ঢাকা, শনিবার, জুন ৬, ২০২৬ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Logo
logo

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট! হরভজন গর্জে উঠলেন, 'সবই নাটক, ধাপ্পাবাজি'"


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০২:০২ পিএম

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট! হরভজন গর্জে উঠলেন, 'সবই নাটক, ধাপ্পাবাজি'"

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বড়সড় এক ঘোষণা দিল পাকিস্তান সরকার। এক অভূতপূর্ব সিদ্ধান্তে তারা রবিবার জানায়, পাকিস্তান ক্রিকেট দল বিশ্বকাপে খেলবে; কিন্তু গ্রুপ পর্বের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ম্যাচটি বয়কট করবে। বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে আইসিসি তাকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়েছে – তারই প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করছে পাকিস্তান।

এর আগে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতের মাটিতে খেলা নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রকাশ করে। তারা গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের দাবি জানালে, আইসিসি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ভোটাভুটি হয়। সেই ভোটে বাংলাদেশের পক্ষে শুধু বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দাঁড়ায়। বাকি ১৪টি দেশ বিসিবির এই দাবিকে গ্রহণযোগ্য মনে করে নি।

আইসিসি'র সেই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দিয়ে পাকিস্তান তাদের সমর্থন জানায়। এরপরই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এমনকি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

পাকিস্তানের এই 'ভারত ম্যাচ বয়কট' ঘোষণায় সরব হয়েছেন ভারতের সাবেক স্পিন কিংবদন্তি হরভজন সিং। তিনি ক্ষোভে ফেটে পড়ে বলেছেন, এগুলো সবই পাকিস্তানের বানানো 'নাটক'।

হরভজন বলেন, "পাক সরকার বলছে, তাদের দল বিশ্বকাপ খেলবে কিন্তু ভারতের বিপক্ষে খেলবে না। এতে কোনো যুক্তি নেই। এই পাকিস্তান সরকার আর দল কয়েকদিন পরেই বলবে, 'বাংলাদেশের সাথে সমস্যার সমাধান হয়েছে। আইসিসি নিষেধাজ্ঞা দেবে না। আমরা খেলতে প্রস্তুত এবং সমাধান চাই।' মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই এই নাটকের আয়োজন করা হয়েছে। তারা দেখাতে চাইছে যে বাংলাদেশের পাশে আছে।"

রবিবার পাকিস্তান সরকারের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, 'ইসলামি প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের সরকার আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে অনুমোদন দিচ্ছে।' তবে একই সাথে পরিষ্কার বলা হয়, '১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান দল অংশ নেবে না।'

এর আগে আইসিসি'র পক্ষ থেকে এক সূত্র জানিয়েছিল, বিশ্বকাপ বয়কটের পাকিস্তানের অবস্থানে অনড় থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি টুর্নামেন্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা বা নিলামে রাখার মতো শাস্তিও হতে পারে।