ঢাকা, শনিবার, জানুয়ারী ১০, ২০২৬ | ২৭ পৌষ ১৪৩২
Logo
logo

ইসরায়েলের টার্গেটেড হামলায় গাজার রকেট সাইট ধ্বংস! যুদ্ধবিরতি ভাঙার ঝুঁকি বাড়ল


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ পিএম

ইসরায়েলের টার্গেটেড হামলায় গাজার রকেট সাইট ধ্বংস! যুদ্ধবিরতি ভাঙার ঝুঁকি বাড়ল

গাজা সিটির কাছে একটি রকেট উৎক্ষেপণের স্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, একটি ব্যর্থ রকেট ছোড়ার চেষ্টা শনাক্ত হওয়ার পরপরই তারা ওই স্থানটিতে ‘টার্গেটেড স্ট্রাইক’ পরিচালনা করে। তাদের দাবি, রকেটটি ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকতেই পারেনি।

এই হামলার ঘটনায় গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার নতুন শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী অভিযোগ করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামাস দু’বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। তবে হামাসের এক সূত্র জানিয়েছে, তারা এই অভিযোগ খতিয়ে দেখছে।

যুদ্ধবিরতির অগ্রগতি আটকে আছে

যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার অগ্রগতিও এখন থমকে আছে। বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, গাজায় আটকে থাকা সর্বশেষ ইসরায়েলি বন্দীর মরদেহ ফেরত দেওয়ার অপেক্ষায় আছে তেল আভিব। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর এক ঘনিষ্ঠ সহকারী জানিয়েছেন, ওই মরদেহ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপে যাবে না এবং রাফাহ সীমান্তক্রসিংও খুলবে না।

হামলা চলতেই থাকবে বলে হুঁশিয়ারি

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজার ভেতরে ইসরায়েলের বিমান হামলা ও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, গাজা থেকে যেকোনো ধরনের হামলার চেষ্টা তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেবে এবং তার জবাব দেবে।

দুই পক্ষের দোষারোপ

এদিকে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে একে অপরকেই দোষ দিচ্ছে ইসরায়েল ও হামাস। হামাসের অস্ত্র ত্যাগ করাসহ বেশ কিছু জটিল ইস্যুতে দু’পক্ষের অবস্থানের মধ্যে এখনো বিশাল ফারাক রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল আবারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যদি হামাস শান্তিপূর্ণভাবে অস্ত্র না ছাড়ে, তাহলে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান আবারও শুরু করা হতে পারে।

এভাবে একটি বিমান হামলা পুরো শান্তি প্রক্রিয়াই অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।