ঢাকা, রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:০০ অপরাহ্ন
ফেসবুক-বিজেপি আঁতাত নিয়ে ফের সরব কংগ্রেস
এনবিএস ওয়েবডেস্ক :

ফেসবুক-বিজেপি আঁতাত নিয়ে ফের সরব কংগ্রেস

 ফের ফেসবুকের (Facebook) নীতি নিয়ে সরব হল কংগ্রেস। ফেসবুকের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকে বিপর্যয় করার অভিযোগ এনেছে কংগ্রেস। পাশাপাশি, বিজেপির সঙ্গে গোপন আঁতাতের অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। এই ক্ষেত্রে যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠনেরও কথা বলা হয় কংগ্রেসের তরফে।


ফেসবুক বিজেপির ঘৃণামূলক প্রচারের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি এই অভিযোগকে ফের সামনে আনল কংগ্রেস। কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরা বলেন, “ভারতে নিপীড়িত ও প্রান্তিকদের মনে ধর্মান্ধতা, ঘৃণা ও ভীতি ছড়ানোর জন্য শাসকগোষ্ঠী এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করে।”

কংগ্রেসের তরফে ফেসবুক ও মোদী সরকারের কাছে দুটি প্ৰশ্ন উত্থাপন করেছে। কংগ্রেস প্ৰশ্ন তোলে কেন ফেসবুক তার নিজস্ব অভ্যন্তরীণ রিপোর্টের ভিত্তিতে আরএসএস এবং বজরং দলকে ‘বিপজ্জনক সংগঠন’ হিসাবে মনোনীত করেনি? পাশাপাশি মোদী সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের সওয়াল, সোশ্যাল মিডিয়া নিরাপত্তা মেনে চলার কথা বলে ভারত সরকার টুইটারের বিরুদ্ধে অত্যন্ত সক্রিয় ছিল, কেন তারা এখন একটি শব্দও উচ্চারণ করছে না?


খেরা আরও অভিযোগ তোলে, ফেসবুক ভারতীয় নাগরিকের নিরাপত্তার চেয়ে বাণিজ্যিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছে। আর এই ব্যাপারে মোদী সরকার এখনও পর্যন্ত নীরব। কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। এই প্রসঙ্গ টেনেই তদন্তের দাবি তুলে যৌথ সংসদীয় কমিটির গঠনের কথা বলেন তিনি।

২০২০-র গোড়ার দিকে ফেসবুকের নিরাপত্তা কমিটি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিল যে, বজরং দল দেশের সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে সমর্থন করে। এই মর্মে ফেসবুক বজরং দলকে নিষিদ্ধ করবে বলেও অনুমান করা হয়েছিল। কিন্তু পারতপক্ষে এই রকম কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি ফেসবুক। তাতেই পক্ষপাতের অভিযোগ এনেছে কংগ্রেস।

একটি বৃহৎ বাজার ভারতে আছে ফেসবুকের। প্রায় ৩৭০ মিলিয়ন ভারতীয় ব্যবহারকারী যুক্ত আছে ফেসবুকের সঙ্গে। তাই ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত তথ্য খুব সহজেই মানুষের মধ্যে চলে যায়। আর দীর্ঘ সময় ধরে যদি হিংসাত্মক পোস্ট ফেসবুকে ঘুরে বেড়ায় তাহলে তা মানুষকে ক্ষতির দিকে ঠেলে নিয়ে যাবে বলে অভিযোগ কংগ্রেসের। খবর দ্য ওয়ালের /২০২১/এনবিএস/একে ।

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি: