এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ২০ জুলাই, ২০২৫, ০৮:০৭ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক এক পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি বিচার বিভাগের কাছে জেফ্রি ইপস্টেইন মামলার সব গ্র্যান্ড জুরি সাক্ষ্য প্রকাশের অনুরোধ করেছেন। তবে আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে এই তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
এই পদক্ষেপ আসে ইপস্টেইন তদন্তে স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে নতুন করে জনসাধারণের চাপ বাড়ার মাঝে। দীর্ঘদিন ধরে সমালোচকরা ফেডারেল তদন্তের পরিধি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, বিশেষ করে যখন বিচার বিভাগ জানিয়েছে কোনো ক্লায়েন্ট তালিকা নেই এবং ২০১৯ সালে ইপস্টেইনের জেলহত্যা আত্মহত্যা হিসেবে পুনঃনিশ্চিত করা হয়েছে।
ট্রাম্পের পোস্টে সরাসরি সমালোচক এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের প্রতি আক্রমণ লক্ষ্য করা গেছে। তিনি লিখেছেন, “আদালতের পূর্ণ অনুমোদন পেলেও বামপন্থী উগ্রপন্থীরা কখনোই সন্তুষ্ট হবে না। তারা সবসময় বেশি চাইবে।”
ট্রাম্পের এই মন্তব্যগুলো রাজনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে একটি প্রতিরোধ স্বরূপ মনে হচ্ছে, যেখানে তার প্রশাসনকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। অনেকেই এই পদক্ষেপকে স্বচ্ছতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখলেও, অনেকে মনে করেন এটি কেবল রাজনৈতিক চালাকি।
জেফ্রি ইপস্টেইন ছিলেন একজন ধনী অর্থনীতিবিদ এবং দোষী সাব্যস্ত যৌন অপরাধী, যিনি বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত ছিলেন। ২০০৮ সালে তিনি নাবালিকাদের থেকে যৌন সেবা নেওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন, কিন্তু মাত্র ১৩ মাসের সাজা পান।
২০১৯ সালে আবারও মহড়া শুরু হয় যখন ইপস্টেইনের বিরুদ্ধে ফেডারেল স্তরে যৌন পাচারের অভিযোগ আনা হয়। একই বছরের আগস্টে তিনি জেলে আত্মহত্যা করেন, কিন্তু তার মৃত্যুকে ঘিরে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়ায়।
এই মামলার স্বচ্ছতা এবং ইপস্টেইনের পরিচিতিগুলো প্রকাশের দাবিতে জনমানসে উৎসাহ এখনও অব্যাহত রয়েছে।