এনবিএস ওয়েবডেস্ক প্রকাশিত: ০৩ মার্চ, ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হঠাৎ হামলার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলোই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খামেনির ‘জীবিত থাকার’ দাবি করে কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে।
কী জানা গেল ফ্যাক্ট চেকে
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, খামেনি সাহারা মরুভূমিতে অবস্থান করছেন বলে যে ছবিটি ছড়ানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর।
ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া ছবিটিতে দাবি করা হয়েছিল, খামেনি জীবিত আছেন এবং বর্তমানে সাহারা মরুভূমিতে রয়েছেন। তবে তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, ছবিটি ২০১৪ সালের একটি পুরোনো ছবি, যা বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে কোনোভাবে সম্পর্কিত নয়।
কোনো নির্ভরযোগ্য ভিডিও বা প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণও এই দাবির পক্ষে পাওয়া যায়নি। ফলে বিশেষজ্ঞরা এটিকে ‘অপপ্রচার’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে চীনের কড়া বার্তা
অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং জানিয়েছেন, সব পক্ষকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে, উত্তেজনা বৃদ্ধি এড়াতে হবে এবং হরমুজ প্রণালির নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
মাও নিং বলেন, “জ্বালানি নিরাপত্তা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীন তার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”
চীন ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা, যার বেশির ভাগই হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হয়। বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই প্রণালির মধ্য দিয়ে যায়।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের বিপ্লবী গার্ড এই প্রণালিটি বন্ধ ঘোষণা করায়, কয়েকটি আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন সংস্থা এ নৌপথে চলাচল স্থগিত করেছে।