এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৮:০৯ পিএম

ওয়াশিংটনে আবারও আলোচনার ঝড় তুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় ওভাল অফিস থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়ে এক “রোমাঞ্চকর” ঘোষণা দেবেন তিনি।
মাত্র কয়েক দিন আগেই ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, পেন্টাগনের নাম বদলে রাখতে চান “যুদ্ধ মন্ত্রণালয়”। তার যুক্তি, বর্তমান নামটি অনেক বেশি প্রতিরক্ষামূলক, যা আমেরিকার শক্তির প্রতিফলন ঘটায় না।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিটও নিশ্চিত করেছেন, এই ঘোষণাটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেই সম্পর্কিত। তবে কী ঘোষণা আসছে, সে বিষয়ে মুখ খোলেননি তিনি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—এটি গত এক সপ্তাহে ট্রাম্পের প্রথম প্রকাশ্য অনুষ্ঠান।
নিজেকে ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি অন্তত ছয়টি যুদ্ধ শেষ করতে সক্ষম হয়েছেন এবং এর জন্য তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য। যদিও ইউক্রেন ও গাজার যুদ্ধবিরতি এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।
গত ২৫ আগস্ট সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “আমরা যখন প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ জিতেছিলাম, তখনও নাম ছিল যুদ্ধ মন্ত্রণালয়। প্রতিরক্ষা শব্দটা অনেকটা রক্ষণাত্মক শোনায়। আমেরিকা শুধু প্রতিরক্ষামূলক থাকলে চলবে না, আক্রমণাত্মকভাবেও শক্তি দেখাতে হবে।”
তিনি আরও জানান, নাম পরিবর্তনের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন লাগতে পারে, তবে এতে আইনপ্রণেতাদের কোনো আপত্তি থাকবে না বলেই বিশ্বাস তার।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেটও গত সপ্তাহে দীর্ঘ এক ক্যাবিনেট বৈঠকে আসন্ন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সাবেক ফক্স নিউজ কন্ট্রিবিউটর ও অভিজ্ঞ সামরিক কর্মকর্তা হেগসেট বলেন, “এটি শুধু নাম বদল নয়, এটি আমেরিকার যোদ্ধাদের নীতি ও মনোবলের সঙ্গে সম্পর্কিত। আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু লড়াইয়ের জন্য সবসময় প্রস্তুত। আপনি শান্তির প্রেসিডেন্ট, স্যার।”
সব চোখ এখন হোয়াইট হাউসের দিকে—ট্রাম্প কি সত্যিই আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম বদলাতে যাচ্ছেন? নাকি থাকবে অন্য কোনো বড় চমক?