ঢাকা, শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২৬ | ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

সাউথ জোনকে উড়িয়ে ফাইনালের দোরগোড়ায় নর্থ জোন! লিটন-হৃদয়ের দুর্দান্ত জুটিতে ৬ উইকেটের সহজ জয়


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১১:০২ পিএম

সাউথ জোনকে উড়িয়ে ফাইনালের দোরগোড়ায় নর্থ জোন! লিটন-হৃদয়ের দুর্দান্ত জুটিতে ৬ উইকেটের সহজ জয়

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের ম্যাচে বৃহস্পতিবার সাউথ জোনকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের পথ অনেকটা সহজ করে নিল নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন নর্থ জোন। মাত্র ১৪৬ রানের ছোট লক্ষ্য ২৬ ওভারের মধ্যেই ছুঁয়ে ফেলেন লিটন কুমার দাস, তাওহিদ হৃদয়রা।

দুই ম্যাচে দুই জয় নিয়ে নর্থ জোনের ফাইনাল অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গেছে। শেষ ম্যাচে সেন্ট্রাল জোনের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হার এড়াতে পারলেই ৩ মার্চের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে দেখা যাবে শান্ত, নাহিদ, লিটনদের।

টস জিতে সাউথ জোনকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় নর্থ জোন। নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলামের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ৪ ওভারের মধ্যে প্রথম চার ব্যাটারকে হারায় সাউথ জোন। আনিসুল ইসলাম ইমন, সৌম্য সরকার, জাওয়াদ আবরার ও আফিফ হোসেন ধ্রুব দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই ফেরেন।
পরে অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন মোহাম্মদ মিঠুন। নতুন স্পেলে ফিরে তাদের ৫০ রানের জুটি ভাঙেন নাহিদ।

 ২৪ রান করে আউট হন সোহান। এরপর রবিউল হকের সঙ্গে ৫১ রানের জুটি গড়েন মিঠুন। রবিউল ২ চার ও ২ ছক্কায় ২২ বলে ২৯ রান করেন।
শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন মিঠুন। ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৭৯ বলে ৫৫ রান করে তিনি দলকে কোনোমতে দেড়শর কাছে নিয়ে যান। কিন্তু এই স্কোর নর্থ জোনের জন্য খুবই সহজ ছিল।

বল হাতে ৩টি করে উইকেট নেন নাহিদ ও এসএম মেহেরব হাসান। শরিফুল ও মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
রান তাড়ায় শুরুতেই মোস্তাফিজুর রহমানের পরীক্ষায় পড়েন নর্থ জোনের ব্যাটাররা। প্রথম ওভারে ১৭ রান দিলেও পরের দুই ওভারে হাবিবুর রহমান সোহান, তানজিদ হাসান তামিম ও শান্তকে ফিরিয়ে দেন মোস্তাফিজ। ৩৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে নর্থ জোন।

তবে হাল ধরেন লিটন ও হৃদয়। দুজন মিলে গড়ে তোলেন ৮০ রানের জুটি। দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে ৪৬ বলে ৩৩ রান করে আউট হন হৃদয়। ৩ চার ও ১ ছক্কা মারেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়ে ৬৫ বলে ৫৫ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন লিটন। ছয় নম্বরে নেমে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২২ বলে ১৯ রান করেন আকবর আলি। ৫ ওভারে ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন মোস্তাফিজ।