি ভালো মোবাইলের ব্যাটারিতে চার্জ করলে সেটি কখনো অভার চার্জিং এর কারণে এবং ফাস্ট চার্জিং এর কারণে বিস্ফোরণ হবে না। আর এক্ষেত্রে বিস্ফোরণ হবার সম্ভাবনাও নেই। Samsung Galaxy Note 7 ফোনটিতে যে বারবার ব্যাটারি বিস্ফোরণ হবার কথা শোনা যাচ্ছিল, তার কারণ এটির ডিজাইন এ কিছুটা সমস্যা ছিল। স্যামসাংয়ের এই মোবাইলটিতে ফাস্ট চার্জিং এর কারণে কিন্তু কোন বিস্ফোরণ হয় নি।

ফাস্ট চার্জিং এর কারনে মোবাইলের বিস্ফোরণ হবার কথা ভাবতে হলে আমাদেরকে একটি জিনিস নিয়ে চিন্তা করতে হবে। আর তা হচ্ছে, যখন কোন একটি কোম্পানির নতুন প্রযুক্তি নিয়ে আসে তখন সেটির বিষয়ে তারা অনেক গবেষণা করে থাকে। এক্ষেত্রে স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক কোম্পানি গুলোর যখন নতুন কোন ফাস্ট চার্জার নিয়ে আসে, তখন তারা এই বিষয়ে অবশ্যই গবেষণা করে। এক্ষেত্রে ফোনের নিরাপত্তার কথা বলেন, ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কথা ইত্যাদি এই সকল বিষয়গুলো মাথায় রেখেই কিন্তু তারা কাজ করে। ‌এরপরই কিন্তু তারা কোন ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি কে আরও উন্নতি করে।

এখানে আপনাকে বলে নেই, ফাস্ট চার্জিং এর এই টেকনোলজি টি কখনোই ব্যাটারির ক্ষতি করেনা বা ক্ষতিকর হতে পারে না। কিন্তু যদি কোন কোম্পানীর সঠিকভাবে ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে Implement বা বাস্তবায়ন না করতে পারে, আর সেই কারণে যদি ফোনটি নষ্ট হয়ে যায়; তবে এক্ষেত্রে ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজির কোন দোষ নেই। এক্ষেত্রে এখানে দোষ সেই কোম্পানির, যে সঠিকভাবে Fast charging টেকনোলজি কে Implement বা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। এখানে আমি আবারো আপনাকে জানিয়ে দেই যে, ফাস্ট চার্জিং আপনার ফোনে কোন ধরনের প্রভাব ফেলে না। আর ফাস্ট চার্জিং এর ফলে কিংবা বেশি চার্জ দেবার ফলে মোবাইল বিস্ফোরণ হয়ে যাবার সম্ভাবনাও একেবারেই নেই।

ফাস্ট চার্জিং এর ক্ষেত্রে যে একেবারেই কোন ক্ষতি নেই সেটি বলা যায় না। ফাস্ট চার্জিং পদ্ধতিতে যখন একটি ব্যাটারিকে খুব দ্রুত চার্জ করা হয় তখন ব্যাটারি স্বাভাবিক ব্যবহারের তুলনায় কিছুটা গরম হয়ে যায়। আর আমরা জানি, গরম যে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস এর জন্যই ক্ষতিকর। যদি ফোন গরম হয়ে যায়, তবে ফোনের সঙ্গে অন্যান্য পার্টস গুলোও গরম হয়ে যায় এবং যার ফলে কোন খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। ফাস্ট চার্জিং ব্যাটারির স্বাস্থ্যর জন্য খারাপ নয়, তবে কোনো কারণে ফাস্ট চার্জিং এর ফলে যদি ব্যাটারি বা মোবাইল গরম হয়ে যায় তবে এটিই হচ্ছে একমাত্র ক্ষতি।

ফাস্ট চার্জিং এর ফলে যদি ফোন কোন গরম না হয়, তবে এক্ষেত্রে কোন সমস্যাই নেই। আর যদি ফোন গরম হয়, তবে সমস্যা হতে পারে। এছাড়া আপনার ফোন যদি অন্য কোন কারণেও গরম হয়ে যায়, তবুও এ ক্ষেত্রে এটি মোবাইলের ওপর প্রভাব ফেলে। যে বিষয়টি নিয়ে আমি পূর্বেই আলোচনা করেছি। আমি আশা করছি এই বিষয়টি আপনাদের পরিষ্কারভাবে বোঝানো হয়ে গিয়েছে।

শেষ কথা

আমাদের সারাদিনের কর্ম ব্যস্ততার ভিড়ে আমাদের মোবাইলটিকে চার্জ দেওয়ার সময়ই হয় না। এছাড়া আমাদের সময় হলেও এতটা সময় ধরে চার্জ দেবার মত ধৈর্য থাকে না। আর এজন্য আমরা বেছে নিয়েছি Fast charging যুক্ত মোবাইল। তবে আমাদের মনে প্রশ্ন ছিল ফাস্ট চার্জিং মোবাইলের কোন ক্ষতি করে কিনা। আসলে Fast charging আপনার মোবাইলের কোন ক্ষতি করে না, যদি ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজির ডিজাইনটি ভালোভাবে করা হয় এবং তার বাস্তবায়ন ও সঠিকভাবে করা হয়।

আপনি যদি আজকের এই টিউন টি সম্পূর্ণ দেখে থাকেন, তবে আশা করছি এই স্মার্টফোনের ব্যাটারি নিয়ে আপনার মনে থাকা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা গুলো হয়তো বা ভেঙ্গে গেছে। আজকের এই টিউন এর মাধ্যমে আপনার অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্ব হয়তোবা কেটে গেছে মোবাইলে ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি সম্পর্কে। আজকের টিউনটি আপনার কাছে কেমন লাগলো সেটি অবশ্যই একটি জোসস এর মাধ্যমে প্রকাশ করবেন। এছাড়া আপনি আমার টিউনে নতুন হয়ে থাকলে, উপরের ফলো বাটন এ ক্লিক করে ফলো করে নিবেন।

তাহলে আজ এখানেই শেষ করব। দেখা হবে পরের টিউনে ইনশাআল্লাহ। তবে এখনকার মতো বিদায়। আসসালামু আলাইকুম।

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি: