ঢাকা, শুক্রবার ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ১২:৩২ অপরাহ্ন
‘শ্বেতাঙ্গদের’ নিয়ে পুরানো ট্যুইট ঘিরে সিইও হতেই ট্রোলড পরাগ
Reporter Name

‘শ্বেতাঙ্গদের’ নিয়ে পুরানো ট্যুইট ঘিরে সিইও হতেই ট্রোলড পরাগ

ট্যুইটারের (twitter) নয়া সিইও (ceo) পদে বসতে না বসতেই ট্রোলিং (trolling) পরাগ আগরওয়ালকে (parag agarwal)। ২০১০ এর ২৬ অক্টোবর তিনি একটি ট্যুইট করেছিলেন, যা ১১ বছর  বাদে খুঁজে বের  করে তাঁকে টার্গেট (target) করছেন নেটিজেনরা (netizens)। তাঁদের দাবি, ট্যুইটে পরাগের বর্ণবিদ্বেষী (racist) মনোভাব ফুটে উঠেছে।  তখন তিনি ট্যুইটারের কর্মীও ছিলেন না। ট্যুইটে রয়েছে, আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য ও ইসলামোফোবিয়াকে বিদ্রুপ করছেন এক কমেডিয়ান।  আর তাতে আগরওয়াল  লেখেন, ওরা  মুসলিম ও সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে বিভাজন না করলে আমিই বা কেন শ্বেতাঙ্গ লোকজন ও বর্ণবিদ্বেষীদের আলাদা করে দেখব?

কলোরাডোর ফোর্থ কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্টের রিপাবলিকান জনপ্রতিনিধি কেন বাক প্রশ্ন তুলেছেন, নয়া ট্যুইটার সিইও যা বলেছেন, তারপর ইউজাররা কী করে ভরসা করবেন যে, সবাইকে তিনি সমান  চোখে দেখবেন। টেনেসির মার্শা ব্ল্যাকবার্ন লিখেছেন, এই হলেন ট্যুইটারের নতুন সিইও  পরাগ আগরওয়াল যিনি ঠিক করে দেবেন কী ধরনের বক্তব্য প্রকাশ করা যাবে! তবে পরাগ পাল্টা তাঁদের মুখ বন্ধ করতে এক নেটিজেনকে ব্যাখ্যা দেন, তিনি দি ডেইলি শো থেকে কমেডিয়ান আসিফ মান্ডবিকে উদ্ধৃত করেছেন।

বিতর্কের সূত্রপাত করে দক্ষিণপন্থী ওয়েবসাইট ব্রেইটবার্ট। পরাগের পুরানো ট্যুইট তুলে এনে তিনি বর্ণবৈষম্য সমর্থন করেন বলে দাবি করে তারা। পরাগের এমআইটি টেকনোলজি রিভিউকে দেওয়া একটি পুরনো সাক্ষাত্কার ফের প্রকাশ করেও দাবি করেন, অবাধ বাকস্বাধীনতা ট্যুইটারের মূল লক্ষ্য নয়।

তবে কেউ কেউ পরাগকে সমর্থন করছেন। তাঁদের মধ্যে আছেন সিএনএন রিপোর্টার অ্যান্ড্রু ক্যাজিনস্কি। তিনি মান্ডবির  মূল সাক্ষাত্কারের ক্লিপটি পোস্ট করেছেন যাতে দেখা যাচ্ছে, কমেডিয়ান সত্যিই ওই মন্তব্য করেছেন।

১৬ বছর বাদে জ্যাক ডোরসির ইস্তফার পর ৩৭ বছরের পরাগ ট্যুইটারের নতুন সিইও হয়েছেন। পরাগ এস অ্যান্ড পি-র ৫০০ জনের তালিকায় সর্বকনিষ্ঠ সিইও এখন। এখবর জানিয়েছে দ্য ওয়াল

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি: