ঢাকা, শনিবার ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন
ওমিক্রনের ভয়ে স্ত্রীর গলা টিপে দিলেন অধ্যাপক! থেঁতলে দিলেন ছেলেমেয়েদের মাথা
Reporter Name

ওমিক্রনের ভয়ে স্ত্রীর গলা টিপে দিলেন অধ্যাপক! থেঁতলে দিলেন ছেলেমেয়েদের মাথা

কোভিডের দুটি প্রাণঘাতী ঢেউ তছনছ করেছে ভারতের জনজীবন। প্রচুর মানুষ এই সংক্রমণে মারা গিয়েছেন। ভাইরাসের দাপট খানিক কমতে না কমতেই ফের নতুন রূপে হাজির করোনা। করোনার নতুন স্ট্রেন ওমিক্রন নিয়ে এখন চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা। আর এই পরিস্থিতিতে ভয়ানক কাণ্ড ঘটয়ে বসলেন উত্তরপ্রদেশের এক অধ্যাপক। ওমিক্রনের ভয়ে নিজের স্ত্রী সন্তানদের খুন করে বসলেন তিনি।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কানপুরের কল্যাণপুর অঞ্চলে। সেখানকার এক সিনিয়র ফরেন্সিক প্রফেসরের বিরুদ্ধে নিজের স্ত্রী ও দুই ছোট্ট সন্তানকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। কানপুরের এক প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে কাজ করেন তিনি। অভিযোগ, নিজের স্ত্রীকে গলা টিপে খুন করেছেন তিনি। তারপর ছোট মেয়ে আর ছেলের মাথায় বসিয়ে দিয়েছেন হাতুড়ির বাড়ি। মাথার খুলি ফেটে তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হয়েছে ওই দুই শিশুর।

খুনের পর বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন সেই অধ্যাপক। যাওয়ার আগে তাঁর ভাইকে হোয়াটসঅ্যাপে জানিয়েছেন কেন এমনটা করলেন তিনি। তিনি বলেছেন, মেডিকেল কলেজে মৃতদেহ গুনতে গুনতে তিনি ক্লান্ত। কোভিড কাউকে রেহাই দেবে না। সকলেই নতুন স্ট্রেন ওমিক্রনে মরবে। তাই নিজের স্ত্রী আর সন্তানদের সেই ওমিক্রনের ভোগান্তি থেকে এভাবেই ‘মুক্তি’ দিলেন তিনি।

দাদার মেসেজ পেতেই সেই বাড়িতে ছুটে যান অধ্যাপকের ভাই। গিয়ে দেখেন, ফ্ল্যাটের দরজা বন্ধ। দরজা ভেঙে দেখেন মর্মান্তিত দৃশ্য। ঘরের মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে আছে তিন দেহ। পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ফরেন্সিক দল এবং ডগ স্কোয়াড।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে তীব্র হতাশায় ভুগছিলেন উত্তরপ্রদেশের ওই অধ্যাপক। তাঁর চিকিৎসাও চলছিল। এর আগেও নাকি নিজের স্ত্রীকে খুনের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তাঁর ঘর থেকে একটি ডায়েরি পাওয়া গেছে। সেখানে করোনার উল্লেখ ছিল। লেখা ছিল, ওমিক্রন এসে গেছে, এবার আর মৃতদেহ গোনার প্রয়োজনও পড়বে না। করোনায় সবাই মারা যাবে। অভিযুক্তের খোঁজে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। খরব দ্য ওয়ালের /২০২১/এনবিএস/একে

ইউটিউবে এনবিএস-এর সব খবর দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি: