ভূমিকা: ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উদ্যোগ। এবার সেই অভিযানে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া। আমেরিকার প্রস্তাবে সাড়া দিলে কী দাঁড়াতে পারে, তা যাচাই করছে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত অঞ্চল হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হচ্ছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে সাড়া দেওয়ার কথা ভাবছে আমেরিকার পুরনো মিত্র দক্ষিণ কোরিয়া। রয়টার্স জানিয়েছে, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এ অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে দেশটি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এই সামরিক উদ্যোগের ঘোষণা দেন। যার মূল উদ্দেশ্য— হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে নিরাপদে বের করে আনা। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, এই উদ্যোগ মূলত মানবিক। এতে নিরপরাধ দেশ ও কোম্পানিগুলোকে সহায়তা করা হবে, যারা বর্তমান সংকটের শিকার।
ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, কয়েকটি দেশের অনুরোধেই এই অভিযান শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ‘ইতিবাচক আলোচনায়’ বসেছে। তবে সতর্ক করে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, এই অভিযানে যে কোনো বাধা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
এদিকে ইরান আগেই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে। ফলে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়ন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে এখনো স্পষ্টতা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
দক্ষিণ কোরিয়া এখন দেখছে, এই অভিযানে অংশ নিলে তাদের ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কী কী প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে তাদের বিদ্যমান সম্পর্ক ও জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সিউল।
