ঢাকা, শনিবার, জুন ৬, ২০২৬ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Logo
logo

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নাম বদলাতে চান সঞ্জয় মাঞ্জরেকার! ওয়ানডেকে একমাত্র 'বিশ্বকাপ' বলে মানতে চান তারকা


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ পিএম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নাম বদলাতে চান সঞ্জয় মাঞ্জরেকার! ওয়ানডেকে একমাত্র 'বিশ্বকাপ' বলে মানতে চান তারকা

ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে নতুন বিতর্ক! ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার এবং এখন জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জরেকার সরাসরি বলে দিয়েছেন – টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নাম বদলানো উচিত। তার মতে, আসল 'ক্রিকেট বিশ্বকাপ' বলতে শুধু ৫০ ওভারের ওয়ানডে বিশ্বকাপকেই বোঝানো উচিত। টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টকে এর সমান মর্যাদা দেওয়া ঠিক না।

নিজের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে সঞ্জয় লিখেছেন, “আমার কাছে ‘ক্রিকেট বিশ্বকাপ’ মানে সবসময়ই ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ। দুই বছর পরপর যে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হয়, সেটাকে চার বছর পরপর আসা ওয়ানডে বিশ্বকাপের সমান মর্যাদা দেওয়া উচিত নয়। আমার মতে এর আসল নাম হওয়া উচিত – দ্য ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি।”

যারা ক্রিকেট ফলো করেন, তারা জানেন – টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আগে ঠিক এই নামেই চলতো। ২০০৭ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ছয়টা আসর ‘ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি’ নামে হয়েছে। ২০২১ থেকে নাম বদলে ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ’ করা হয়েছে। সঞ্জয় মনে করেন, পুরনো নামেই ফিরে যাওয়া ভালো।

এদিকে ওয়ানডে ফরম্যাট নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন আরেক ভারতীয় তারকা রবিচন্দ্রন অশ্বিন। চলতি মাসের শুরুতে নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘অ্যাশ কি বাত’-এ অশ্বিন বলেছেন, “২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর ওয়ানডের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি নিশ্চিত নই। আমি একটু চিন্তিত। অবশ্যই বিজয় হাজারে ট্রফি দেখি, কিন্তু সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফির (টি-টোয়েন্টি) মতো ততটা উৎসাহ নেই। দর্শকরা কী চায়, সেটা দেখতে হবে। টেস্ট ক্রিকেটের এখনও জায়গা আছে, কিন্তু ওয়ানডের ততটা নেই বলে মনে হয়।”

অশ্বিন আরও বলেন, রোহিত শর্মা আর বিরাট কোহলি যখন বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলতে ফিরেছেন, তখন দর্শকের আগ্রহ বেড়েছে। “খেলা সবসময় খেলোয়াড়ের চেয়ে বড়, কিন্তু এমন তারকাদের ফিরে আসাও খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।”

অশ্বিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি (টেস্টে ৫৩৭ উইকেট)। ওয়ানডেতে ১১৬ ম্যাচে ১৫৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
এখন দেখার বিষয়, এই বিতর্ক থেকে কী হয়! অনেকেই মনে করছেন, টি-টোয়েন্টির জনপ্রিয়তা বাড়ছে বলে ওয়ানডে একটু পিছিয়ে পড়ছে। আপনার মত কী? কমেন্টে জানান!