ঢাকা, রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:২৯ অপরাহ্ন
গড়িয়াহাট জোড়া খুন-কাণ্ডে গ্রেফতার আরও দুই, হন্যে হয়ে মূল চক্রী ভিকির খোঁজ করছে পুলিশ
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :


গড়িয়াহাট জোড়া খুন-কাণ্ডে গ্রেফতার আরও দুই, হন্যে হয়ে মূল চক্রী ভিকির খোঁজ করছে পুলিশ

 গড়িয়াহাটের (Gariahat Murder) কাঁকুলিয়া রোডে জোড়া খুন-কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত ভিকি হালদার এখনও অধরা। তবে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েকজন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধরে এনেছে পুলিশ। জেরা করে এদের মধ্যে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা মনে করছেন, ধৃত দু’জনের সঙ্গে ভিকির যোগাযোগ থাকতে পারে। লালবাজারে ধৃতদের জেরা করা চলছে।


গত রবিবার গড়িয়াহাটের কাঁকুলিয়ায় খুন হন কর্পোরেট কর্তা তথা আইআইটি খড়্গপুরের প্রাক্তনী সুবীর চাকী এবং তাঁর গাড়ির চালক রবীন মণ্ডল। ওই ঘটনায় বুধবার মিঠু হালদার নামে ওই বাড়িরই এক পরিচারিকাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। লালবাজারের গোয়েন্দারা মিঠুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বোঝেন, জোড়া খুনের ষড়যন্ত্রে তিনি জড়িত। এর পর তদন্তকারী অফিসাররা আরও জানতে পারেন, মিঠুর বড় ছেলে ভিকি হালদারই এই খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত। কিন্তু তাঁকে গ্রেফতার করা যায়নি। তদন্তকারীদের অনুমান, জোড়া খুনে ভিকি একা নন, আরও কয়েকজন জড়িত। তাদের খোঁজ চলছে।

এর মধ্যেই শুক্রবার বাপি মণ্ডল ও জাহির গাজি নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাপি ও গাজি দুজনেরই বাড়ি ডায়মণ্ড হারবারে। এদের সঙ্গে ভিকির কতটা যোগাযোগ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


তদন্তকারীরা বলছেন, সুবীর চাকী ও তাঁর গাড়ির চালক খুনে ভিকিই মূল অভিযুক্ত। ঘটনার আগের দিন শনিবার খুনের পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। তাঁর মা মিঠু পুরো ব্যাপারটাই জানতেন। বুধবারই মিঠুর ডায়মণ্ড হারবারের বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। সেখান থেকে বেশ কয়েকটি রক্ত মাখা টি-শার্ট উদ্ধার করা হয়। সেগুলো ভিকি এবং তাঁর সঙ্গীদের বলেই অনুমান পুলিশের। মিঠু যে বাড়িতে ভাড়া থাকেন, সেই বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, দু’দিন আগে ওই রক্ত লাগা পোশাক মিঠুকে কাচতে দেখেছিলেন তিনি। ওই পরিকল্পনায় আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে।খবর দ্য ওয়ালের /এনবিএস/২০২১/একে

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি: