ঢাকা, রবিবার, জুন ৭, ২০২৬ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Logo
logo

ইরান আমিরাত, কুয়েত ও ইসরায়েলের মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি


এনবিএস ওয়েবডেস্ক  | প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম

ইরান আমিরাত, কুয়েত ও ইসরায়েলের মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি

ইরানের নৌবাহিনী দাবি করেছে, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে। আঞ্চলিক যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে শনিবার এই হামলার কথা জানানো হয়।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, “ইরানি নৌবাহিনী মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের অধিকৃত ভূখণ্ডে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।”

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শনিবারের হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-মিনহাদ ঘাঁটি, কুয়েতের একটি ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের একটি কৌশলগত স্থাপনা লক্ষ্য করা হয়। পরে ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা বিমান ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলায় মার্কিন আকাশযুদ্ধ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র, আর্লি ওয়ার্নিং রাডার এবং ফায়ার কন্ট্রোল রাডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে বিমান হামলা চালিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করার পর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ইরান ইসরায়েল এবং মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে পাল্টা জবাব দিতে থাকে।

একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারে মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য অপেক্ষা করছে আইআরজিসি। আঞ্চলিক যুদ্ধের কারণে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচল বর্তমানে স্থবির। শনিবার আইআরজিসি সতর্ক করে জানিয়েছে, মার্কিন বাহিনী উপস্থিত হলে তাদের ধ্বংস করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ঘোষণা দেন, নৌবাহিনী যথাযথ সময়ে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে পাহারা দেবে। এই ঘোষণার পর আইআরজিসির মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেন, “আমরা তাদের উপস্থিতির অপেক্ষায় আছি। মার্কিনিরা যেন ১৯৮৭ সালে সুপারট্যাঙ্কার ‘ব্রিজেটনে’ লাগা আগুন এবং সম্প্রতি লক্ষ্যবস্তু হওয়া তেলবাহী জাহাজগুলোর কথা মনে রাখে।”