এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৪:০২ পিএম

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের তোলা অভিযোগের কিছু অংশের সত্যতা মিলেছে—এমনটাই জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিশেষ করে নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অসদাচরণ ও হয়রানির প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। যদিও জাহানারার তোলা গুরুতর যৌন হয়রানির সব অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি, তবু তদন্তে বড় বিপাকে পড়েছেন মঞ্জুরুল ইসলাম।
বুধবার এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, জাহানারার করা চারটি অভিযোগের মধ্যে দুটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অনুপযুক্ত আচরণ ও হয়রানির অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ মিলেছে তদন্তে।
বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়,
‘কমিটি জাহানারা আলমের করা চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পরীক্ষা করেছে। এর মধ্যে দুটি অভিযোগ উপলব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে প্রমাণিত হয়নি। তবে বাকি দুটি অভিযোগের ক্ষেত্রে তৎকালীন নির্বাচক ও ম্যানেজার মো. মঞ্জুরুল ইসলামের অনুপযুক্ত আচরণের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, বিসিবির সঙ্গে তাঁর চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ৩০ জুন।’
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মঞ্জুরুল ইসলামের কিছু কর্মকাণ্ড সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ ও ‘হয়রানি’ হিসেবে গণ্য হয়। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক নির্বাচক ও টিম ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানিসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ্যে আনেন জাহানারা আলম।
এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে তখন ক্রিকেটপাড়ায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় বিসিবি একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে। তিন দফায় সময় বাড়ানোর পর অবশেষে গত সোমবার বহুল আলোচিত এই অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন বিসিবির কাছে জমা পড়ে।