মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের যে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, বাস্তবে তার চেয়েও অনেক বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে নতুন করে দাবি উঠেছে।
একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ইরানের আঘাতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যা আনুষ্ঠানিকভাবে পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।
এই হামলায় গুদামঘর, কমান্ড কেন্দ্র, বিমান রাখার স্থাপনা, যোগাযোগ অবকাঠামো, রানওয়ে, রাডার ব্যবস্থা এবং একাধিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রকাশ্যে স্বীকার করা সংখ্যার চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে এবং এসব স্থাপনা পুনর্গঠনে বিপুল অর্থ ব্যয় লাগতে পারে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি এবং সংশ্লিষ্ট সামরিক কর্তৃপক্ষও মন্তব্য করতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। এতে করে পুরো বিষয়টি নিয়ে আরও সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
এদিকে কিছু মার্কিন আইনপ্রণেতাও এই বিষয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র এবং ব্যয়ের পরিমাণ সম্পর্কে পরিষ্কার কোনো তথ্য দেওয়া হচ্ছে না।
সব মিলিয়ে এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে—ইরানের এত কাছাকাছি মার্কিন সামরিক উপস্থিতি রাখা কতটা নিরাপদ এবং কার্যকর।
