ঢাকা, রবিবার, জানুয়ারী ১১, ২০২৬ | ২৮ পৌষ ১৪৩২
Logo
logo

গাজায় পাকিস্তানি সেনা পাঠানো? ইসরাইলের কড়া না! হামাস নিয়ে বিরাট অস্বস্তি, রাষ্ট্রদূতের স্পষ্ট বার্তা


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ১০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:০১ পিএম

গাজায় পাকিস্তানি সেনা পাঠানো? ইসরাইলের কড়া না! হামাস নিয়ে বিরাট অস্বস্তি, রাষ্ট্রদূতের স্পষ্ট বার্তা

ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে আর নিরাপত্তা ঠিক রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা বাহিনীতে পাকিস্তানি সেনাদের অংশ নেওয়া নিয়ে এখন জোর আলোচনা চলছে। কিন্তু ইসরাইল এই প্রস্তাবে সরাসরি আপত্তি তুলেছে। তারা গাজায় পাকিস্তানি সেনাদের দেখতে চায় না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে তেল আবিব।

শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার।

রাষ্ট্রদূত জানান, গাজার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী, অর্থাৎ ইন্টারন্যাশনাল স্টেবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ)-এ পাকিস্তানসহ অনেক দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু পাকিস্তানি সেনাদের অংশগ্রহণে ইসরাইল একদম স্বস্তি বোধ করছে না।

রিউভেন আজার বলেন, “এখন এমন পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে যাতে আমরা সামনে এগোতে পারি। কিন্তু তার জন্য হামাসকে ভেঙে ফেলতে হবে। এর বাইরে যাওয়ার কোনো পথ নেই।”

তিনি আরও যোগ করেন, অনেক দেশ ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা সেনা পাঠাতে চায় না, কারণ তারা হামাসের সঙ্গে লড়াই করতে অনিচ্ছুক। ফলে এখন আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর ধারণাটাই প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উগ্র সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর যোগসূত্রের অভিযোগের কারণে গাজায় পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে ইসরাইল স্বস্তি বোধ করবে কি না—এই প্রশ্ন করা হলে রাষ্ট্রদূত দৃঢ়ভাবে ‘না’ বলেন। এতে স্পষ্ট হয় যে, গাজায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর যেকোনো ভূমিকার বিরোধিতা করছে ইসরাইল।

পাকিস্তানের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি আরও বলেন, “সাধারণত দেশগুলো তাদের সঙ্গেই কাজ করে যাদের তারা বিশ্বাস করে আর যাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি তেমন নয়।”

এনডিটিভির মতে, ইসরাইলি রাষ্ট্রদূতের এই কথা স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, গাজা স্থিতিশীলকরণের ব্যবস্থায় পাকিস্তানকে বিশ্বাসযোগ্য বা গ্রহণযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখছে না ইসরাইল।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে গত অক্টোবরে শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির ২০ দফা পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর সেনা নিয়ে গঠিত এই আন্তর্জাতিক বাহিনী।