ঢাকা, বুধবার, মার্চ ৪, ২০২৬ | ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

“ইরানের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একমত উপসাগরীয় ছয় দেশ, গঠিত শক্তিশালী প্রতিরক্ষা জোট”


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০২ মার্চ, ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম

“ইরানের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একমত উপসাগরীয় ছয় দেশ, গঠিত শক্তিশালী প্রতিরক্ষা জোট”

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশ—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ওমান, কাতার এবং কুয়েত—ইরানের বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিরক্ষা ও প্রতিক্রিয়ার জন্য একত্রিত হচ্ছে। এই অগ্রগতির খবর পাওয়া গেছে গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) বৈঠকে।

১ মার্চ জিসিসি জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে অনলাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের চেয়ারম্যান ছিলেন বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুললতিফ বিন রাশিদ আল জায়ানি। বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ জর্ডানও যোগ দেয়, যদিও এটি জিসিসির সদস্য নয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের তেহরান শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার মধ্য দিয়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধের প্রথম দুই দিনে, অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ, ইরানের সেনাবাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের ২৮টি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালায়। এই ঘাঁটির অধিকাংশই উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয়টি দেশে অবস্থিত। হামলায় কয়েকজন নিহত এবং আহত হন।

বৈঠকে জিসিসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানের হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে বলেন, সামরিক স্থাপনা ও সেনাদের পাশাপাশি বেসামরিক মানুষ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ইরানের হামলার শিকার হয়েছেন। এ ধরনের হামলা জিসিসি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের সার্বভৌমত্ব, আন্তর্জাতিক আইন এবং প্রতিবেশী নীতির গুরুতর লঙ্ঘন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একমত হন যে, এই হামলার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। জিসিসি সনদ এবং যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, কোনো সদস্য রাষ্ট্রে হামলা হলে তা পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে এবং হামলাকারীর বিরুদ্ধে যৌথভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।

রোববারের বৈঠকে নিশ্চিত করা হয়েছে, ভবিষ্যতে ইরান যদি আগ্রাসী হামলা অব্যাহত রাখে, তবে এই ছয়টি দেশের জোট জিসিসি সনদ এবং যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে।