ঢাকা, মঙ্গলবার, জানুয়ারী ১৩, ২০২৬ | ২৯ পৌষ ১৪৩২
Logo
logo

ইরানের ডিজিটাল দুর্গ! স্টারলিংক-সহ পশ্চিমা গোয়েন্দা ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিল তেহরানের ‘কিল সুইচ’


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ পিএম

ইরানের ডিজিটাল দুর্গ! স্টারলিংক-সহ পশ্চিমা গোয়েন্দা ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিল তেহরানের ‘কিল সুইচ’

ইরান এবার ডিজিটাল যুদ্ধে বড় জয়! পশ্চিমা শক্তির গোপন পরিকল্পনা আর ইলন মাস্কের স্টারলিংক দিয়ে অস্থিরতা ছড়ানোর চেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ করে দিয়েছে তেহরান। দেশের শক্তিশালী সাইবার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ‘কিল সুইচ’ প্রযুক্তির মুখে সব নীলনকশা ভেঙে চুরমার!

গত কয়েক দিন ধরে দ্রব্যমূল্য বাড়া ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে ইরানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এই বিচ্ছিন্ন দাঙ্গা ও অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ডিজিটাল আগ্রাসনের পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু ইরানের সাইবার ডিফেন্স সিস্টেম সবকিছু নস্যাৎ করে দিয়েছে।

সহিংস বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে ৮ জানুয়ারি থেকে দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর ইলন মাস্কের স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট দিয়ে বিক্ষোভকারীদের যোগাযোগ ও অস্থিরতা বাড়ানোর চেষ্টা হয়। কিন্তু সেটাও ফেল! উচ্চক্ষমতার জ্যামিং সিস্টেম ও ‘কিল সুইচ’ ব্যবহার করে স্টারলিংকের সিগন্যাল আকাশেই স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উন্নত ‘কিল সুইচ’ প্রযুক্তিতে রাশিয়া বা চীনের সাহায্য থাকতে পারে।
নেটব্লকসের তথ্য বলছে, বর্তমানে ইরানের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ ডিজিটাল ব্ল্যাকআউটের মধ্যে আছে – অর্থাৎ ইন্টারনেট প্রায় পুরোপুরি বন্ধ।

পশ্চিমা মিডিয়া এটাকে ‘ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট’ বলে সমালোচনা করলেও, ইরানের দাবি – এটা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কৌশলগত পদক্ষেপ। তাদের আইটি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাইরের শক্তির পাঠানো সিগন্যাল জ্যাম করে সন্ত্রাসীদের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
এখানে দেখুন ইরানের রাস্তায় চলমান বিক্ষোভের কিছু দৃশ্য – অর্থনৈতিক সংকটের কারণে মানুষের ক্ষোভ: