ঢাকা, শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
নীরব মোদীর বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা চলবে, নির্দেশ মার্কিন কোর্টের
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

নীরব মোদীর বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা চলবে, নির্দেশ মার্কিন কোর্টের

 ব্রিটেনের জেলে বন্দি আছেন পিএনবি কেলেংকারির নায়ক নীরব মোদী (Nirav Modi)। তাঁর বিরুদ্ধে একটি জালিয়াতির মামলা হয়েছিল আমেরিকার নিউ ইয়র্কের আদালতে। একসময় ফায়ারস্টার ডায়মন্ড, ফ্যান্টাসি ইনকর্পোরেটেড এবং এ জাফে নামে তিনটি কোম্পানির মালিক ছিলেন ৫০ বছর বয়সী নীরব মোদী। অভিযোগ, তিনি ও তাঁর দুই সঙ্গী তিনটি কোম্পানির নামে ঋণ নিয়ে আর শোধ করেননি। রিচার্ড লেভিন নামে এক ব্যক্তি নিউ ইয়র্কের আদালতে অভিযোগ করেন, নীরবরা তাঁর ১৫ লক্ষ ডলার ফেরত দিচ্ছেন না। ওই আর্জি খারিজ করার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন নীরব ও তাঁর দুই সঙ্গী মিহির বনশালী ও অজয় গান্ধী। কিন্তু বিচারক সেই আর্জি নাকচ করে দিয়েছেন।


২০১৯ সালে লন্ডনের এক মেট্রো স্টেশনে গ্রেফতার হন মণিরত্নের ব্যবসায়ী নীরব। ভারতে তাঁর বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও টাকা তছরুপের অভিযোগ আছে। সিবিআই ও ইডি, দু’টি সংস্থা তদন্ত করছে তাঁর বিরুদ্ধে। প্রমাণপত্র লোপাটের চেষ্টা এবং সাক্ষীদের ভয় দেখানোর অভিযোগও আছে তাঁর বিরুদ্ধে। গত এপ্রিলের মাঝামাঝি ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র সচিব প্রীতি পটেল নীরব মোদীকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতিপত্রে সই করেছেন। তার বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আপিল করেছেন নীরব মোদী।

ব্রিটেনের নিম্ন আদালতে নীরব মোদী বলেন, করোনা অতিমহামারীর মধ্যে তাঁর মানসিক অবস্থা খারাপ হয়ে পড়েছে। তাছাড়া ভারতে জেলগুলির অবস্থাও ভাল নয়। কিন্তু বিচারক তাঁর আর্জি মানেননি। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় না নীরব মোদী বৈধ ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন। মনে হয় তিনি কোনও অসাধু কাজে জড়িত ছিলেন।”


নীরব মোদী ব্রিটেনের আদালতে বলেন, তাঁর পরিবারে অনেকেই মানসিক অবসাদের রোগী। কেউ কেউ আত্মহত্যাও করেছেন। অতিমহামারীর মধ্যে তাঁর নিজের মানসিক অবস্থাও খারাপ হয়ে এসেছে। ভারতে নিয়ে গেলে তাঁকে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে রাখা হবে। সেখানকার অবস্থা খুবই খারাপ। কিন্তু ভারত সরকার ওই জেলের ভেতরের ভিডিও ছবি তুলে ব্রিটেনে পাঠায়। বিচারক স্বীকার করে নেন, জেলে বন্দির মানবাধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। খবর দ্য ওয়ালের/এনবিএস/২০২১/একে

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *