ঢাকা, বুধবার, মার্চ ৪, ২০২৬ | ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন, মিরপুরের উইকেট কি বদলাবে ম্যাচের ভাগ্য এবার সত্যিই?


এনবিএস ওয়েবডেস্ক   প্রকাশিত:  ০২ মার্চ, ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম

ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন, মিরপুরের উইকেট কি বদলাবে ম্যাচের ভাগ্য এবার সত্যিই?

বিসিএলের গ্রুপ পর্ব শেষ। এখন চোখ সবার ফাইনালে। আগামীকাল দুপুরে শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ মুখোমুখি হবে নর্থ জোন ও সেন্ট্রাল জোন। শিরোপা নির্ধারণের এই মহারণের আগে সোমবার গণমাধ্যমের সামনে কথা বলেছেন নর্থ জোনের কোচ তারেক আজিজ খান।

সাব্বিরের ফর্মে ভরসা, প্রস্তুত পুরো দল

ফাইনালের আগে দলের প্রস্তুতি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তারেক। তিনি বলেন, ‘সাব্বির গত ম্যাচে তার সুযোগটা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে। আমাদের সব খেলোয়াড় এখন প্রস্তুত ফাইনাল ম্যাচের জন্য। আমরা একটা সঠিক কম্বিনেশন নিয়ে মাঠে নামতে চাই এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল বের করে আনতে চাই।’

দলের ভেতরে আত্মবিশ্বাস আছে বলেই মনে করছেন কোচ। গ্রুপ পর্বে ওঠানামা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেরা সময়ে সেরা পারফরম্যান্স দেওয়াই এখন লক্ষ্য নর্থ জোনের।

মিরপুরের উইকেট—চেনা চরিত্র নাকি নতুন চমক?

ফাইনালের আগে সবচেয়ে বড় আলোচনা—মিরপুরের উইকেট কেমন হবে? এই প্রশ্নের জবাবে তারেক বলেন, ‘বিপিএলে কিন্তু এবার চমৎকার উইকেট হয়েছে। আমরা আশা করতে পারি মিরপুর তার সেই চিরাচরিত চরিত্র থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করছে। আশা করি আমরা ভালো উইকেট পাবো। বড় রান করার যে অভ্যাস বা ফ্ল্যাট উইকেটে বল করার যে অভ্যাস, সেটা প্লেয়াররা দুভাবেই রপ্ত করার সুযোগ পাবে।’

অর্থাৎ, উইকেট নিয়ে বাড়তি অভিযোগে যেতে চাইছেন না তিনি। বরং এমন একটি পিচ চান, যেখানে ব্যাটার ও বোলার—দুই পক্ষই নিজেদের সেরাটা দেখাতে পারবেন। ফাইনাল ম্যাচের উত্তেজনায় এমন উইকেটই তো দর্শক চায়!

নির্বাচকদের নজরও ফাইনালে

বিসিএলের গুরুত্ব নিয়েও কথা বলেন নর্থ জোন কোচ। তার ভাষায়, ‘বাংলাদেশের প্রায় সব সেরা খেলোয়াড় এখানে আছে। এটা নির্বাচকদের জন্যও একটা সুযোগ যে কারো সম্পর্কে কোনো সন্দেহ থাকলে সেটা এখান থেকে দেখে নেয়ার। আমার মনে হয় প্রত্যেক প্লেয়ারের জন্য এটা ভালো সুযোগ ছিল। টিমগুলোও বেশ ভারসাম্যপূর্ণ ছিল।’

অর্থাৎ, শুধু শিরোপাই নয়—এই ফাইনাল অনেক ক্রিকেটারের ভবিষ্যৎও গড়ে দিতে পারে। জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়তে চাইলে এমন মঞ্চই সবচেয়ে বড় সুযোগ।

এখন দেখার বিষয়, মিরপুরের উইকেট কাদের হাসি ফোটায়—নর্থ জোন, না সেন্ট্রাল জোন? ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা এক রোমাঞ্চকর ফাইনালের।