এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, জুন মাসে পারমাণবিক স্থাপনা ও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে করা হামলা এবং এর ফলে যেসব বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে তা আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ এবং ইরানের সার্বভৌমত্বের স্পষ্ট লঙ্ঘন।

এসসিও সদস্য দেশগুলো আরও বলেছে, এই ধরনের পদক্ষেপ শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তাকে বিপন্ন করছে। তারা জোর দিয়ে উল্লেখ করেছে, সশস্ত্র সংঘাত চলাকালীনও পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আবশ্যক যাতে জনসংখ্যা এবং পরিবেশ রক্ষিত থাকে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সদস্য রাষ্ট্রগুলো শান্তিপূর্ণ উপায়ে আন্তর্জাতিক বিরোধ সমাধানের জন্য তাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ইরানের পারমাণবিক ইস্যুতে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবকে বিরোধ সমাধানের কাঠামো হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসসিও মনে করিয়েছে, নথিটি বাধ্যতামূলক এবং তা বাস্তবায়ন করা আবশ্যক।

তারা এক ধরনের স্বেচ্ছাচারী বা একতরফা ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং সতর্ক করেছে, এমন প্রচেষ্টা জাতিসংঘের কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ন করবে এবং নিরাপত্তা পরিষদের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

নেতারা আরও নিন্দা জানিয়েছেন গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি যুদ্ধ এবং নাৎসি মতাদর্শ পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টার।

সর্বশেষে, তারা বিতর্কিত পক্ষগুলোর মধ্যে গঠনমূলক সংলাপ পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে এবং উল্লেখ করেছে, বিশ্বব্যাপী উত্তেজনা হ্রাসে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

 

news