ঢাকা, রবিবার, জুলাই ২১, ২০২৪ | ৬ শ্রাবণ ১৪৩১
Logo
logo

লবণের উৎপাদনে রেকর্ড হলেও দামে হতাশ কৃষক


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ১৫ মে, ২০২৪, ১১:০৫ পিএম

লবণের উৎপাদনে রেকর্ড হলেও দামে হতাশ কৃষক

লবণের উৎপাদনে রেকর্ড হলেও দামে হতাশ কৃষক

দেশে ৬৩ বছরের ইতিহাসে রেকর্ড লবণ উৎপাদন হয়েছে। ২৮ পর্যন্ত চলতি বছর সর্বমোট উৎপাদন হয়েছে ২২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৫৮ টন লবণ। তীব্র তাপদাহের এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে কয়েক লাখ টন বাড়তি লবণ উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।

বিসিকের তথ্যমতে, গত বছর প্রতি মণ লবণের গড় মূল্য ছিল ৪৩০ টাকা, এখন গড়ে বিক্রিমূল্য ৩৭২ টাকা। বুধবার মহেশখালীর কুতুবজোম, হোয়ানক, কক্সবাজার সদরের চৌফলদণ্ডি, খুরুশকুল, পিএমখালী ঘুরে দেখা গেছে, সেখানকার অন্তত ২৫ হাজার একর মাঠে লবণের বাম্পার উৎপাদন হচ্ছে। মাঠের বিভিন্ন স্থানে লবণের স্তূপ দেখা গেছে। প্রতি মণ লবণ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায়। 

গত বছর প্রতি কানি (৪০ শতক) জমির ইজারামূল্য ছিল ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। তাতে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। চাষিরা জানান যে তারা মৌসুমের শুরু থেকেই শতভাগ মাঠে পলিথিন ব্যবহার করছেন। সমুদ্রের লোনা পানি মাঠের পলিথিনের ওপর জমিয়ে সূর্যতাপে শুকিয়ে উৎপাদিত হয় লবণ। সনাতন পদ্ধতির তুলনায় পলিথিন ব্যবহারে লবণ উৎপাদন আড়াই গুণ বেশি হয়।

বিসিক লবণ উন্নয়ন প্রকল্পের মাঠ পরিদর্শক মো. ইদ্রিস আলী বলেন, জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রতি মণ লবণ ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অথচ ১৫ দিন আগেও প্রতি মণ লবণ বিক্রি হয়েছিল ৪৮০ থেকে ৪৯০ টাকায়। প্রতি মণ লবণ উৎপাদনের বিপরীতে চাষিদের খরচ যাচ্ছে ২১০ টাকার মতো। প্রচণ্ড গরমে লবণের বাম্পার উৎপাদন হলেও ঈদ উপলক্ষ্যে ব্যবসায়ীরা দাম ৩০-৪০ টাকা কমিয়ে দিয়েছেন। তাতে চাষিরা হতাশ হচ্ছেন।