ঢাকা, শনিবার, মার্চ ২, ২০২৪ | ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০
Logo
logo

নিমতলী থেকে সীতাকুণ্ড - প্রতিকার নাই কেনো?: বাংলাদেশ ন্যাপ


এনবিএস ওয়েবডেস্ক     প্রকাশিত:  ০৫ জুন, ২০২২, ০৩:০৯ পিএম

নিমতলী থেকে সীতাকুণ্ড - প্রতিকার নাই কেনো?: বাংলাদেশ ন্যাপ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

নেতৃদ্বয় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং দুর্ঘটনায় আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেন।

রবিবার (৫ জুন) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক শোকবার্তায় নেতৃদ্বয় এ আহ্বান জানান।

নেতৃদ্বয় বলেন, এই দূর্ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে শোক ও কঠিন মানবিক মনোবেদনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেউ জানেনা এর ক্ষতি ও বিপর্যয় কতটুকু সূদুর প্রসারি। অন্যদিকে নিমতলী থেকে সীতাকুণ্ড - আমাদের রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড চলছেই। এ 'অবিশ্বাস্য উন্নয়নের রোল মডেল' গরীবের জানমালের নিরাপত্তাকে আরো বেশি ঝুঁকিতে ফেলছে। নিমতলী থেকে সীতাকুণ্ড... গরীবরা মরছেই। কোন প্রতিকার নাই কেনো? কোন বিহিত নাই কেনো?

তারা রাষ্ট্রীয় প্রশাসন, মানব দরদী সকল প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার প্রতি আবেদন জানান ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্যে এগিয়ে আসার জন্য। একই সাথে সকল রাজনৈতিক কর্মী ও সহযোদ্ধাদের সামর্থের সর্বোচ্চ দিয়ে যেন পীড়িতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। ইতমধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম সিএমএইচ - এর চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা বিনিদ্র-নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয় জনগণ, স্বেচ্ছাসেবী ও রাজনৈতিক কর্মীরা সকলেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আহতদের শুস্রুষা ও রক্ত দেয়ার জন্য অভূতপূর্ব ত্যাগের নজীর স্থাপন করেছেন। তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

নেতৃদ্বয় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বেসরকারি বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে মালিকপক্ষের কাউকে খুঁজে না পাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে তাদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ভয়াবহ দুঘর্টনার জন্য মালিকপক্ষ তাদের দায় এড়াতে পারে না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে এটি কোনো দুর্ঘটনা নয় এটি সম্পুর্ণ ডিপো মালিকের গাফেলতির পরিণতি। আগুন লাগার পরে ফায়ার সার্ভিস কে জানানো হয়নি সেখানে রাসায়নিক দাহ্য বস্তু আছে। বলা হয়েছে শুধু রপ্তানিযোগ্য পোশাক আছে।

নেতৃদ্বয় স্যালুট জানান সেই সকল তরুণ-যুব দের। বরাবরের মতো তারাই রক্ত দিয়ে, শ্রম দিয়ে দূর্যোগ মোকাবেলায় সবার প্রথম দাঁড়িয়েছে। একই সাথে তারা অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও নিহত ও আহতদের যথাযথ ক্ষতিপূরন প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।