ঢাকা, সোমবার, জানুয়ারী ৫, ২০২৬ | ২২ পৌষ ১৪৩২
Logo
logo

বিচিসিআই'র জোরাজুরিতে কেকে আর থেকে ছাটাই, মুস্তাফিজের আবেগঘন পোস্ট: "আলহামদুলিল্লাহ, ৪০০ উইকেট!"


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৫:০১ পিএম

বিচিসিআই'র জোরাজুরিতে কেকে আর থেকে ছাটাই, মুস্তাফিজের আবেগঘন পোস্ট: "আলহামদুলিল্লাহ, ৪০০ উইকেট!"

ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাদ পড়লেন বাংলাদেশের স্লেশার কিং মুস্তাফিজুর রহমান। এরই মাঝে বিরূপ পরিস্থিতি উপেক্ষা করে বিপিএল'তে ঝড় তুলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ৪০০ উইকেট ছুঁয়ে আবেগঘন পোস্ট দিলেন তিনি।

গত আইপিএল'র মিনি নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপির মোটা অঙ্কের বিনিময়ে মুস্তাফিজকে দলে ভেড়ায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। দিল্লি ক্যাপিটালস ও চেন্নাই সুপার কিংসের সাথে তীব্র দরদামের পরে এই চুক্তি হয়। কিন্তু চুক্তি পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন চাপের মুখে পড়তে হয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে। অবশেষে বিসিসিআই'র সরাসরি হস্তক্ষেপে মুস্তাফিজকে দল থেকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয় কেকে আর কর্তৃপক্ষকে।

বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া এই সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিত করে জানান, কেকে আর'কে মুস্তাফিজকে রিলিজ করতে বলা হয়েছে এবং তারা যেকোনো বিকল্প খেলোয়াড় বাছাই করতে পারবে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, “চারপাশের সাম্প্রতিক উন্নয়ন/পরিস্থিতির জন্য।”

কিন্তু এই সব বিতর্ক ও অনিশ্চয়তার মাঝেও নিজের পারফরম্যান্সে মনোযোগী ছিলেন মুস্তাফিজ। চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) সিলেট টাইটান্সের হয়ে খেলার সময় তিনি নেন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। এর মাধ্যমেই তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের উইকেট সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৪০০-এ।

এই মাইলফলক স্পর্শ করতেই আবেগতাড়িত হয়ে ব্যক্তিগত এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেন 'ফিজ'। তিনি লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ আরেকটি মাইলস্টোনের জন্য। টি-টোয়েন্টিতে ৪০০ উইকেট এবং সিলেট টাইটান্সের বিরুদ্ধে দৃঢ় জয়। পারফর্ম করতে পেরে সদা কৃতজ্ঞ। ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য সবার কাছে কৃতজ্ঞ।”

মুস্তাফিজের এই অর্জনটি তাকে বিশ্বের সেরা টি-টোয়েন্টি বোলারদের সারিতে দাঁড় করিয়েছে। ৩১৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এ পর্যন্ত তার ৪০২টি উইকেট, যার সেরা বোলিং ফিগার ৬/১০। আইপিএলে চেন্নাই, দিল্লি, মুম্বাই ও হায়দরাবাদের হয়ে খেলে তিনি নিয়েছেন ৬৫ উইকেট।

বিসিসিআই'র এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেট ভক্তদের মাঝে যেমন সমালোচনা হচ্ছে, তেমনি মুস্তাফিজের এই ধৈর্য ও পেশাদারিত্ব সবাইকে অভিভূত করেছে। আসন্ন আইপিএল সিজন ছাড়াই বিশ্ব ক্রিকেট অঙ্গনে আবারও আলোচনায় 'দ্য কাটার মাস্টার'।