কংগ্রেসের নিয়মিত পর্যালোচনা এড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর কাছে প্রায় ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই অস্ত্র যাচ্ছে ইসরায়েল, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
শুক্রবার প্রকাশিত এক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এই বড় সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এতে আরও জানানো হয়, ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই দ্রুত অস্ত্র সরবরাহের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক সংঘাত শুরুর প্রায় নয় সপ্তাহ পর এই অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি বর্তমানে কার্যকর থাকা নাজুক যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত আসে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তার মতে, এসব দেশের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে অস্ত্র সরবরাহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাই কংগ্রেসের নিয়মিত পর্যালোচনার বাধ্যবাধকতা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।
ঘোষণায় আরও জানানো হয়, কাতারের জন্য ৪.০১ বিলিয়ন ডলারের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রায় ৯৯২ মিলিয়ন ডলারের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কুয়েতের জন্য ২.৫ বিলিয়ন ডলারের সমন্বিত যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুমোদিত হয়েছে।
এছাড়া ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্যও একই ধরনের উন্নত অস্ত্র সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই বিশাল অস্ত্র সরবরাহ কার্যক্রমের প্রধান ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে বিএই সিস্টেমস, আরটিএক্স করপোরেশন, লকহিড মার্টিন এবং নর্থরপ গ্রুমান।
