ঢাকা, শুক্রবার, জুন ১৪, ২০২৪ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Logo
logo

ডিমলায় তিস্তার পানি বিপদসীমার উপরে


এনবিএস ওয়েবডেস্ক     প্রকাশিত:  ২২ জুন, ২০২২, ০৮:০৬ পিএম

ডিমলায় তিস্তার পানি বিপদসীমার উপরে

ডিমলায় তিস্তার পানি বিপদসীমার উপরে

২১ জুন মঙ্গলবার তিস্তা ব্যারেজে দুপুর ১২ টায় বিপদসীমার ১০ সে.মি উপরে থাকলেও বিকেল ৪টায় ভারত থেকে বয়ে আসা পানি বৃদ্ধির কারনেই বিকাল ৪ ঘটিকায় ডালিয়া পয়েন্টে ২০ সে.মি বিপদসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি হওয়ার কারনেই ডিমলা উপজেলা তিস্তা নদীর বেষ্টিত টেপা খড়িবাড়ী, ঝুনাগাছ চাপানী, খালিশা চাপানী আংশিক গয়াবাড়ী, খগা খড়িবাড়ী, পূর্ব ছাতনাই  ও পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নে আনুমানিক ১৫/২০ টি গ্রামে প্রায় ৮০০-১০০০ হাজার পরিবার বন্যা কবুলিত হয়েছে। পরিবারগুলোর বাড়ী ঘরে হাঁটু ও কোমড় পর্যন্ত পানি উঠেছে। 

এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা সংবাদকর্মীকে জানান ডিমলা উপজেলার টেপা খড়িবাড়ী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সোবাহান আলী (৫২) বলেন প্রায় এক সপ্তাহ যাবত আকাশের ভারি বর্ষনে ভারত থেকে নেমে আসার উজানে ঢলে তিস্তা নদীর পানি বাড়া কমার কারনে হঠাৎ মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ীতে কোমড় পর্যন্ত পানি উঠে। ভয়ে পরিবারের লোকজনকে নিয়ে দিশেহারায় ভুগছি। এখন কি করব। তিস্তা নদীর পানি অস্বাভিক বাড়ায় বেশিভাগ পরিবার গবাদিপশু ও শিশু বাচ্চা নিয়ে র্দূচিন্তায় ভুগছেন। এ বিষয় টেপা খড়িবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: ময়নুল হক বলেন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। 

এই কারনে নদীর পানি বেশি ¯্রােত থাকায় স্বেচ্ছাশ্রমে স্বপন বাধটি প্রায় ১শত মিটার ভেঙ্গ গেছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের  নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাদৌলা বলেন ২১ জুন মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় হঠাৎ ২০ সে.মি বিপদসীমার উপরে পানি প্রবাহিত হওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারেজের সবকয়টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। বন্যা বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেলায়েত হোসেন ও প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান, ত্রাণ শাখার উপসহকারী কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম বলেন আজ মঙ্গলবার খগা খড়িবাড়ী ইউনিয়নের পানি বন্দী ৪শত পরিবারকে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এযাবত ৭টি ইউনিয়নে ২৭শত ৫০ টি শুকনো খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান। ইউএনও পানিবন্দি পরিবারদের সর্বক্ষনিক খোজখবরের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ প্রদান করেন।