ঢাকা, শনিবার, জুন ৬, ২০২৬ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Logo
logo

২৭ বছর পর শোয়েব আখতারের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি! লুকিয়ে ড্রাগ-ইনজেকশন নিয়ে ভারতের বিপক্ষে খেলতেন রওশনি


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৩:০২ পিএম

২৭ বছর পর শোয়েব আখতারের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি! লুকিয়ে ড্রাগ-ইনজেকশন নিয়ে ভারতের বিপক্ষে খেলতেন রওশনি

স্পোর্টস ডেস্ক: ঘণ্টায় ১৬১.৩ কিলোমিটার গতিতে বল করে ক্রিকেট ইতিহাসে দ্রুততম বলের রেকর্ড গড়েছেন শোয়েব আখতার। আজও অনেক স্পিডস্টার মাঠে দাপিয়ে বেড়ালেও ব্যাটারদের মনে যে ভয়ের সঞ্চার করতেন তিনি—সেটা আর কেউ করতে পারেনি। সেই কিংবদন্তি পেসার এবার করলেন বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি। তিনি স্বীকার করেছেন, ভারতের বিপক্ষে খেলার জন্য লুকিয়ে ‘ইনজেকশন-ড্রাগ’ নিতেন তিনি!

১৯৯৮-৯৯ সালে ভারত সফরে এসেছিল পাকিস্তান। সেই সিরিজে শোয়েব আখতারের ভয়াল রূপ দেখেছিল পুরো ক্রিকেটবিশ্ব। ভারতীয় ব্যাটারদের জন্য আরও একজন পাক বোলারকে সামলানো খুব কঠিন হয়ে পড়েছিল—তিনি স্পিনার সাকলাইন মুস্তাক। ২৭ বছর পর এসে আখতার স্বীকার করলেন, ওই সিরিজে সিনিয়রদের চোখ এড়িয়ে ইনজেকশন-ড্রাগ নিয়ে খেলতে নামতেন তারা দু’জনেই।

আসলে আখতার এবং সাকলাইন আজন্ম নিজেদের ক্যারিয়ারে হাঁটুর চোটে ভুগেছেন। খেলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ওষুধ আর ইনজেকশন নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় ছিল না তাদের। এক টেলিভিশন শো-তে আখতার বলেন, “আমার হাঁটু ফুলে থাকত। আসলে ওই জায়গাটা তরলে ভরে গিয়েছিল। 

সাকলাইনের হাঁটু তো ১৯৯৬ সালেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। আর আমারটা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল ১৯৯৭ সালে। আমরা দু’জনেই লুকিয়ে ওষুধ খেতাম, ইনজেকশন নিতাম। কোনো সিনিয়র যদি এটা জানত, তাহলে সাকলাইনকে ছুঁড়ে ফেলে দিত। আর আমি তো আগেই ওদের টার্গেট ছিলাম।”
মজার ছলে আখতার আরও বলেন, ওই সিরিজে তার আর সাকলাইনের মধ্যে চ্যালেঞ্জ হত—শচীনের উইকেটটা কে নেবে। যে ম্যাচে সাকলাইন নিত, পরের ম্যাচে আখতার বলতেন, “শচীন আমার শিকার।”

এখানেই প্রশ্ন উঠছে—কী এমন ওষুধ নিতেন আখতাররা যা গোপনে নিতে হত? নিজের দলের সিনিয়ররা দেখলেও বাদ পড়ার ভয় ছিল? তাহলে কি নিষিদ্ধ কোনো ওষুধ নিতেন? যদিও সেই সম্ভাবনা কম। কারণ ক্রিকেটারদের নিয়মিত ডোপ টেস্ট করা হয়। ফলে কেউ ডোপ করলে ধরা পড়ার সম্ভাবনা থাকে।