ঢাকা, রবিবার, জানুয়ারী ১১, ২০২৬ | ২৮ পৌষ ১৪৩২
Logo
logo

এ্যাশেস হার নিয়ে 'ননসেন্স' মন্তব্য! ক্রুদ্ধ অ্যান্ডারসনের সরাসরি আক্রমণ ক্যাপ্টেন স্টোকসের ওপর"


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ১০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:০১ পিএম

এ্যাশেস হার নিয়ে 'ননসেন্স' মন্তব্য! ক্রুদ্ধ অ্যান্ডারসনের সরাসরি আক্রমণ ক্যাপ্টেন স্টোকসের ওপর"

ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার জেমস অ্যান্ডারসন সরাসরি ক্যাপ্টেন বেন স্টোকসের সমালোচনা করে বসলেন। অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪-১ ব্যবধানে এ্যাশেস সিরিজ হারার পর স্টোকসের দেওয়া কিছু ব্যাখ্যাকে তিনি 'ননসেন্স' বা অর্থহীন বলে আখ্যা দিয়েছেন।

অ্যান্ডারসনের ক্ষোভের মূল কারণ, হারকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্টোকস তার বোলার জোশ টাং ও ব্রাইডন কার্সের 'চেষ্টা'র প্রশংসা করেছিলেন। অ্যান্ডারসনের মতে, এত বড় হার মেনে নেওয়ার পর শুধু 'চেষ্টা'র প্রশংসা করা আসল সমস্যাকে ঢেকে দেয় এবং দলের মান কমিয়ে দেয়।

বিবিসি রেডিওতে কথা বলতে গিয়ে ক্রুদ্ধ অ্যান্ডারসন বলেন, "আমি যখন স্টোকসকে বলতে শুনলাম যে জোশ টাং আর ব্রাইডন কার্স কতটা নিষ্ঠার সাথে বোলিং করেছে, তখন আমার 'রয় কিন' মুহূর্ত হয়েছিল। আমি ভাবলাম, এটাতো তোমার কাজ! যদি সারাদিন তোমার দলের জন্য দৌড়াতে না চাও, তাহলে খেলো না। তুমি ভুল খেলায় আছ।"

তিনি অস্ট্রেলিয়ার বোলার মিচেল স্টার্কের উদাহরণ টেনে বলেন, "স্টার্ক এই সিরিজে আমার মতে সবচেয়ে অসাধারণ ছিলেন। পাঁচ ম্যাচের পুরো সিরিজ জুড়ে তিনি যেভাবে বোলিং করেছেন, শেষ টেস্টের পঞ্চম দিনেও ঠিক একই গতিতে বোলিং করছিলেন। এটাই স্ট্যান্ডার্ড। 'চেষ্টার অভাব নেই'—এমন কথা শুনলে আমার সবসময়ই রাগ হয়। চেষ্টা তো থাকবেই, এটা আলাদা করে বলার কিছু নেই।"

এদিকে, পঞ্চম টেস্টের পর স্টোকস তার খেলোয়াড়দের পক্ষ নিয়ে বলেছিলেন, "কেউ আমাদের কমিটমেন্ট বা শক্তিকে প্রশ্ন করতে পারে না। আমরা ভালো পারফর্ম করতে পারিনি, সেটা আমরা মানি। কিন্তু কারো চেষ্টা বা সর্বোচ্চ দেওয়ার ইচ্ছাকে কখনো সন্দেহ করা উচিত নয়। সমস্যাটা ছিল এক্সিকিউশনের।"

অ্যান্ডারসন মনে করেন, শুধু 'চেষ্টা ছিল' বললে দলের ভিতরের গভীর সমস্যাগুলো আড়াল হয়ে যায় এবং দলের মান কমে যায়। তিনি আরও কড়া ভাষায় যোগ করেন, "স্টার্ক সিরিজ সেরা হয়েছেন, ৩১ উইকেট নিয়েছেন, ব্যাটেও রান করেছেন। এই যে সামঞ্জস্য, এটাই প্রত্যাশা।"

উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০২৫-২৬ এ্যাশেস সিরিজে ইংল্যান্ড চরমভাবে হেরে যায়। প্রস্তুতিহীনতা, টেস্ট ম্যাচের মধ্যে শৃঙ্খলার অভাব এবং ২-০ পিছিয়ে থাকা অবস্থায় নুসায় ছুটিতে যাওয়া নিয়ে দলটি সমালোচনার মুখে পড়ে।