ঢাকা, সোমবার, মে ২০, ২০২৪ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Logo
logo

বসন্ত তাণ্ডব হত, বন্ধ করে দিয়েছি: উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০১ মার্চ, ২০২৩, ০২:০৩ পিএম

বসন্ত তাণ্ডব হত, বন্ধ করে দিয়েছি: উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী

 বসন্ত তাণ্ডব হত, বন্ধ করে দিয়েছি: উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী

শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসবের নামে 'বসন্ত তাণ্ডব' হয়। তাই তাঁরা উদ্যোগী হয়ে তা বন্ধ করে দিয়েছেন। বুধবার বিশ্বভারতীর উপাসনা গৃহে বসে এমনই মন্তব্য করলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী।

তাঁর এও অভিযোগ, বিশ্বভারতী অশিক্ষিত এবং অল্প শিক্ষিত ব্যক্তিতে ভরে গিয়েছে। স্বয়ং গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমন বসন্ত উৎসব চাননি বলেও দাবি করেছেন উপাচার্য বিদ্যুৎ। নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।তিনি বলছেন, ‘‌যাঁরা বিশ্বভারতীর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের কি দায়িত্ব নয়? যে আমরা যাব, আমরা গিয়ে বিশ্বভারতী ক্যাম্পাস গড়ব। যদি আমরা দায়িত্ব না নিই, তাহলে উত্তরাখণ্ড ক্যাম্পাস হয়ে যাবে কিন্তু। আজকে বিশ্বভারতী হয় হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ভারতী, না হয় বোলপুর ভারতী হয়ে গিয়েছে।

আমি থাকতে কিন্তু এটা উত্তরাখণ্ড ভারতী হতে দেব না। আমি এটাকে বিশ্বভারতীই রাখতে চাই। তাই আমাদের বেশ কিছু লোকজনকে ওখানে যেতে হবে। আমাদের ওখানে থাকতে হবে। তাতে বিশ্বভারতী বিশ্বভারতীই থাকবে।’‌এমনকী নেটিজেনরাও ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন।

বিশ্বভারতীর আশ্রমিক সুপ্রিয় ঠাকুর বলেন, ‘‌এই সম্পর্কে আর কী বলার আছে। উনি তো বিশ্বভারতীর সর্বময় কর্তা হয়ে বসে আছেন। উনি আসলে কী বার্তা দিতে চাইছেন, জানি না।’‌উল্লেখ্য, বিশ্বভারতীর নতুন ক্যাম্পাস উত্তরাখণ্ডের রামগড়ে।

বিশ্বভারতীর অধ্যাপকদের সেখানে গিয়ে পড়ানো দায়িত্ব বলে মনে করেন তিনি। তা না–হলে উত্তরাখণ্ড বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে যাবে। এমনই বলতে চেয়েছেন উপাচার্য বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি বাংলার নেতাজি ট্যাবলো নিয়ে তিনি বলেছিলেন, ট্যাবলোতে কি আদৌ গরিবের পেট ভরবে?

এনবিএস/ওডে/সি